রবিবার, ১৯ অগাস্ট ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৪ ভাদ্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
নিজের বিয়ে বন্ধ করতে যে কাণ্ড করেছিলেন বাজপেয়ী  » «   ভেঙে পড়ার ঝুঁকিতে ফ্রান্সের ৮৪০টি সেতু!  » «   ১ লাখ জাল নোট তৈরিতে খরচ মাত্র ১০ হাজার টাকা!  » «   সেপ্টেম্বরেই ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় : আইনমন্ত্রী  » «   কফি আনানের মৃত্যুতে বিশ্ব নেতাদের শোক  » «   কেরালায় বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৫৭  » «   বন্যার্তদের জন্য অনন্য নজির কেরালার মাছ ব্যবসায়ী ছাত্রীর  » «   বয়স ৬২, অপরাধ ১১২, কে এই মহিলা ডন?  » «   কোরবানির পশুর হাট: মিয়ানমার থেকে গবাদি পশুর রেকর্ড আমদানি  » «   ‘এবার নয়, সংলাপ হবে পরবর্তী নির্বাচনে’  » «   হজযাত্রীর মৃত্যুর সংখ্যা অর্ধশতাধিক  » «   পশুর মজুদ পর্যাপ্ত, সঙ্কটের আশঙ্কা নেই: প্রাণিসম্পদমন্ত্রী  » «   হাসপাতালের টয়লেটে জোর করে স্কুলছাত্রীর নগ্ন ছবি ধারণ!  » «   সোনারগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রী‘রাজধানীতে বস্তি থাকছে না  » «   জামিন পেলো সেই ২২ শিক্ষার্থী  » «  

‘খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে মুক্ত করা হবে’



নিউজ ডেস্ক::বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেছেন, আন্দোলনের মাধ্যমে তাঁর দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে মুক্ত করা হবে। আগামী নির্বাচনে তিনি এ দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবেন।

সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সুপ্রিম কোর্টে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম আয়োজিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে সাজা দেওয়ার প্রতিবাদে দ্বিতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ কর্মসূচিতে মওদুদ এসব কথা বলেন।

মওদুদ বলেন, দেশে একনায়কতন্ত্র চলছে। আইনজীবীরা আন্দোলনের মাধ্যমে খালেদা জিয়াকে কারামুক্ত করবেন। একই সঙ্গে দেশের গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে তাঁরা কাজ করে যাচ্ছেন।

এসময় সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবেদীন বলেন, খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় সাজা দেওয়ার ঘটনা তাঁর তিন গুণ জনপ্রিয়তা বেড়ে গেছে। এ রায় শেখ হাসিনার পতনের রায়। মামলা-হামলা দিয়ে খালেদা জিয়াকে দমানো যাবে না।

জয়নুল আবেদীন বলেন, দেশের তিনবারের প্রধানমন্ত্রীকে যে মামলায় সাজা দেওয়া হয়েছে, তা আওয়ামী লীগের লোকজনও বিশ্বাস করে না। এ মিথ্যা মামলার কারণে দেশের মানুষ আওয়ামী লীগ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে।

বিক্ষোভ কর্মসূচিতে আরো বক্তব্য দেন আইনজীবী ফোরামের মহাসচিব ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দিন খোকন, তৈমূর আলম খন্দকার, আবেদ রেজা, রফিকুল ইসলাম রাজা, বদরুদ্দৌজা বাদল, গাজী কামরুল ইসলাম সজল, রাশেদা আলম ঐশী, শরীফ উ আহমেদ।

উল্লেখ্য, গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণা করেন বিশেষ আদালতের বিচারক ডা. মো. আখতারুজ্জামান। রায়ে তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন। এ ছাড়া বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ পাঁচ আসামিকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড এবং দুই কোটি ১০ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়।

রায় ঘোষণার পর পরই খালেদা জিয়াকে পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন মাগুরার সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) কাজী সলিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমানকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এঁদের মধ্যে তারেক রহমান, কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও মমিনুর রহমান পলাতক।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়া, তারেক রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

২০১০ সালের ৫ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন দুদকের উপপরিচালক হারুন-আর রশিদ। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক বাসুদেব রায়।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: