বুধবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
লন্ডনে দ্বিতীয় জনপ্রিয় ভাষা বাংলা  » «   ঘুষের টাকাসহ হাতেনাতে সাব-রেজিস্ট্রার আটক  » «   আর কোনো হায়েনার দল বাংলার বুকে চেপে বসতে পারবে না  » «   সিলেটে মুক্তিযুদ্ধের পাণ্ডুলিপি সংগ্রহ করলেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী  » «   ফের জাতীয় পার্টির ঢাকা জেলা শাখার সভাপতি সালমা ইসলাম এমপি  » «   বিয়ানীবাজারে ৯৯০ পিস ইয়াবাসহ পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী আটক  » «   আয়কর দিবস উপলক্ষে সিলেটে বর্ণাঢ্য র‌্যালি  » «   এবার শ্রীমঙ্গলে ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন  » «   বেলজিয়ামে মসজিদে তালা দেওয়ায় বাংলাদেশিদের প্রতিবাদ  » «   পায়রা উড়িয়ে জাতীয় পার্টির ঢাকা জেলা শাখার সম্মেলন উদ্বোধন  » «   ভারতের অর্থনীতির দুরবস্থা, জিডিপি কমে সাড়ে ৪ শতাংশ  » «   পায়রা উড়িয়ে সম্মেলন উদ্বোধন করলেন শেখ হাসিনা  » «   লন্ডন ব্রিজে আবারও সন্ত্রাসী হামলা, নিহত ২  » «   চীন থেকে মা-বাবার জন্য পেঁয়াজ নিয়ে এলেন মেয়ে  » «   রক্তে ভাসছে ইরাক, নিহত ৮২  » «  

কেমন হবে এবার কাশ্মিরীদের ঈদ?



আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: উৎকণ্ঠা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে ভারত-অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মিরে চলছে ঈদ প্রস্তুতি। ঈদ উপলক্ষে অঞ্চলটির কিছু জায়গায় ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হলেও এখনো অপ্রতুল মোবাইল, ল্যান্ডফোন ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক। বন্ধ রয়েছে শহরগুলোতে অধিকাংশ বিপণিবিতান। ব্যারিকেড দেওয়া আছে সড়কপথে। রোববার (১১ আগস্ট) ইন্ডিয়া টুডের খবরে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

এদিকে ভারতীয় আর্মি এক বিবৃতিতে বলেছে, কাশ্মিরের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ। অধিবাসীদের সাহায্য করা হচ্ছে যেন তারা ঈদ উদযাপন করতে পারে। দোকানপাট খোলা রয়েছে। স্থানীয়রা কার ও বাসে যাতায়াত করছেন। এটিএম বুথ, হাসপাতালসহ জরুরি সেবা সহায়তা সবার জন্য উন্মুক্ত রয়েছে। এছাড়া খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে।

জম্মু ও কাশ্মিরের পুলিশ কর্মকর্তা দিলবাগ সিং জানান, মাত্র ৫টি শহরে আইনি বিধিনিষেধ বজায় রয়েছে। ধীরে ধীরে তাও তুলে নেয়া হবে।

ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাডভাইজর অজিত দোভাল শনিবার ঈদ উপলক্ষে কাশ্মিরের কিছু পশুর হাট পরিদর্শন করেছেন। অ্যানাটাং-এর সেসব হাটে কিছু ক্রেতা দেখা গেছে। তবে যেকোনো ধরনের অস্থিরতার আশঙ্কায় নিরাপত্তা বাহিনী কঠোর নজরদারি অব্যাহত রেখেছে।

শুক্রবার (৯ আগস্ট) কাশ্মিরে জুমআর নামাজের পর গণজমায়েতের কথা অস্বীকার করেছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। এছাড়া লাঠিচার্জ ও টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপের কথা অস্বীকার করা হয়েছে। বিবিসিসহ বিভিন্ন গণমাধ্যম এ নিয়ে খবর ছাপিয়েছিল।

এদিকে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যেসব মিডিয়া কাশ্মির নিয়ে অসত্য ও ভিত্তিহীন খবর ছাপাবে তাদের আইনি নোটিশ পাঠানোর কথা চিন্তা করা হচ্ছে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: