রবিবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ২ পৌষ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
সিলেটে বিএনপি নেতাকর্মীদের মারধর ও ধরপাকড়ের অভিযোগ  » «   আটকে রেখে তিন সাংবাদিককে পেটালো বুয়েট ছাত্রলীগ  » «   সিরিয়ায় মসজিদ ধ্বংস করল মার্কিন জোট  » «   বাবার স্বপ্ন পূরণে বড় চাকরি ছেড়ে আপনাদের সেবায় এসেছি: রেজা কিবরিয়া  » «     » «   নির্বাচনে ‘সংঘাত’ একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায় না: সিইসি  » «   জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ২৫ সদস্যের সমন্বয়ক কমিটি  » «   আফগানিস্তানে মার্কিন বিমান হামলায় ১২ শিশুসহ নিহত ২০  » «   মহান বিজয় দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা  » «   চমক থাকছে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে  » «   দুই-তিন দিনের মধ্যে ইসিতে যাবে বিএনপি  » «   কাদের সিদ্দিকী রাজাকার, বদমাইশ : মির্জা আজম  » «   নির্বাচনের ৭ দিন আগে ব্যালট পৌঁছে যাবে: ইসি সচিব  » «   রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করতে চান ড. কামাল  » «   যুক্তরাষ্ট্র-অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড কানাডায় বোমা হামলার হুমকি  » «  

খালেদার উপস্থিতিতে প্রাণ পেল ফিরোজা!



12. firozaনিউজ ডেস্ক::
অনির্দিষ্টকালের অবরোধ ডেকে কার্যালয়ে অবস্থান করা বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া অবশেষে ৯২ দিন পর নিজের বাসা ‘ফিরোজা’য় ফিরেছেন। রোববার বকশীবাজারের অস্থায়ী আদালতে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় শুনানি শেষে বেলা ১১টা ৪৭ মিনিটে আদালত প্রাঙ্গণ ত্যাগ করেন। দুই মামলায় জামিন পেয়ে দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে খালেদা জিয়া তার গুলশানের বাসভবন ফিরোজায় প্রবেশ করেন।

খালেদা জিয়ার উপস্থিতিতে দীর্ঘদিন পর নীরবতা ভেঙে যেন জেগে উঠেছে গুলশান-২-এর ৭৯ নম্বর রোডের প্রথম এই বাড়িটি। গত ৩ জানুয়ারি কার্যালয়ে অবস্থান করা খালেদা জিয়ার শূন্যতায় যে বাড়িটি ছিল নিঃসঙ্গ, তার প্রত্যাবর্তনে প্রাণ ফিরে পেয়েছে ‘ফিরোজা’ নামের এই বাড়িটি।

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বর্ষপূর্তির দিন (৫ জানুয়ারি) ‘গণতন্ত্র হত্যা’ দিবসের কর্মসূচি ঘোষণার পর গত ৩ জানুয়ারি থেকে গুলশানের কার্যালয়ে গেলে সেখানে ‘অবরুদ্ধ’ হয়ে পড়েন খালেদা জিয়া। এদিন রাতে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অসুস্থ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীকে দেখার উদ্দেশ্যে বের হতে চাইলে পুলিশি বেষ্টনীতে বের হতে পারেননি তিনি। এর দুদিন পর গত ৫ জানুয়ারি কার্যালয় থেকে বের হতে চেয়ে দ্বিতীয় দফায় পুলিশি বাধার মুখে কার্যালয়ের ভেতর থেকেই সারা দেশে অনির্দিষ্টকালের অবরোধের ডাক দেন বিএনপির চেয়ারপারসন, যা এখনো চলছে।

বিএনপি নেত্রীর কার্যালয়ে অবস্থান করার কয়েক দিনের মাথায় ওই কার্যালয় থেকে পুলিশি ব্যারিকেড সরানো হলেও ‘আন্দোলনের স্বার্থে’ তিন মাস ধরে সেখানেই ছিলেন তিনি। এ জন্য গত ২৭ জানুয়ারি ছোট ছেলে আরাফাত রহমানের লাশ কার্যালয়ে এলে তাকে সেখান থেকেই বিদায় দেন বিএনপির প্রধান, কিন্তু কার্যালয় ছাড়েননি। এর ধারাবাহিকতায় বিশ্ব ইজতেমার মোনাজাতে অংশ নিতে তুরাগতীরে যাননি। এ ছাড়া একুশে ফেব্রুয়ারি ও স্বাধীনতা দিবসেও শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে শহীদ মিনার ও জাতীয় স্মৃতিসৌধে যাননি বিএনপির প্রধান।

দীর্ঘ সময় খালেদা জিয়া তার বাসা ছেড়ে রাজনৈতিক কার্যালয়ে অবস্থান করায় গত ১ মার্চ রাত সাড়ে ৯টার দিকে বাড়িটির নিরাপত্তায় দায়িত্বরত পুলিশ সরিয়ে নেওয়া হয়। খালেদা জিয়া বাসা থেকে বের হওয়ার পর বিএনপির প্রধানের কর্মচারী ছাড়া আর কেউ ওই বাসায় যাননি। তবে তার (খালেদা জিয়া) ছোট ভাইয়ের স্ত্রী কয়েক দফা বাসায় এসেছিলেন। এ ছাড়া বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমানের স্ত্রী ও মেয়েরা ওই বাড়িটিতে গিয়েছিলেন।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় হাজিরা দিতে রোববার সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে ঢাকার বিশেষ জজ আদালতের উদ্দেশে রওনা দেন খালেদা জিয়া। দৃশ্যত এর মাধ্যমে ৯২ দির পর কার্যালয়ের বাইরে এলেন তিনি। আদালত থেকে সরাসরি তিনি তার বাসায় যান।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: