মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ১৩ ফাল্গুন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
দিল্লির বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক সংঘর্ষে চার জন নিহত ও ৫০ জন আহত  » «   পুলিশের কব্জায় অটোরিকশা, মায়ের ক্যান্সার চিকিৎসায় শেষ সম্বলও বিক্রি  » «   ১০ লাখ শিক্ষার্থী পাবে ২৯২ কোটি টাকা  » «   ৩৪০০ টাকার পাসপোর্ট ফি ৫২০০ টাকা চেয়ে দুদকের হাতে ধরা  » «   কিশোরগঞ্জে ভাবিকে হত্যার দায়ে দেবরের মৃত্যুদণ্ড  » «   ক্ষমতাসীনরা দেশকে অন্ধকারের দিকে নিয়ে যাচ্ছে  » «   চট্টগ্রামে শিশু গৃহকর্মীর রহস্যজনক মৃত্যু  » «   মামলা তুলে না নেয়ায় স্ত্রীকে মেরেই ফেললেন স্বামী  » «   ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদে চাকরি, চার পুলিশ সদস্য কারাগারে  » «   করোনাভাইরাস : জাপানি প্রমোদতরীর আরও এক যাত্রীর মৃত্যু  » «   বঙ্গবন্ধু উপাধির ৫১ বছর  » «   ঢাকা-সিলেট ৬ লেনে এডিবির অর্থ ফেরত যাওয়ার শঙ্কা  » «   বাঈজী সরদারনি যুব মহিলালীগ নেত্রী পাপিয়ার উত্থান যেভাবে  » «   কী আছে পাপিয়ার ভিডিও ক্লিপে?  » «   ইতালিতে করোনায় আক্রান্ত ৭৯  » «  

কোথায় পালালেন বুয়েটের ভিসি?



নিউজ ডেস্ক:: আবরার ফাহাদ হত্যার পর থেকেই বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলামের খোঁজ মিলছে না। আবরার মৃত্যুর ৩০ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও তিনি এখনও ঘটনাস্থলেই আসেননি।তিনি আবরারের জানাযাতেও যোগ দেননি। এমনকি ফোনেও তাকে পাওয়া যাচ্ছে না। বিষয়টি নিয়ে আবরারের সহপাঠীসহ সাধারণ শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

গতকাল সোমবার থেকেই বুয়েটে বিক্ষোভ করছে শিক্ষার্থীরা। তাদের শান্ত করতে আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টার কিছু পরে ক্যাম্পাসে আসেন ছাত্রকল্যাণ পরিচালক (ডিএসডাব্লিউ) ড. মিজানুর রহমান। এ সময় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা তাকে ঘিরে ধরেন। ঘটনার জন্য তার ব্যর্থতা বিষয়ে প্রশ্ন করে তার পদত্যাগ দাবি করেন।

এসময় শিক্ষার্থীরা বুয়েটের ভিসির বিষয়ে জানতে চাইলে ড. মিজানুর বলেন, সেটা ভিসিকে বলতে পারেন – ভিসি আসবে কিনা এটা ওনার ব্যপার। তবে আমরা এখানে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করবো। এসময় শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে সবার সামনেই উপাচার্যকে ফোন করেন ড. মিজানুর। কিন্তু উপাচার্য ফোন না ধরে লাইন কেটে দেন। এরপর থেকে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

প্রসঙ্গত, গত রোববার (৬ অক্টোবর) দিবাগত মধ্যরাতে বুয়েটের সাধারণ ছাত্র ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আবরারকে শেরেবাংলা হলের দ্বিতীয় তলা থেকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। সোমবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পরবর্তীতে জানা যায়, ছাত্রলীগের নির্যাতনে মৃত্যু হয়েছে আবরারের। এ ঘটনায় ফুঁসে ওঠে বুয়েটের শিক্ষার্থীরা। গতকাল থেকেই তারা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: