রবিবার, ১৯ মে ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
ভেঙ্গে যাচ্ছে সিলেট জেলা বিএনপির কমিটি!  » «   বিদেশে অবস্থানরত শ্রমিকদের প্রতি মিশনগুলোর ধারণা নেতিবাচক: পররাষ্ট্রমন্ত্রী  » «   হিজাব পরে অস্ট্রিয়ার অমুসলিম নারী সাংসদের অভিনব প্রতিবাদ  » «   গাড়ি নষ্ট, রিকশায় চড়ে অভিযানে মেয়র আরিফ  » «   মুক্তিযোদ্ধাদের ন্যূনতম বয়সের পরিপত্র অবৈধ: হাইকোর্ট  » «   কৃষক রক্ষা না করলে অভিশাপ নেমে আসবে: রিজভী  » «   ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধনের ফল প্রকাশ, পাসের হার ২০.৫৩%  » «   মুক্তিযোদ্ধা, এতিম ও আলেমদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ইফতার আজ  » «   রাতভর ধ্যানের পর বদ্রিনাথের পথে মোদি, রেকর্ড সংখ্যায় ভোট দেওয়ার আহ্বান  » «   জুলাই থেকে ১০ বছর মেয়াদি ই-পাসপোর্ট দেয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী  » «   ফখরুলের আসনে মান্নাকে উপনির্বাচন করার প্রস্তাব  » «   বিমান ছিনতাই চেষ্টা: শিমলার হদিস পাচ্ছে না পুলিশ  » «   এবারের ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক হবে: ওবায়দুল কাদের  » «   লন্ডনের ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হলেন সিলেটের আহবাব  » «   আজ থেকে বাণিজ্যিক কার্যক্রমে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট  » «  

গরুর সুন্দরী প্রতিযোগিতা!



আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: বিশ্ব সুন্দরী প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়; চলছে গত কয়েক দশক ধরে। তবে অবাক করার ব্যাপার হল- গরুরও যে সুন্দরী প্রতিযোগিতা হয় তা আমাদের অনেকের অজানা। কাল্পনিক নয়, বাস্তবে ঘটেছে এ ঘটনা। বাছাই পর্বে ২০ লাখ গরু প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। সেরা গরু সুন্দরী হয় লেডি গাগা।

জার্মানির লোয়ার স্যাক্সানি রাজ্যে গরুর রূপগুণ বিচার করতে অভিনব এক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়৷ মূল প্রতিযোগিতার পাশাপাশি থাকে আরও অনেক কার্যকলাপ।যেমন গরুর ছবির শুটিং। একটি গরুর মুখচ্ছবিতে কৌতূহলের অভিব্যক্তি আনতে একটি বল ব্যবহার করা হচ্ছে। তার নাম আফ্রিকা। তার প্রজননকারী ইয়াসিন গরুর ক্ষমতা ও সৌন্দর্যের জন্য পুরস্কার পেয়েছেন। সেই গরুর আলাদা খাদ্য তালিকাও রয়েছে।

প্রতিযোগিতার নাম হলস্টাইন শো। ফাইনালের আগে ছিল হাড্ডাহাড্ডি প্রতিযোগিতাপূর্ণ বাছাই পর্ব। জার্মানি আর লুক্সেমবার্গের অন্তত ২০ লাখ সুন্দরী, স্বাস্থ্যবতী গরু অংশ নিয়েছে সেই পর্বে। ২০ লক্ষ থেকে ‘গ্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন’ হবার আশা নিয়ে ফাইনালে উঠেছিল মাত্র ২০০ সুন্দরী।

বাছাই পর্বে ২০ লাখ প্রতিযোগী!
প্রতিযোগিতার নাম হল স্টাইন শো। ফাইনালের আগে ছিল হাড্ডাহাড্ডি প্রতিযোগিতাপূর্ণ বাছাই পর্ব। জার্মানি আর লুক্সেমবার্গের অন্তত ২০ লাখ সুন্দরী, স্বাস্থ্যবতী গরু অংশ নিয়েছে সেই পর্বে। ২০ লাখ থেকে গ্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আশা নিয়ে ফাইনালে উঠেছিল মাত্র ২০০ সুন্দরী।

সাইজ জিরো নয়, ডাবল এক্সএল
মানবীদের বিশ্ব সুন্দরী প্রতিযোগিতার মতো হলস্টার শোতে কোনো প্রতিযোগী জিরো ফিগার নিয়ে এলে বাছাই পর্বেও নাম লেখাতে পারবে না। বিচারকরা এমন সব গরুই বেছে নিয়েছেন, যাদের দুই জোড়া শক্ত পায়ের ওপর রয়েছে সবল, সুদৃঢ় কাঠামো এবং যাদের দুধের বাণও বেশ বড়। তেমন প্রতিযোগীই ছিল বেশি। জার্মানি আর লুক্সেমবার্গের গরুরা গড়ে প্রতিদিন ২৫ কেজি ঘাস এবং অন্যান্য খাবার খায়৷ এত খেলে কেউ মোটা-তাজা না হয়ে পারে!

সুন্দরীদের সাজগোজ
গরু সুন্দরীদের সাজগোজের জন্য ছিল ব্যাপক আয়োজন৷ শীতপ্রধান দেশ বলে গরুদের গায়ের রোম অনেক বড় বড় হয়। মাথার পাশে অনেক গরুর এমন ঘন, দীর্ঘ রোম থাকে যে তাদের সুকেশিনী বলা যায় নির্দ্বিধায়। তাদের চুল কাটার জন্য ছিল বিশেষ সেলুন। পাঁজর আর দুধের বাটে মাখানোর জন্য ছিল বেবি অয়েল। চুল রঙ করানোর জন্যও ছিল বিশেষ ব্যবস্থা।

ক্যাটওয়াক!
বিশ্ববিখ্যাত মডেলদের মতো ক্যাটওয়াকেও অংশ নিয়েছে গরু-সুন্দরীরা। কান খাড়া করে, নিতম্বটা একটু যৌনাবেদনময়ীর ভঙ্গিতে তুলে সামনের দিকে সতর্ক দৃষ্টি রেখে আত্মবিশ্বাসী পদক্ষেপে যারা এগিয়ে যেতে পেরেছে, তাদেরই ফুল মার্কস দিয়েছেন বিচারকরা!

সাফল্যের মূলমন্ত্র
প্রশিক্ষকরা প্রতিযোগীদের পই পই করে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন, পরিমিত খাবে ও ঘুমাবে। শরীর কখনও নোংরা করবে না। প্রতিদিন শাওয়ারের নিচে দাঁড়াতে হতো প্রতিযোগীদের। চার পায়ের খুরও পরিষ্কার করা হতো প্রতিদিন। বিশ্রাম নিতে হতো বাঁধা সময় মেনে। এসব সু-অভ্যাস রপ্ত করে তবেই সবাই ফাইনালে হাজির হয়েছিল বিচারকদের প্যানেলের সামনে।

সুন্দরীরা নিলামে!
হলস্টাইন গরুদের জার্মানি, লুক্সেমবার্গসহ ইউরোপের এ অঞ্চলে অনেক কদর। দুধ দেয়া গরুদের মধ্যে এই হলস্টাইন গরুই সবচেয়ে বেশি আছে এ অঞ্চলে। এমন গরুর ক্রেতার অভাব নেই। এ প্রতিযোগিতায় অনেক কৃ্ষকই এসেছিলেন রথ দেখার পাশাপাশি কলাও বেচার লক্ষ্য নিয়ে। অর্থাৎ সুন্দরী গরুটা যখন প্রতিযোগিতার জন্য নিজেকে তৈরি করছে, তখনও ক্রেতা খুঁজেছেন গরুর মালিক। নিলাম হয়েছে এবং সেই নিলামে বিক্রিও হয়েছে অনেক সুন্দরী!

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: