শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ১১ ফাল্গুন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
সীতাকুণ্ডে শিপ ইয়ার্ডে আগুনে নিহত ১  » «   জাতীয় নির্বাচনে ‌বিএনপির অংশগ্রহণ করতে হবে  » «   খালেদার অর্থদণ্ড স্থগিত, নথি তলব  » «   মাশরাফির মেয়ে কোরআনের ছাত্রী!  » «   কুপ্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, নারীর ফ্ল্যাটে সচিবের কাণ্ড  » «   যেভাবে ব্যবসায়ী-শিল্পপতিদের ফাঁদে ফেলতো সুন্দরী জেরিন  » «   খালেদাকে গ্রেফতার দেখাতে দুদকের আবেদন  » «   হবিগঞ্জে পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধ, ছুরিকাঘাতে যুবক খুন  » «   যে কারণে ছাত্রলীগ সভাপতির আত্মহত্যার চেষ্টা  » «   জাহান্নামের আগুনে বসিয়া হাসি পুষ্পের হাসি: হাসিনা  » «   যেভাবে মশার কামড় থেকে বাঁচবেন  » «   ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হবে  » «   খালেদা জিয়া জামিন পেতে পারেন: হাইকোর্ট  » «   স্কুলে শিক্ষকদের অস্ত্র দেয়ার পক্ষে ট্রাম্প  » «   চাচী-বাবাকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেললেন সন্তান! অতঃপর…  » «  

কৃমি থেকে সাবধান, জেনে নিন ওষধ খাওয়ার নিয়ম



লাইফস্টাইল ডেস্ক::দুই বছরের পর থেকে সবার জন্য কৃমির ওষুধের ডোজ একই অর্থাৎ আপনি যে পরিমাণ ওষুধ খাবেন আপনার আড়াই বছরের শিশুও একই পরিমাণ ওষুধ খাবে। তাই এ নিয়ে বিভ্রান্ত হবেন না।

বাড়ির সবার একসঙ্গে কৃমির ওষুধ খাওয়া উচিত, এতে ক্রিমি থেকে সহজে রক্ষা পাওয়া যায়। সুস্থ মানুষ বা শিশুরা যদি চার থেকে পাঁচ মাস পর পর কৃমির ওষুধ খায় তবে কোনো ক্ষতি হয় না। আজকাল দুই বছরের কম বয়সের শিশুদেরও কৃমির ওষুধ খাওয়ানো যায়, তবে তার আগে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

শিশু সুতাকৃমি বাদে অন্য কৃমিতে আক্রান্ত হলে মেবেনডাজল ১০০ মিলিগ্রামের একটি বড়ি ১২ ঘণ্টা পরপর তিন দিন বা অ্যালবেনডাজল ৪০০ মিলিগ্রাম একটা বড়ি বা পিপেরাজিন ৪ গ্রাম একটি বড়ি খাওয়াতে হবে।

সুতাকৃমি হলে মেবেনডাজল ১০০ মিলিগ্রাম বা অ্যালবেনডাজল ৪০ মিলিগ্রাম বা পিপেরাজিন ৪ গ্রাম একটি বড়ি খাওয়াতে হবে। এর দুই সপ্তাহ পর আরও একটি বড়ি খাওয়াতে হবে।

ক্রিমির ওষুধের জন্য শীত বা গ্রীষ্ম কোনো ব্যাপার নয়। যে কোনো সময়ই খাওয়ানো যায়, এতে শিশুর কোনো ক্ষতি হয় না। জেনে রাখা ভালো, বিভিন্ন জাতের কৃমি শিশুদের শরীরে নানা বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: