শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ শ্রাবণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
নিজেদের বিমান বাহিনী থেকে সুরক্ষা পেতেই এরদোগানের এস-৪০০ ক্রয়!  » «   জাপানে অ্যানিমেশন স্টুডিওতে অগ্নিসংযোগ, নিহত ১২  » «   খাদ্য ঘাটতি পূরণ করেছি, এখন লক্ষ্য পুষ্টি: প্রধানমন্ত্রী  » «   রিফাত হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে মিন্নি  » «   বাংলাদেশের পতাকার আদলে অন্তর্বাস বিক্রি করছে অ্যামাজন  » «   রিফাত হত্যাকাণ্ড: এবার রিশান ফরাজীও গ্রেফতার  » «   বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি কেলেঙ্কারি: সিস্টেম লস নয় দুর্নীতি  » «   বন্যার কারণে জাতীয় ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পরীক্ষা স্থগিত  » «   হঠাৎ কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণে শক্ত পদক্ষেপ, মাঠে নামছে র‌্যাব  » «   ধসে পড়া ভবনে মিললো বাবা-ছেলের মরদেহ  » «   ইসরাইলের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের তীব্র নিন্দা  » «   ‘নয়ন বন্ডের বাড়িতে বসেই স্বামীকে হত্যার পরিকল্পনা করেন মিন্নি’  » «   সিলেটের ২ জনসহ দেশসেরা ১২ শিক্ষার্থীকে পুরস্কার দিলেন প্রধানমন্ত্রী  » «   বেনাপোল ও বনলতা এক্সপ্রেস ট্রেনের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী  » «   উপজেলা নির্বাচন: সিলেটে আ.লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীদের বহিষ্কারের তালিকা  » «  

গজনিতে তালেবান সংঘর্ষ, নিহত বেড়ে ৩০০



আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: আফগানিস্তানের কৌশলগত শহর গজনিতে তালেবান সদস্যদের তীব্র আক্রমণের মুখে নিরাপত্তা বাহিনীর অন্তত ১০০ সদস্য প্রাণ হারিয়েছে। এতে আরও ২০ থেকে ৩০ জন বেসামরিক লোকের প্রাণহানী ঘটেছে। ফলে চতুর্থ দিনে এসে শহরটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩০০’তে দাঁড়িয়েছে।

সোমবার দেশটির সরকারি কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে কাতার ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে। এদিন গজনিতে সরকার ও তালেবানদের চতুর্থ দিনের মতো সংর্ঘষ হয়।

খবরে বলা হয়, তালেবান সদস্যদের বিরুদ্ধে লড়তে গজনি প্রদেশের রাজধানীতে সরকার আরও শক্তি বৃদ্ধি করেছে। এছাড়াও তালেবান ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে বিমান হামলার প্রস্তুতিও নিয়েছে সরকার।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী তারিক শাহ বাহরামি সংবাদমাধ্যমকে বলেন,১০০ জনের মতো নিরাপত্তাকর্মী তালেবানদের বিরুদ্ধে লড়তে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন। আরো ২০ থেকে ৩০ জন বেসামরিক নিহত হওয়ায় বাস্তবে প্রাণহানির সংখ্যা বেশি।

তবে সংঘর্ষে শত্রুপক্ষের ১৯৪ জন যোদ্ধাও নিহত হয়েছেন। যাদের মধ্যে ১২ জন প্রধান কমান্ডার রয়েছেন। এছাড়াও বিমান হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন ৯৫ জন তালেবান যোদ্ধা। খবরে বলা হয়, প্রদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রায় বিচ্ছিন্ন। দেশটির সরকারি কর্মকর্তারাও শহরের পরিস্থিতি সম্পর্কে তেমন কোনো মন্তব্য করছেন না। ফলে যে কোন তথ্য যাচাই করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, চলতি বছরের জুনে সরকারের সঙ্গে যুদ্ধ বিরতি ঘোষণার পর তালেবানদের এটিই সবচেয়ে বড় কৌশলগত অভিযান। তালেবান সদস্যরা গজনিতে হামলার কারণে বিদ্রোহীদের ওপর শান্তি আলোচনার চাপ বাড়ছে।

কাবুল-কান্দাহার মহাসড়কের পাশে গজনি শহর অবস্থিত। এছাড়াও শহরটি কাবুল ও বিদ্রোহীর নিয়ন্ত্রিত দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম প্রবেশ পথ।গত ১০ আগস্ট থেকে গজনি শহরে তালেবান যোদ্ধারা হামলা শুরু করে। ওইদিন থেকে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে তাদের দফায় দফায় সংর্ঘষে এতো সংখ্যক মানুষের প্রাণহানি ঘটলো।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: