মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর ২০১৭ খ্রীষ্টাব্দ | ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
লিপস্টিক যখন মাজাদার খাবার!  » «   কিশোরী ধর্ষণের প্রমান মেলায় ২ নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র  » «   শিক্ষার্থীদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ শিক্ষা দিতে হবে- রেজাউল রহিম লাল  » «   মাশরাফির রংপুরের কাছে নাসিরের সিলেটের পরাজয়!  » «   যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় নারীর মৃত্যু  » «   সালমানের স্ত্রী-সন্তান থাকে বিদেশে!  » «   পুলিশ পেটালো ছাত্রলীগ!  » «   চুয়াডাঙ্গায় সাপের কামড়ে একজনের মৃত্যু  » «   বিপিএল পয়েন্ট টেবিলে কে কোথায় দাঁড়িয়ে  » «   আম্পায়ারের সঙ্গে সাকিবের এ কেমন আচরণ!  » «   সংসদে বাদলকে তুলোধুনো করলেন নৌমন্ত্রী  » «   ৭ মার্চ কেন জাতীয় দিবস নয় : হাইকোর্ট  » «   আজ সুফিয়া কামালের জন্মদিন  » «   অভিবাসীবিরোধী নন ট্রাম্প  » «   আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধন করবেন শাহরুখ  » «  

খ্রিষ্টান ধর্ম থেকে যেভাবে ইসলামের পথে এক তরুণী



9.আন্তর্জাতিক ডেস্ক::
আমেরিকার কলোরাডোর মেয়ে মারিয়া। আমেরিকার অন্যান্য খ্রিস্টান কিংবা নাস্তিক মেয়েদের মতই তিনিও পার্টিতে যেতেন, নাচ গান কিংবা মদপানে মেতে উঠতেন।
হঠাৎ ভাগ্যচক্রে এক পাকিস্তানি যুবকের সাথে পরিচয় ঘটে তার। তার স্কুলজীবনের ঠিক শেষের দিকটায়।
পরিচয়ের পর সখ্য, তারপর একসময় তাদের মধ্যে বাগদান সম্পন্ন হয়। কিন্তু একদিন মর্মান্তিক এক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন সেই পাকিস্তানি যুবকটি।
যুবকটির উত্তম চরিত্র ও ব্যবহার তার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। পরে কালেমা পাঠ করে মুসলিম হন মারিয়া।
মারিয়া তার জীবনের এই পটপরিবর্তন নিয়ে অনইসলাম ডটকমকে একটি সাক্ষাৎকার দেন।
তার এই সাক্ষাৎকারটি পাঠকদের জন্য প্রকাশ করা হল-
আমি মারিয়া। এক বছর আগে আমি ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত হয়েছি। আমার জন্ম কলোরাডোর বোল্ডার শহরে। এখানেই আমি আমার স্কুল জীবন কাটিয়েছি।
আমার বাবা-মা দু’জনেই দক্ষিণ আফ্রিকান। তারা এখানে অভিবাসী। তাদের দু’জনেরই ধর্মে বিশ্বাস নেই। তারা উভয়েই নাস্তিক। সঙ্গত কারণেই আল্লাহর প্রতি তাদের কোন বিশ্বাস নেই।

আমার একমাত্র ভাই যিনি কলোরাডো বিশ্ববিদ্যালয়ে সঙ্গীত বিষয়ে অধ্যয়নরত। তিনি একজন ক্যাথলিক।
ইসলাম গ্রহণের আগে বাবা-মার মত আমারও আল্লাহতে কোনো বিশ্বাস ছিল না। আমারও কোনো ধর্ম ছিল না এবং ধর্মের প্রতি কোনো বিশ্বাসও ছিল না।
আমার বাবা-মা আমাকে যা শিক্ষা দিয়েছে তাই শিখে বড় হয়েছি। যে কারণে আল্লাহর প্রতি আমার বিশ্বাস জন্মায়নি। ধর্ম বলে যে কোনো কিছু আছে তা মোটেই বিশ্বাস করতাম না।

মনে পড়ে, আমাদের পরিবারে যদি ধর্ম নিয়ে কোনো আলোচনা হত, তবে প্রায় এর নেতিবাচক দিকগুলো নিয়েই আলোচনা হত। ধর্ম যে প্রকৃতই ভাল কিছু, আগে তা বুঝতে পারিনি। আমি ভাবতাম, এটি সেই জিনিস যা অনেক সমস্যার কারণ। এটিকে পৃথিবীর সকল যুদ্ধ এবং যুদ্ধের উপাদান বলে মনে করতাম। এককথায় এটিকে পুরোপুরি নেতিবাচক হিসেবে দেখতাম।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: