রবিবার, ২৪ মার্চ ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ১০ চৈত্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
লাগামহীনভাবে বাড়ছে দ্রব্যমূল্য: রমজানপূর্ব মজুদদারিতে কারসাজি  » «   সন্ত্রাস ও হিংসা মোকাবেলায় একসঙ্গে কাজ করতে পাকিস্তানকে আহ্বান মোদির  » «   সংসদে লুকিয়ে চকলেট খেয়ে ক্ষমা চাইলেন ট্রুডো!  » «   নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীকে অন্যরকম সম্মান দেখালো আরব আমিরাত  » «   ‘ইসলাম গ্রহণ করবেন ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট’  » «   শাহজালাল বিমানবন্দরে ময়লার ঝুড়ি থেকে ১৬ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার  » «   ভারতে লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থীদের প্রথম তালিকা ঘোষণা করলো বিজেপি  » «   সিলেটে ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল সিলসিলার ম্যানেজারের  » «   নিজের চেয়ার ছেড়ে জহিরুলের পাশে এসে দাঁড়ালেন প্রধানমন্ত্রী  » «   সিলেটে নির্মাণ হতে যাচ্ছে স্মৃতিসৌধ,পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ডিও লেটার  » «   সুখী দেশের তালিকায় বাংলাদেশের ১০ ধাপ অবনতি  » «   জাফর ইকবালকে হত্যাচেষ্টা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু  » «   আইডিয়া’র ২৫ বছর পূর্তি উৎসবে র‍্যালি, আলোচনাসভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান  » «   উন্নয়ন করতে গিয়ে জীবন ও জীবিকার যেন ক্ষতি না হয় : প্রধানমন্ত্রী  » «   আজ দিন রাত সমান, আকাশে থাকবে সুপারমুন  » «  

কোটা সংস্কার আন্দোলন‘কারো চোখ বাঁধা হয়নি’ দাবি ডিবির



নিউজ ডেস্ক::কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্লাটফর্ম সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের তিন নেতাকে চোখ বেঁধে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

মঙ্গলবার (১৭ এপ্রিল) মিন্টু রোডে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলেন এ দাবি করেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) যুগ্মকমিশনার আব্দুল বাতেন। তিনি বলেন, ‘এটা ভুল বোঝাবুঝি।’

আব্দুল বাতেন বলেন, ‘এটা দু’পক্ষের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। কোটা সংস্কারের আন্দোলন নিয়ে আমাদের কোনও অবস্থান নেই। আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপচার্যের বাসায় হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলা তদন্ত করছি। এজন্য তথ্যের প্রয়োজনে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা নেওয়া হবে। তাদের ডিবি কার্যালয়ে ডাকা হবে। হামলাকারীদের চিহ্নিত করতে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা নেওয়া হবে।’

প্রসঙ্গত, সোমবার (১৬ এপ্রিল) কোটা সংস্কার আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির তিন যুগ্ম-আহ্বায়ককে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে থেকে তুলে নেয় গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। একটি কালো গ্লাসের মাইক্রোবাসে করে তাদের মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়।

তিন শিক্ষার্থী হলেন- কোটা সংস্কার আন্দোলনের যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ খান, নুরুল হক ও ফারুক হাসান। তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দীয় লাইব্রেরির সামনে সংবাদ সম্মেলন শেষে ফিরছিলেন।

তাদের ডিবি পুলিশ আটক করে বলে অভিযোগ করা হলে পরে ছেড়ে দেওয়া হয়। এই খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষার্থীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফের সংঘটিত হওয়ার চেষ্টা করেন এবং প্রতিবাদ জানান। বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা ফের সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তাদের মুক্তির দাবি করে। কঠোর আন্দোলনেরও ঘোষণা দেয়। এরপর ডিবি পুলিশ প্রায় দুইঘণ্টার মাথায় তাদের ছেড়ে দেয়।

ছাড়া পেয়ে তিন শিক্ষার্থী ঢাবি ক্যাম্পাসে গিয়ে ফের সংবাদ সম্মেলন করে ঘটনার বর্ণনা দেন। তারা জানান, ‘গাড়িতে উঠিয়ে তাদের মোবাইল ফোন নিয়ে নেওয়া হয়, তাদের চোখ বাঁধা হয়।’

এ বিষয়ে সাংবাদিকরা ডিবির কর্মকর্তা আব্দুল বাতেনকে প্রশ্ন করেন। তিনি তখন বিষয়টি পরিষ্কার করে বলেন, ‘এটা নিছকই ভুল বোঝাবুঝি। তাদের বিরুদ্ধে সরাসরি কোনও অভিযোগ নেই।’

তারা মামলা প্রত্যাহার চেয়েছে বলে আটক করা হয়েছিল কি না? এর জবাবে তিনি বলেন, ‘মামলা প্রত্যাহার চাওয়ার সঙ্গে তাদের ডিবিতে নিয়ে আসার সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই। তারা কি বক্তব্য দিলো, তার ব্যাখ্যা তারাই ভালো দিতে পারবেন।’

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: