শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ১ অগ্রাহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
এসএসসি ফরম পূরণে অতিরিক্ত ফি, নির্বিকার প্রশাসন  » «   স্টেশন মাস্টারের ভুলে ৮ বগি লাইনচ্যুত, উত্তরবঙ্গে রেল-সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন  » «   বিন লাদেনকে পাকিস্তানের হিরো বললেন পারভেজ মোশাররফ  » «   রোববার প্রাথমিক-ইবতেদায়ী সমাপনী শুরু, পরীক্ষার্থী কমেছে  » «   ধড়পাকড়ে স্বপ্ন এখন দুঃস্বপ্ন, ফিরলেন আরও ২১৫ কর্মী  » «   বাবরি মসজিদ ইস্যু: সিলেটে শুক্রবার বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দিয়েছে হেফাজতে ইসলাম  » «   খালেদা জিয়ার জামিন চেয়ে ১৪০১ পৃষ্ঠার আপিল আবেদন  » «   ব্রিটেনে বিতর্কিত টু চাইল্ড লিমিট আইন বাতিলের আবেদন  » «   পিকেএসএফ উন্নয়ন মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী  » «   মির্জা ফখরুলের বিরুদ্ধে মামলা করলেন বিএনপির ২ নেতা  » «   লন্ডন-আমেরিকার চাইতেও বাংলাদেশে পেঁয়াজের দাম বেশী  » «   পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আগুন  » «   ধাপে ধাপে জরিমানা নেবে ট্রাফিক পুলিশ  » «   আগামীকাল থেকে আলীয়া মাদ্রাসা মাঠে ওয়াজ মাহফিল শুরু  » «   ঘরের ছেলে ঘরে ফিরেছে: ইনাম চৌধুরী প্রসঙ্গে মিসবাহ সিরাজ  » «  

কোয়ান্টাম কম্পিউটার তৈরিতে গুগলের বড় সাফল্য



তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক:: কোয়ান্টাম কম্পিউটার, যার ক্ষমতা কল্পনাকেও হার মানায়। বাস্তবেই তার নাগাল পাওয়ার কথা স্বীকার করল গুগল। সেপ্টেম্বরেই ফাঁস হওয়া গবেষণাপত্রে প্রমাণ মিলেছিল, কোয়ান্টাম কম্পিউটার তৈরি করেছে গুগল। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটি তখন এই অবিশ্বাস্য ক্ষমতা অর্জনের বিষয়টি স্বীকার করেনি। অবশেষে বুধবার নেচার সাময়িকীতে গুগলের কোয়ান্টাম কম্পিউটার তৈরির গবেষণাপত্র প্রকাশ হয়েছে।

বলা হয়ে থাকে- কোয়ান্টাম কম্পিউটারের নাগাল যে বা যারা পাবে, তারাই প্রযুক্তি বিশ্বের নিয়ন্ত্রণ করবে। আর এই কম্পিউটার তৈরি করে ফেলেছে গুগল। কোয়ান্টাম সুপ্রিমেসি বা কোয়ান্টাম আধিপত্য অর্জন করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

নেচার সাময়িকীতে গুগলের বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, তাদের ৫৩-বিটের কোয়ান্টাম কম্পিউটারটির নাম হচ্ছে সিকেমোর। এর মাধ্যমে একটি বিশেষ গাণিতিক সমস্যার সমাধান মাত্র ২০০ সেকেন্ডে বা ৩ মিনিটের কম সময়ে করতে পেরেছেন। অথচ বর্তমানের সবচেয়ে শক্তিশালী সুপার কম্পিউটার দিয়ে ওই একই গাণিতিক সমস্যার পূর্ণ সমাধান করতে সময় লাগবে প্রায় ১০ হাজার বছর!

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রযুক্তি বিশ্বের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে প্রযুক্তির অনেকগুলো দরজা খুলে যাবে। নতুন নতুন ওষুধ আবিষ্কার, নতুন পদার্থ আবিষ্কার, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সব ক্ষেত্রেই বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে।

যদিও গুগলের সিকেমোর কোয়ান্টাম কম্পিউটারটি ব্যবহারিক প্রয়োগের উপযোগী করে তৈরি করা হয়নি, বরং কোয়ান্টাম কম্পিউটার কি ধরনের অসাধ্য সাধন করতে পারে তা দেখানোর জন্য তৈরি করা হয়েছে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: