মঙ্গলবার, ১৯ জুন ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ আষাঢ় ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
ছাত্রীর সঙ্গে শিক্ষকের কুকীর্তি ফাঁস!  » «   মায়ের পছন্দ ব্রাজিল, সমর্থক জয়ও  » «   পুলিশ কমিশনার‘ঈদগাহে ছাতা ও জায়নামাজ ছাড়া অন্য কিছু নয়’  » «   ‘আমিও প্রেগনেন্ট হয়েছি, অনেকবার অ্যাবরশনও করিয়েছি’  » «   গুগল পেজ ইরর দেখায় কেন?  » «   রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, সিইসি কে কোথায় ঈদ করছেন  » «   ইসি সচিব : তিন সিটি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা  » «   বিপজ্জনক রূপ নিয়েছে মনু ও ধলাই  » «   বিশ্বকাপের একদিন আগে বরখাস্ত স্পেন কোচ!  » «   ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কে ৭ কি.মি. যানজট  » «   শারীরিক সম্পর্ক নিয়ে আলিয়ার সোজা কথা!  » «   যে কারণে ইউনাইটেড হাসপাতালে যেতে চান খালেদা  » «   খালেদা চিকিৎসা চান নাকি রাজনীতি করছেন : সেতুমন্ত্রী  » «   যানজটের কথা শুনিনি, কেউ অভিযোগও করেননি  » «   ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান ‘বকশিসের নামে নীরব চাঁদাবাজি নেই’  » «  

খুলনার কয়রা থানার ওসির প্রত্যাহার দাবি



Khulna-120160405143303নিউজ ডেস্ক: ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ এনে খুলনার কয়রা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হরেন্দ্র নাথ সরকারকে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান পরাজিত প্রার্থী এস এম বাহারুল ইসলাম।

মঙ্গলবার (০৫ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় খুলনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি জানান।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, কয়রা থানার ওসি নির্বাচনের প্রচারণা শুরুর আগ থেকে তিনি পক্ষপাতিত্ব মূলক আচরণ করছেন। তার পক্ষপাতিত্ব মূলক আচরণের কারণে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম জাল ভোটের উৎসব পালন করেন নির্বাচনের দিন। আর তার নেতা কর্মীদের মারধর করা হয়। শুধুমাত্র জাল ভোট দিয়ে ক্ষ্যন্ত হননি শফিকুল ইসলাম। নির্বাচনের পরের দিন ২৩ মার্চ ওসির সমর্থনে পুলিশের সামনেই আওয়ামী লীগ কার্যালয় ভাঙচুর, আমিসহ নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা চালায়। এই সন্ত্রাসী হামলার সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে দৈনিক যুগান্তরের কয়রা প্রতিনিধি এস এম হারুন রশীদও আহত হয়। এ সংবাদ বিভিন্ন গণমাধ্যমেও প্রকাশ হয়।

কিন্তু অলৌকিকভাবে এই ঘটনায় আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় যাদের আসামি করা হয়েছে তারা সকলেই বর্তমানে খুলনা মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানান তিনি।

তিনি কয়রার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হরেন্দ্র নাথ সরকারের অপসারণ দাবি করেন। এছাড়াও ছাত্রলীগের নব ঘোষিত থানা কমিটি দলীয় প্রার্থীর বিপক্ষে কাজ করাই তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানান।

এ বিষয়ে কয়রা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হরেন্দ্র নাথ সরকার বলেন, ছাত্রলীগের নব গঠিত কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্বের কারণে সংঘর্ষ হয় ২৩ মার্চ। ছাত্রলীগের বাহারুল- হিরু গ্রুপ নব গঠিত সভাপতি সাধারণ সম্পাদক মেহেদী ও আল আমীন গ্রুপের দ্বন্দ্বের জের ধরেই সংঘর্ষ। খবর পাওয়া মাত্র আমি ঘটনাস্থলে যেই এবং ব্যবস্থা নেই। তবে এ বিষয়ে থানায় কোনো পক্ষ অভিযোগ করেনি। তারা আদালতে অভিযোগ দায়ের করেছে। এখন আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালনো হচ্ছে।

গত ২২মার্চ প্রথম দফা নির্বাচনে খুলনার কয়রা সদর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী এস এম শফিকুল ইসলাম, আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী এস এম বাহারুল ইসলাম ও বিএনপি মনোনিত প্রার্থী এইচ এম শাহাবুদ্দিন নির্বাচন করেন। নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী এস এম শফিকুল ইসলাম জয় লাভ করেন।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: