রবিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
ভাঙছে শরিক দল সঙ্কটে ঐক্যফ্রন্ট  » «   হলি আর্টিসান হামলা: রায় ২৭ নভেম্বর  » «   চাকা ফেটেছে নভোএয়ারের, ভাগ্যগুণে বেঁচে গেলেন ৩৩ যাত্রী  » «   হাত-পা ছাড়াই মুখে ভর করে লিখে পিইসি দিচ্ছে লিতুন  » «   প্রধানমন্ত্রীকে দেয়া বিএনপির চিঠিতে আবরার হত্যার বর্ণনা  » «   ১৫০ যাত্রী নিয়ে মাঝ আকাশে বিপাকে ভারতীয় বিমান, রক্ষা করল পাকিস্তান  » «   বিমান ছাড়াও ট্রেন, ট্রাক, বাসে করে আসছে পেঁয়াজ: সিলেটে পরিকল্পনামন্ত্রী  » «   চুক্তির তথ্য জানতে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিল বিএনপি  » «   বোলডোজার দিয়ে সিসিকের অভিযান, উচ্ছেদ শতাধিক স্থাপনা  » «   রাজধানীতে দরজা ভেঙে সিলেটের সাংবাদিক মনসুর আলীর মরদেহ উদ্ধার  » «   স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নির্মল, সম্পাদক বাবু  » «   চার দিনের সফরে আজ আমিরাত যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী  » «   শ্রীলঙ্কায় মুসলিম ভোটারদের বহনকারী বাসে বন্দুকধারীদের হামলা  » «   আজ পহেলা অগ্রহায়ণ: নানা আয়োজনে চলছে ‘নবান্ন উৎসব’  » «   মোরালেস সমর্থকদের ওপর পুলিশের এলোপাতাড়ি গুলি, নিহত ৫  » «  

ক্বীন ব্রীজের নিচে রবীন্দ্রনাথ, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তোলপাড়



নিউজ ডেস্ক:: সিলেটে রবীন্দ্র স্মরণোৎসবে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে সম্মান জানাতে নগরীর ক্বীন ব্রীজের নিচে অস্থায়ী প্রতিকৃতি নির্মাণ করা হয়। যেখানে বিশ্বকবিকে সবাই শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। কিন্তু ব্রীজের নিচে বরীন্দ্রনাথের প্রতিকৃতি নির্মাণ করায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা সমালোচনার জন্ম নিয়েছে। সিলেটের সংষ্কৃতিপ্রেমী ও রবীন্দ্রনাথ প্রেমীরা ব্রীজের নিচে অর্থাৎ হাজার হাজার মানুষের পায়ের নিচে রবীন্দ্রনাথের প্রতিকৃতিকে মেনে নিতে পারছেন না।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সিলেট সমাজকল্যাণ পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এম. শামীম আহমদ লিখেছেন, ‘ব্রিজের নিচে রবীন্দ্রনাথ, সিলেটে কি আর কোন জায়গা নেই, সংস্কৃতিকর্মীরা কোথায়? আচ্ছা আমি একটা জিনিস বুঝিনা, রবীন্দ্র স্মরণোৎসব নিয়ে সিলেটে এতো চুলকানি কেন?’

ওই স্ট্যাটাসের কমেন্টে সিলেটের একমাত্র ভাস্কর জালাল উদ্দিন সরকার লিখেছেন- ‘রবীন্দ্রনাথ এর মুরালে পতিতা, ভবঘুরে আর গাজাখোরগন অহর্নিশি দাড়িয়া প্ররাবকরনের মধ্যে দিয়ে সম্মান প্রদর্শন করতে থাকবে অনন্তকাল। এরই প্রক্রিয়া চলছে।’

এনাম আহমদ লিখেছেন- ‘বুঝ হবার পর থেকে দেকে আসছি ঐখানে পায়খানার খোলা টেংকি’।

শেখ মোর্শেদ স্ট্যাটাস দিয়েছেন- ‘উদযাপন পরিষদের গুণী মানুষজন ও সিলেটের গুণী সংষ্কৃতিকর্মীরা কোথায়? ব্রীজের নিচে অর্থাৎ হাজার হাজার মানুষের পায়ের নিচে রবীন্দ্রনাথ! এটা কোন ধরণের মাতলামি?’ ওই স্ট্যাটাসের কমেন্টে সিলেট জজ কোর্টের শিক্ষানবীস আইনজীবী সুদিপ রায় লিখেছেন- ‘পবিত্র সিলেটের মাটিতে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্য এই স্থান টুকু বরাদ্দ ছিল। তাই বিকৃত মস্তিষ্কের লোকজন এমন লোকদেখানো আয়োজন করেছেন।যাহা মন থেকে নয়।( প্রমানীত)’

সাংবাদিক রুহুল আমিন বাবুল লিখেছেন- ‘যে ক্বীন ব্রীজের নিচে ভাসমান পতিতা ও মাদকসেবীদের অবাধ বিচরণ সেই ব্রীজের নিচেই রবিন্দ্রনাথ ? সত্যি বাহ্ বাহ্ দিতে হয় উদযাপন পরিষদ নেতৃবৃন্দকে।’

বাংলা টিভির সিলেট প্রতিনিধি কাইয়ূম উল্লাস স্ট্যাটাস দিয়েছেন- ‘‘এখানে গাঁজা সেবন করিবার জন্য কি আমাকে স্থাপন করা হইয়াছে। তা-ও ক্বিন ব্রিজের চিপায়, আর কোনো উত্তম জায়গা হইলো না আমার ?’’।

এ নিয়ে সিলেটে বিতর্কের অবস্থান নিয়েছেন ক্বীন ব্রীজের নিচে নির্মাণ করা রবীন্দ্রনাথের প্রতিকৃতি।

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সিলেটের সভাপতি ফারুক মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন- সিলেটে তো আরো অনেক সুন্দর জায়গা রয়েছে। কিন্তু ব্রীজের নিচে ও জালালাবাদ পার্কের পাশে রবীন্দ্রনাথের প্রতিকৃতি মানায় না। তবে- কয়েকদিন পুলিশের নজরদারি রাখলে জায়গাটা পরিস্কার হয়ে যাবে। অপরাধীরা এখানে আসতে পারবে না।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: