বুধবার, ১৫ অগাস্ট ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৩১ শ্রাবণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
১৫ আগস্ট কেন ভারতের স্বাধীনতা দিবস?  » «   খালেদার জন্মদিনে ফখরুল‘প্রাণ বাজি রেখে লড়াই করতে হবে’  » «   রাজধানীতে নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে ২ শ্রমিকের মৃত্যু  » «   ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট  » «   ঢাকায় ইলিশের কেজি মাত্র ৪০০ টাকা!  » «   অস্ট্রেলিয়ান সিনেটে প্রথম মুসলিম নারী  » «   প্রধানমন্ত্রী নয়, ইসির নির্দেশনায় চলবে প্রশাসন : নাসিম  » «   সৌদি আরবে আরও ৫ বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু  » «   মৃত পুরুষকে বিয়ে করলেন নারী, এরপর…  » «   যা করবেন সন্তানকে বুদ্ধিমান ও চটপটে বানাতে  » «   নিউইয়র্কে লাঞ্ছিত ইমরান এইচ সরকার  » «   কুরবানির গোশত অন্য ধর্মাবলম্বীকে দেওয়া যাবে?  » «   শাহরুখের গাড়ি-বাড়ি ও ঘড়ির দাম এত?  » «   ভ্যান চালিয়ে প্রধানমন্ত্রীর নামে জমি, এরপর…  » «   মোবাইল ফোনে নতুন কলচার্জ নিয়ে যা বলছেন গ্রাহকরা  » «  

ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারে সতর্কতা



লাইফস্টাইল ডেস্ক :আর্থিক লেনদেনে ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। বড় ধরনের কেনাকাটায় সঙ্গে থাকা ক্রেডিট কার্ডটি বেশ কাজে আসে।

তবে অনেকের মধ্যে ক্রেডিট কার্ড নিয়ে একধরনের ভীতি কাজ করে। বুঝে যদি ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করা যায় তবে এটি হতে পারে আপনার বন্ধু। আর যদি না বুঝে ব্যবহার করেন তবে এটি হতে পারে আপনার বড় শত্রু।

জেনে নিন ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের কিছু টিপস-

ফেলে রাখবেন না:
ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার না করে দীর্ঘদিন ফেলে রাখবেন না। অনেকে বেশ কিছু টাকার বিল হওয়ার পর অতিরিক্ত ব্যবহার কমাতে কার্ড কোথাও লুকিয়ে রাখেন। তারপর ভুলে যান। প্রতি মাসে অল্প অল্প করে টাকা দিয়ে গেলেও এক সময় আপনার ক্রেডিট বেড়ে যাবে।

অটোমেটেড পেমেন্ট:
প্রতি মাসে সর্বনিম্ম পেমেন্ট করা বোকামো। কিন্তু অনেক সময়ই পে চেক বা বেতন পাওয়ার দিনের সঙ্গে ক্রেডিট কার্ডের বিল দেওয়ার তারিখ ম্যাচ করে না। তাই দেরি করে বিল দিয়ে বেশি টাকা বা পেনাল্টি ফি এড়াতে অনলাইনে অটোমেটেড মিনিমাম পেমেন্ট করে নিন। কার্ড দিয়ে রেজিস্টার করা থাকলে পেমেন্টের তারিখ মিস করবেন না।

পেমেন্টের তারিখ বদলান:
আপনি চাইলে ক্রেডিট কার্ড বিল দেওয়ার তারিখ বদলাতে পারেন। প্রতিষ্ঠানকে আপনার সমস্যার কথা জানিয়ে বিলের তারিখ বদলাতে পারেন।

ক্রেডিট সীমার অর্ধেকের নিচে থাকুন:
ক্রেডিট কার্ডের বিল সব সময় আপনার সর্বোচ্চ ক্রেডিট সীমার অর্ধেকেরও নিচে রাখার চেষ্টা করুন। বিল যত বেশি হবে, সুদের পরিমাণ তত বাড়তে থাকবে। যখনই দেখবেন অর্ধেক সীমা ছাড়াচ্ছে তখনই ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার বন্ধ রাখুন কিছু দিন। আগে সেই টাকা মিটিয়ে নিন, তারপর আবার ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করবেন।

পুরো টাকা দিন:
যদি আপনার কার্ডে ব্যালান্স থাকাকলীন কার্ড বন্ধ করে দিতে চান তা হলে পুরো টাকা মিটিয়ে দিন। এমনকি, বাকি সুদও। না হলে কার্ড বন্ধ করে দেওয়ার পরও আপনার কাছে সুদের জন্য বিল আসতে পারে। তাই কার্ড বন্ধ করার সময় আগে থেকেই কথা বলে টাকা মিটিয়ে দিন। আপনি যে কার্ড বন্ধ করেছেন সেই প্রমাণও রাখুন নিজের কাছে।

ফিক্সড ইন্টারেস্ট রেট কম রাখুন:
ফিক্সড ইন্টারেস্ট রেট মানে আপনার পেমেন্ট তারিখের ১৫ দিন আগে আপনাকে জানাতে হবে। কিন্তু যেহেতু আমরা বিল স্টেটমেন্ট ভাল করে পড়ি না তাই ইন্টারেস্ট রেট বেড়ে যাচ্ছে সেটা বুঝতে পারি না। সংস্থাকে ফোন করে কম ইন্টারেস্ট রেটের জন্য অনুরোধ করুন। যদি না মানতে চায় তাহলে পুরনো কার্ড ছেড়ে নতুন কার্ড নিন।

টাকা তুলবেন না:
স্টেটমেন্ট ভাল করে পড়ুন। তা হলেই বুঝতে পারবেন এটা কতটা ভুল। কোনও জিনিস কেনার জন্য সুদের হার কম হলেও টাকা তুললে ইন্টারেস্ট রেট তরতর করে বাড়তে থাকে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: