রবিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭ খ্রীষ্টাব্দ | ৯ আশ্বিন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে শিক্ষককে হত্যার হুমকি  » «   স্কুলের ঘন্টা বাজালেন রুহানি!  » «   উল্টো পথে প্রতিমন্ত্রীর গাড়ি: অর্ধশত যানবাহনকে জরিমানা  » «   বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা  » «   সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ: চেয়ারম্যানসহ আসামি ৭  » «   ‘আলোচনার মাধ্যমে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধান সম্ভব’  » «   রোহিঙ্গাদের গণধর্ষণের প্রমাণ পেয়েছে জাতিসংঘ  » «   অবশেষে রিয়ালের স্বস্তির জয়  » «   সিরিজ বাঁচিয়ে রাখতে চায় অস্ট্রেলিয়া  » «   বালাগঞ্জে গ্রাম আদালত বিষয়ক প্রশিক্ষন সম্পন্ন  » «   তখনও প্রসবকালীন রক্ত ঝরছে তার শরীর থেকে  » «   টাঙ্গাইলে চলছে ভোটগ্রহণ  » «   কিশোরী স্কুলছাত্রীদের যৌনদাসী বানিয়ে রাখেন কিম!  » «   বুদ্ধি কমিয়ে দিচ্ছে যে খাবার  » «   আইফোনের তুলনায় পাঁচ গুণ সস্তা টাইগাফোন  » «  

কৃমি থেকে সাবধান, জেনে নিন ওষধ খাওয়ার নিয়ম



লাইফস্টাইল ডেস্ক::দুই বছরের পর থেকে সবার জন্য কৃমির ওষুধের ডোজ একই অর্থাৎ আপনি যে পরিমাণ ওষুধ খাবেন আপনার আড়াই বছরের শিশুও একই পরিমাণ ওষুধ খাবে। তাই এ নিয়ে বিভ্রান্ত হবেন না।

বাড়ির সবার একসঙ্গে কৃমির ওষুধ খাওয়া উচিত, এতে ক্রিমি থেকে সহজে রক্ষা পাওয়া যায়। সুস্থ মানুষ বা শিশুরা যদি চার থেকে পাঁচ মাস পর পর কৃমির ওষুধ খায় তবে কোনো ক্ষতি হয় না। আজকাল দুই বছরের কম বয়সের শিশুদেরও কৃমির ওষুধ খাওয়ানো যায়, তবে তার আগে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

শিশু সুতাকৃমি বাদে অন্য কৃমিতে আক্রান্ত হলে মেবেনডাজল ১০০ মিলিগ্রামের একটি বড়ি ১২ ঘণ্টা পরপর তিন দিন বা অ্যালবেনডাজল ৪০০ মিলিগ্রাম একটা বড়ি বা পিপেরাজিন ৪ গ্রাম একটি বড়ি খাওয়াতে হবে।

সুতাকৃমি হলে মেবেনডাজল ১০০ মিলিগ্রাম বা অ্যালবেনডাজল ৪০ মিলিগ্রাম বা পিপেরাজিন ৪ গ্রাম একটি বড়ি খাওয়াতে হবে। এর দুই সপ্তাহ পর আরও একটি বড়ি খাওয়াতে হবে।

ক্রিমির ওষুধের জন্য শীত বা গ্রীষ্ম কোনো ব্যাপার নয়। যে কোনো সময়ই খাওয়ানো যায়, এতে শিশুর কোনো ক্ষতি হয় না। জেনে রাখা ভালো, বিভিন্ন জাতের কৃমি শিশুদের শরীরে নানা বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: