মঙ্গলবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৩ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
বুধবার সিলেটে সংস্কারকৃত শিশু আদালতের উদ্বোধন  » «   আজ হবিগঞ্জের লাখাই কৃষ্ণপুর গণহত্যা দিবস  » «   বুধবার মৌলভীবাজারে অর্ধদিবস হরতালের ডাক, প্রতিহতের ঘোষণা আ. লীগের  » «   গোলাপগঞ্জ পৌরসভা মেয়র উপ-নির্বাচন: প্রতীক বরাদ্দ আজ  » «   কারগারে মালির কাজ করছেন রাগীব আলী, ডিভিশনের আবেদন  » «   ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় ১০ অক্টোবর  » «   কোটা ইস্যুতে আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের পাল্টাপাল্টি মিছিল  » «   আশুরা উপলক্ষে সুনির্দিষ্ট হুমকি নেই: ডিএমপি কমিশনার  » «   একনেকে অনুমোদন পেলো ইভিএম কেনা প্রকল্প  » «   জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে রিট  » «   ৫৬৮ কেজির লাড্ডু দিয়ে পালিত হল মোদির জন্মদিন  » «   দেশের সব নাগরিককে অধিকার রক্ষায় সক্রিয় হতে হবে-ড. কামাল  » «   ঐতিহাসিক পিয়ংইয়ং সফরে সস্ত্রীক প্রেসিডেন্ট মুন  » «   ২০১৭-১৮ অর্থবছরে জিডিপির প্রবৃদ্ধি ৭.৮৬%  » «   মাদরাসা শিক্ষকের স্ত্রী ও ছাত্রকে গলাকেটে হত্যা  » «  

খ্রিষ্টান ধর্ম থেকে যেভাবে ইসলামের পথে এক তরুণী



9.আন্তর্জাতিক ডেস্ক::
আমেরিকার কলোরাডোর মেয়ে মারিয়া। আমেরিকার অন্যান্য খ্রিস্টান কিংবা নাস্তিক মেয়েদের মতই তিনিও পার্টিতে যেতেন, নাচ গান কিংবা মদপানে মেতে উঠতেন।
হঠাৎ ভাগ্যচক্রে এক পাকিস্তানি যুবকের সাথে পরিচয় ঘটে তার। তার স্কুলজীবনের ঠিক শেষের দিকটায়।
পরিচয়ের পর সখ্য, তারপর একসময় তাদের মধ্যে বাগদান সম্পন্ন হয়। কিন্তু একদিন মর্মান্তিক এক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন সেই পাকিস্তানি যুবকটি।
যুবকটির উত্তম চরিত্র ও ব্যবহার তার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। পরে কালেমা পাঠ করে মুসলিম হন মারিয়া।
মারিয়া তার জীবনের এই পটপরিবর্তন নিয়ে অনইসলাম ডটকমকে একটি সাক্ষাৎকার দেন।
তার এই সাক্ষাৎকারটি পাঠকদের জন্য প্রকাশ করা হল-
আমি মারিয়া। এক বছর আগে আমি ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত হয়েছি। আমার জন্ম কলোরাডোর বোল্ডার শহরে। এখানেই আমি আমার স্কুল জীবন কাটিয়েছি।
আমার বাবা-মা দু’জনেই দক্ষিণ আফ্রিকান। তারা এখানে অভিবাসী। তাদের দু’জনেরই ধর্মে বিশ্বাস নেই। তারা উভয়েই নাস্তিক। সঙ্গত কারণেই আল্লাহর প্রতি তাদের কোন বিশ্বাস নেই।

আমার একমাত্র ভাই যিনি কলোরাডো বিশ্ববিদ্যালয়ে সঙ্গীত বিষয়ে অধ্যয়নরত। তিনি একজন ক্যাথলিক।
ইসলাম গ্রহণের আগে বাবা-মার মত আমারও আল্লাহতে কোনো বিশ্বাস ছিল না। আমারও কোনো ধর্ম ছিল না এবং ধর্মের প্রতি কোনো বিশ্বাসও ছিল না।
আমার বাবা-মা আমাকে যা শিক্ষা দিয়েছে তাই শিখে বড় হয়েছি। যে কারণে আল্লাহর প্রতি আমার বিশ্বাস জন্মায়নি। ধর্ম বলে যে কোনো কিছু আছে তা মোটেই বিশ্বাস করতাম না।

মনে পড়ে, আমাদের পরিবারে যদি ধর্ম নিয়ে কোনো আলোচনা হত, তবে প্রায় এর নেতিবাচক দিকগুলো নিয়েই আলোচনা হত। ধর্ম যে প্রকৃতই ভাল কিছু, আগে তা বুঝতে পারিনি। আমি ভাবতাম, এটি সেই জিনিস যা অনেক সমস্যার কারণ। এটিকে পৃথিবীর সকল যুদ্ধ এবং যুদ্ধের উপাদান বলে মনে করতাম। এককথায় এটিকে পুরোপুরি নেতিবাচক হিসেবে দেখতাম।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: