বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৪ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
লন্ডনে মুসলিমদের ওপর গাড়ি হামলা, আহত ৩  » «   সরকারি চাকরিজীবীদের ৫% সুদে গৃহঋণের আবেদন অক্টোবরে  » «   ভারতে তিন তালাককে শাস্তিযোগ্য অপরাধ ঘোষণা  » «   স্কুলছাত্রীকে পিটিয়ে অজ্ঞান করলেন শিক্ষক  » «   বোমা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, আর ইয়েমেনে সেই বোমা ফেলছে সৌদি  » «   রাখঢাক রাখছেন না পর্নো তারকা ডানিয়েল স্টর্মি  » «   কাবা শরীফের ভেতরে প্রবেশের সুযোগ পেলেন ইমরান  » «   মিয়ানমারে নিলামে উঠছে সুচির ভাস্কর্য  » «   এক দিনেই মিলবে পাসপোর্ট  » «   ওসমানী বিমানবন্দরে বিমানে তল্লাশি : ৪০টি স্বর্ণের বার উদ্ধার, চোরাচালানী আটক  » «   কেউ বলতে পারবে না, কারো গলা টিপে ধরেছি: প্রধানমন্ত্রী  » «   সৌদি থেকে ফিরলেন ৪২ নারী গৃহকর্মী  » «   সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টে আরও ২০ কোটি টাকা অনুদান দেবেন প্রধানমন্ত্রী  » «   ইয়েমেনে দুর্ভিক্ষের ঝুঁকিতে ৫২ লাখ শিশু  » «   ‘২৩ হাজার পোস্টমর্টেম বনাম মানসিক সঙ্কট’  » «  

খুলনার কয়রা থানার ওসির প্রত্যাহার দাবি



Khulna-120160405143303নিউজ ডেস্ক: ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ এনে খুলনার কয়রা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হরেন্দ্র নাথ সরকারকে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান পরাজিত প্রার্থী এস এম বাহারুল ইসলাম।

মঙ্গলবার (০৫ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় খুলনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি জানান।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, কয়রা থানার ওসি নির্বাচনের প্রচারণা শুরুর আগ থেকে তিনি পক্ষপাতিত্ব মূলক আচরণ করছেন। তার পক্ষপাতিত্ব মূলক আচরণের কারণে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম জাল ভোটের উৎসব পালন করেন নির্বাচনের দিন। আর তার নেতা কর্মীদের মারধর করা হয়। শুধুমাত্র জাল ভোট দিয়ে ক্ষ্যন্ত হননি শফিকুল ইসলাম। নির্বাচনের পরের দিন ২৩ মার্চ ওসির সমর্থনে পুলিশের সামনেই আওয়ামী লীগ কার্যালয় ভাঙচুর, আমিসহ নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা চালায়। এই সন্ত্রাসী হামলার সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে দৈনিক যুগান্তরের কয়রা প্রতিনিধি এস এম হারুন রশীদও আহত হয়। এ সংবাদ বিভিন্ন গণমাধ্যমেও প্রকাশ হয়।

কিন্তু অলৌকিকভাবে এই ঘটনায় আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় যাদের আসামি করা হয়েছে তারা সকলেই বর্তমানে খুলনা মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানান তিনি।

তিনি কয়রার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হরেন্দ্র নাথ সরকারের অপসারণ দাবি করেন। এছাড়াও ছাত্রলীগের নব ঘোষিত থানা কমিটি দলীয় প্রার্থীর বিপক্ষে কাজ করাই তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানান।

এ বিষয়ে কয়রা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হরেন্দ্র নাথ সরকার বলেন, ছাত্রলীগের নব গঠিত কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্বের কারণে সংঘর্ষ হয় ২৩ মার্চ। ছাত্রলীগের বাহারুল- হিরু গ্রুপ নব গঠিত সভাপতি সাধারণ সম্পাদক মেহেদী ও আল আমীন গ্রুপের দ্বন্দ্বের জের ধরেই সংঘর্ষ। খবর পাওয়া মাত্র আমি ঘটনাস্থলে যেই এবং ব্যবস্থা নেই। তবে এ বিষয়ে থানায় কোনো পক্ষ অভিযোগ করেনি। তারা আদালতে অভিযোগ দায়ের করেছে। এখন আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালনো হচ্ছে।

গত ২২মার্চ প্রথম দফা নির্বাচনে খুলনার কয়রা সদর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী এস এম শফিকুল ইসলাম, আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী এস এম বাহারুল ইসলাম ও বিএনপি মনোনিত প্রার্থী এইচ এম শাহাবুদ্দিন নির্বাচন করেন। নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী এস এম শফিকুল ইসলাম জয় লাভ করেন।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: