শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৩ কার্তিক ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
দ্য হান্ড্রেডের ড্রাফটে আরও ৫ বাংলাদেশি ক্রিকেটার  » «   বাংলা একাডেমির সুপারিশে বদলে গেল বাংলা বর্ষপঞ্জি  » «   ওসমানীনগরে নামাজের সময় মাছ বিক্রি বন্ধ  » «   মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে হংকং ‘ডেমোক্রেসি অ্যাক্ট’ পাস  » «   গুগল ম্যাপে আবরারের নামে হল, খুনিদের নামে শৌচাগার  » «   গণশপথ নিয়ে আন্দোলনের ইতি টানলেন বুয়েট শিক্ষার্থীরা  » «   দক্ষিণ আফ্রিকায় মসজিদে যাওয়ার পথে গুলিতে বাংলাদেশির মৃত্যু  » «   তুরস্কের বিরুদ্ধে লড়তে কুর্দিদের ‘প্রশিক্ষণ দিয়েছিল’ যুক্তরাষ্ট্র  » «   অপরাধ প্রতিরোধে সাংবাদিকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন: পুলিশ সুপার  » «   আবরার হত্যা: ২০ জনকে আসামি করে চার্জশিট হচ্ছে  » «   কানাইঘাটে ১১টি ভারতীয় গরু আটক  » «   জাবির গণরুম: ম্যানার শেখানোর নামে নবীন শিক্ষার্থী নির্যাতন  » «   কতগুলো বাটপার আছে যারা জাতীয় নেতা: ভিপি নুর  » «   ১৫ দিনে পাসপোর্ট না হলে কারণ জানিয়ে দিতে হবে আবেদনকারীকে  » «   ভারতে পালানোর সময় আবরার হত্যার আসামি সাদাত গ্রেফতার  » «  

কেমন হবে এবার কাশ্মিরীদের ঈদ?



আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: উৎকণ্ঠা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে ভারত-অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মিরে চলছে ঈদ প্রস্তুতি। ঈদ উপলক্ষে অঞ্চলটির কিছু জায়গায় ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হলেও এখনো অপ্রতুল মোবাইল, ল্যান্ডফোন ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক। বন্ধ রয়েছে শহরগুলোতে অধিকাংশ বিপণিবিতান। ব্যারিকেড দেওয়া আছে সড়কপথে। রোববার (১১ আগস্ট) ইন্ডিয়া টুডের খবরে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

এদিকে ভারতীয় আর্মি এক বিবৃতিতে বলেছে, কাশ্মিরের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ। অধিবাসীদের সাহায্য করা হচ্ছে যেন তারা ঈদ উদযাপন করতে পারে। দোকানপাট খোলা রয়েছে। স্থানীয়রা কার ও বাসে যাতায়াত করছেন। এটিএম বুথ, হাসপাতালসহ জরুরি সেবা সহায়তা সবার জন্য উন্মুক্ত রয়েছে। এছাড়া খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে।

জম্মু ও কাশ্মিরের পুলিশ কর্মকর্তা দিলবাগ সিং জানান, মাত্র ৫টি শহরে আইনি বিধিনিষেধ বজায় রয়েছে। ধীরে ধীরে তাও তুলে নেয়া হবে।

ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাডভাইজর অজিত দোভাল শনিবার ঈদ উপলক্ষে কাশ্মিরের কিছু পশুর হাট পরিদর্শন করেছেন। অ্যানাটাং-এর সেসব হাটে কিছু ক্রেতা দেখা গেছে। তবে যেকোনো ধরনের অস্থিরতার আশঙ্কায় নিরাপত্তা বাহিনী কঠোর নজরদারি অব্যাহত রেখেছে।

শুক্রবার (৯ আগস্ট) কাশ্মিরে জুমআর নামাজের পর গণজমায়েতের কথা অস্বীকার করেছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। এছাড়া লাঠিচার্জ ও টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপের কথা অস্বীকার করা হয়েছে। বিবিসিসহ বিভিন্ন গণমাধ্যম এ নিয়ে খবর ছাপিয়েছিল।

এদিকে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যেসব মিডিয়া কাশ্মির নিয়ে অসত্য ও ভিত্তিহীন খবর ছাপাবে তাদের আইনি নোটিশ পাঠানোর কথা চিন্তা করা হচ্ছে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: