মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ১০ বৈশাখ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
শ্রীমঙ্গলে থামছে না অসাধু ব্যবসায়ীদের অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, নিশ্চুপ প্রশাসন!  » «   জাজিরা প্রান্তে বসল ১১তম স্প্যান, দৃশ্যমান ১৬৫০ মিটার  » «   দক্ষিণ সুরমায় ইজতেমার অনুমোদন এখনো মেলেনি  » «   সিলেটের ৯টি উপজেলায় ভোটার তালিকা হালনাগাদ শুরু  » «   শোকে স্তব্ধ শ্রীলঙ্কায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩১১  » «   জিন তাড়ানোর বাহানায় যৌন সম্পর্ক গড়তো সেই পিয়ার  » «   ভারতের মিডিয়া ও বিজেপির প্রতি ক্ষুব্ধ শ্রীলঙ্কার নেটিজেনরা  » «   পড়াশোনা না করলে জীবনের অর্থ সংকীর্ণ হয়ে ওঠে: শিক্ষামন্ত্রী  » «   এমডিকে ‘ওয়াসার সুপেয় পানির’ শরবত খাওয়াবেন জুরাইনবাসী  » «   হুমকি না থাকলেও সতর্ক আছে বাংলাদেশ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী  » «   নকল তামাক পণ্য : হুমকিতে জনস্বাস্থ্য, রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার  » «   ৬ দিনের সফরে সিলেটে পৌঁছেছেন সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নাহিদ  » «   শাহজালাল বিমানবন্দরের টয়লেট থেকে ৪ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার  » «   ফেঞ্চুগঞ্জে ঘরে ঢুকে হত্যাচেষ্টা, ছুরিসহ আটক  » «   শ্রীলংকায় বোমা হামলায় সুনামগঞ্জের শিশু জায়ান নিহত  » «  

গজনিতে তালেবান সংঘর্ষ, নিহত বেড়ে ৩০০



আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: আফগানিস্তানের কৌশলগত শহর গজনিতে তালেবান সদস্যদের তীব্র আক্রমণের মুখে নিরাপত্তা বাহিনীর অন্তত ১০০ সদস্য প্রাণ হারিয়েছে। এতে আরও ২০ থেকে ৩০ জন বেসামরিক লোকের প্রাণহানী ঘটেছে। ফলে চতুর্থ দিনে এসে শহরটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩০০’তে দাঁড়িয়েছে।

সোমবার দেশটির সরকারি কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে কাতার ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে। এদিন গজনিতে সরকার ও তালেবানদের চতুর্থ দিনের মতো সংর্ঘষ হয়।

খবরে বলা হয়, তালেবান সদস্যদের বিরুদ্ধে লড়তে গজনি প্রদেশের রাজধানীতে সরকার আরও শক্তি বৃদ্ধি করেছে। এছাড়াও তালেবান ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে বিমান হামলার প্রস্তুতিও নিয়েছে সরকার।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী তারিক শাহ বাহরামি সংবাদমাধ্যমকে বলেন,১০০ জনের মতো নিরাপত্তাকর্মী তালেবানদের বিরুদ্ধে লড়তে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন। আরো ২০ থেকে ৩০ জন বেসামরিক নিহত হওয়ায় বাস্তবে প্রাণহানির সংখ্যা বেশি।

তবে সংঘর্ষে শত্রুপক্ষের ১৯৪ জন যোদ্ধাও নিহত হয়েছেন। যাদের মধ্যে ১২ জন প্রধান কমান্ডার রয়েছেন। এছাড়াও বিমান হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন ৯৫ জন তালেবান যোদ্ধা। খবরে বলা হয়, প্রদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রায় বিচ্ছিন্ন। দেশটির সরকারি কর্মকর্তারাও শহরের পরিস্থিতি সম্পর্কে তেমন কোনো মন্তব্য করছেন না। ফলে যে কোন তথ্য যাচাই করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, চলতি বছরের জুনে সরকারের সঙ্গে যুদ্ধ বিরতি ঘোষণার পর তালেবানদের এটিই সবচেয়ে বড় কৌশলগত অভিযান। তালেবান সদস্যরা গজনিতে হামলার কারণে বিদ্রোহীদের ওপর শান্তি আলোচনার চাপ বাড়ছে।

কাবুল-কান্দাহার মহাসড়কের পাশে গজনি শহর অবস্থিত। এছাড়াও শহরটি কাবুল ও বিদ্রোহীর নিয়ন্ত্রিত দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম প্রবেশ পথ।গত ১০ আগস্ট থেকে গজনি শহরে তালেবান যোদ্ধারা হামলা শুরু করে। ওইদিন থেকে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে তাদের দফায় দফায় সংর্ঘষে এতো সংখ্যক মানুষের প্রাণহানি ঘটলো।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: