রবিবার, ২১ জুলাই ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৬ শ্রাবণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
ঈদের আগেই খালেদা জিয়ার মুক্তি!  » «   গভীর রাতে এমপি শম্ভুর অফিসে মিন্নির আইনজীবী!  » «   চরমভাবে অবহেলিত প্রাথমিক শিক্ষা ও শিক্ষকরা  » «   এমপিও শিক্ষকদের বেতন দিচ্ছে না ব্যাংক!  » «   ইসরাইলের মরুভূমিতে ১২০০ বছরের পুরোনো মসজিদের খোঁজ  » «   জনসমাগম দেখলেই আতঙ্কে ভোগে আ’লীগ সরকার: ফখরুল  » «   ছেলেধরা সন্দেহে গণপিটুনিতে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জে নিহত ২  » «   দুর্নীতি শব্দটি কীভাবে আসলো আই হ্যাভ নো আইডিয়া: ইকবাল মাহমুদ  » «   সেই প্রিয়া সাহাকে নিয়ে মিললো চাঞ্চল্যকর তথ্য  » «   লবণ সংকটে কোরবানির চামড়া নিয়ে উদ্বেগ  » «   দেশদ্রোহী হিসেবে প্রিয়ার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে: সেতুমন্ত্রী  » «   মিন্নিকে আইনি সহায়তা দিতে ঢাকা থেকে ৪০ আইনজীবী যাচ্ছেন বরগুনায়!  » «   আলো-পানি ছাড়াই রাত কাটল আটক প্রিয়াঙ্কার  » «   মক্কা-মদিনায় ফ্রি ইন্টারনেট ও সিম পাচ্ছেন হাজিরা!  » «   পানিতে সাপের কামড়ে মৃত্যু ,পানিতেই জানাজা-দাফন  » «  

কৃষকের ছেলে মুরসি যেভাবে হন মিসরের প্রেসিডেন্ট



আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: উত্তর মিসরের আল-আদওয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছেন দেশটির গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রথম প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসি। তার বাবা ছিলেন একজন দরিদ্র কৃষক। শৈশবে গাধার পিঠে করে স্কুলে যেতেন তিনি। ১৯৭৫ সালে কায়রো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকৌশলবিদ্যায় তিনি স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। আর ১৯৭৮ সালে তিনি ধাতুবিজ্ঞানে এমএ পাশ করেন।-খবর গার্ডিয়ান অনলাইনের

সে বছর ১৭ বছর বয়সী চাচাতো বোন নাগলা মাহমুদকে বিয়ে করেন তিনি। পরবর্তী সময়ে একটি সাময়িকীতে দেয়া সাক্ষাতকারে নাগলা বলেন, ঘরের টুকিটাকি কাজ ও রান্নাবান্নায় তাকে সহায়তা করতেন মুরসি। তিনি বলেন, মুরসির সবকিছুকে তিনি ভালোবাসেন। আমাদের ঝগড়া কয়েক মিনিটের বেশি স্থায়ী হতো না।

মিসরের একটি টেলিভিশনকে চ্যানেলকে মুরসি বলেন, নাগলাকে বিয়ে ছিল তার জীবনের সবচেয়ে বড় সাফল্য। ১৯৭৯ সালে তিনি মুসলিম ব্রাদারহুডে যোগ দেন। বেশ কয়েকটি বছর মুরসি যুক্তরাষ্ট্রে ছিলেন। ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে তিনি পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

১৯৮২ সাল থেকে মিসরের ফেরার আগ পর্যন্ত ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ছিলেন তিনি। ১৯৮৫ সালে মিসরে ফিরে আসেন কোরআনে হাফেজ মুরসি। জ্যাগাজিগা বিশ্ববিদ্যালয়ের ধাতু প্রকৌশল বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এই শিক্ষাবিদ। ২০১০ সাল পর্যন্ত সেখানের অধ্যাপক ছিলেন তিনি।

২০০০ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত মিসরের পার্লামেন্ট সদস্য ছিলেন মোহাম্মদ মুরসি। ব্রাদারহুডের অধীনে প্রার্থী হওয়া নিষিদ্ধ হওয়ায় তিনি স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচনে করেছিলেন। ২০১১ সালের বিপ্লবের পর ব্রাদ্রারহুডের রাজনৈতিক শাখা ফ্রিডাম অ্যান্ড জাস্টিস পার্টি প্রতিষ্ঠা করা হয়। মুরসি এই সংগঠনের প্রথম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে ২০১২ সালে মুরসির মিসরের প্রথম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। দায়িত্ব পালনের এক বছরের মাথায় সামরিক অভ্যুত্থানে তিনি ক্ষমতা হারান। ২০১৬ সালে তাকে কায়রোর কুখ্যাত তোরা কারাগারে স্থানাস্তর করা হয়েছে। প্রায় ছয় বছর নির্জন কারাবাসে ছিলেন তিনি। সোমবার আদালতে বিচার শুনানির ফাঁকে কারাকক্ষের খাঁচার চত্বরে পড়ে যান মুরসি। পরে হাসপাতালে নেয়া হলে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: