মঙ্গলবার, ১৭ জুলাই ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ২ শ্রাবণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
বড়লেখায় জাকির হোসেন শিক্ষা ও সেবা ফাউন্ডেশনের পরীক্ষা উপকরণ বিতরণ  » «   ইসির নতুন উদ্যোগ : যেসব অফিসে মিলবে হারানো পরিচয়পত্র  » «   ঢাবিকে কলঙ্কমুক্ত করতে ভিসির পদত্যাগ দাবী সাবেক ছাত্রদল অর্গানাইজেশন ইউরোপের  » «   অপহরণকারীর সাথে প্রেম, অতঃপর…  » «   শাহবাগে শিক্ষার্থী-পুলিশ সংঘর্ষ, সময় বাড়ল প্রতিবেদন দাখিলের  » «   পোগবা ব্রিটিশদের ‘বিদ্রুপ’ করলেন !  » «   ওয়ানডে সিরিজের আগে টাইগারদের জন্য বড় সুসংবাদ!  » «   যে কারণে রাতে কাজ করবেন না!  » «   দুর্নীতি মামলায় জামিন পেলেন খালেদা জিয়া  » «   উচ্চ আদালতের সেই রায়  » «   গণভবনে প্রধানমন্ত্রী‘আল্লাহ যাকে ইচ্ছে ক্ষমতা দেন’  » «   পবিত্র হজ পালনমক্কায় বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু  » «   আমার গার্লফ্রেন্ডের সংখ্যা ১০টারও কম-রণবীর  » «   মেসির বাংলাদেশ সফর, যা বলল ইউনিসেফ  » «   বিয়ের প্রলোভনে একাধিকবার ধর্ষণ! অতঃপর…  » «  

‘খালেদা ছাড়া অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হতে পারে না’



নিউজ ডেস্ক:: খালেদা জিয়া ছাড়া দেশে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ।

তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে সম্পূর্ণ মিথ্যা মামলায় কারাগারে রাখা হয়েছে। বিএনপি ছাড়া বাংলাদেশে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হতে পারে না। অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন সেইদিন হবে যেদিন খালেদা জিয়া কারাগার থেকে বের হয়ে নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন। ভারত থেকে শুরু করে সকল প্রতিবেশি দেশ চায় বাংলাদেশে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হোক। সেই নির্বাচনের জন্য অবশ্যই খালেদা জিয়ার মুক্তি ও অংশগ্রহণ প্রয়োজন।

শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার পরিষদের আয়োজনে বর্তমান প্রেক্ষাপটে মানবাধিকার ও ভোটের অধিকার’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

নির্বাচন কমিশনের সমালোচনা করে মওদুদ বলেন, আমরা আগেই বলেছি এই নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করতে হবে। খুলনা এবং গাজীপুরের নির্বাচনের মাধ্যমে এই কমিশনের মুখোশ উন্মোচন হয়ে গেছে। আমরা বারবার বলছি আগামী নির্বাচনে সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দিতে হবে। নির্বাচনের ৯০ দিন আগে সংসদ ভেঙে দিতে হবে এবং এই নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করতে হবে।

কোটা সংস্কার আন্দোলনের সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক দল জড়িত নেই- এমন দাবি করে মওদুদ বলেন, এটা একটা স্বতস্ফুর্ত সাধারণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলন। ১০০টা সরকারি চাকরির নিয়োগের মধ্যে ৫৬টি যদি কোটায় চলে যায় তাহলে থাকে কী? বাকি যে ৪৪ শতাংশ নিয়োগ পায় তার মধ্যে রাজনৈতিক প্রভাব খাটানো হয়। প্রধানমন্ত্রী ১১ এপ্রিল সংসদে দাঁড়িয়ে বলেছেন, কোটা পদ্ধতি বাতিল করা হবে। আমরা শুনে তার প্রশংসা করেছিলাম। কিন্তু ২৭ জুন তিনি আবার একই সংসদে দাড়িয়ে বললেন কোটা পদ্ধতি থাকবে। আমরা কিভাবে তার কথা বিশ্বাস করবো?

দলের চেয়ারপারসনের বিষয়ে তিনি বলেন, সম্পূর্ণ বানোয়াট মিথ্যা মামলার ওপর ভিত্তি করে খালেদা জিয়াকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আজকে ৫ মাস হয়ে গেছে তিনি জেলে। আপিল বিভাগ হাইকোর্টের দেয়া জামিন বহাল রেখেছে। তারপরও আমরা তাকে মুক্ত করতে পারছি না। দেশের উচ্চতম আদালতের আদেশকে অকার্যকর করতে নিম্ন আদালতের ম্যাজিস্ট্রেটকে ব্যবহার করা হচ্ছে। এই ম্যাজিস্ট্রেট নির্বাহী বিভাগের কাজ করছে। দেশের মানুষকে বোঝাতে হবে উচ্চতম আদালতের জামিন আদেশ কিভাবে ম্যাজিস্ট্রেট বিলম্ব করে। আজকে খালেদা জিয়ার ব্যপারে এরকম হলে সাধারণ মানুষের কী অবস্থা তাহলে চিন্তা করেন। কোথায় যাবে সাধারন মানুষ যদি আদালতে সুবিচার না পায়। আমরা চাই আইনি প্রক্রিয়ায় খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে নিয়ে আসতে। কিন্তু রাজপথ ছাড়া আর কোনো উপায় থাকবে না।

আয়োজক সংগঠনের চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং মহাসচিব আ স ম মোস্তফা কামালের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য দেন- বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মোহাম্মাদ রহমাতুল্লাহ, খালেদা ইয়াসমিন, কৃষক দলের সহ-দফতর সম্পাদক এস কে সাদী প্রমুখ।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: