মঙ্গলবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
ইসি প্রশ্নবিদ্ধ ভোট করতে চায় না: সিইসি  » «   বিয়ানীবাজারে ‘পুলিশ প্রহরায়’ নাহিদের প্রচারণা!  » «   হবিগঞ্জে ধানের শীষ পেলেন রেজা কিবরিয়া  » «   কাতারে কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম সিলেটের সাইয়্যেদ  » «   প্রিয়ডটকম-বিএনপিনিউজ২৪-সিএনএনবিডি২৪ সহ ৫৮ নিউজ পোর্টাল বন্ধের নির্দেশ  » «   আজ থেকে শুরু জাতীয় ভ্যাট দিবস ও ভ্যাট সপ্তাহ  » «   নিজেকে ট্রাম্পকন্যা দাবি এক পাকিস্তানি তরুণীর!  » «   প্রতীক বরাদ্দ আজ, শঙ্কা নিয়ে শুরু হচ্ছে ভোটযুদ্ধ  » «   আজ খালেদা জিয়ার ভাগ্য নির্ধারণ  » «   নৌকা প্রতীকে লড়বেন জাতীয় পার্টির যে ২৯ প্রার্থী  » «   জাপা পেলো ৩০ আসন, উন্মুক্ত ১৩২  » «   মেয়র পদে থেকেই সংসদ নির্বাচন করা যাবে: হাইকোর্ট  » «   সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে দুর্নীতি প্রবেশ করছে: প্রধান বিচারপতি  » «   প্রার্থিতা ফিরে পেতে হাইকোর্টে হিরো আলম  » «   যেসব আসনে ধানের শীষের প্রার্থী পরিবর্তন  » «  

কুয়েত প্রবাসীদের জন্য দুঃসংবাদ



প্রবাস ডেস্ক::প্রবাসীরা যে টাকা আয় করে থাকেন তা দেশে পাঠাতে গেলে ট্যাক্স দিতে হবে- এমন একটি আইন করতে যাচ্ছে কুয়েত। বিষয়টি নিয়ে এরই মধ্যে বিতর্ক উঠেছে- এটা আসলে কতটা যৌক্তিক তা নিয়ে।

আর্থিক বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান কুয়েত ফিন্যান্সিয়াল সেন্টারের একটি সহযোগী গবেষণা সংস্থা বলছে, রেমিট্যান্স ট্যাক্স নিয়ে কুয়েত সরকার যে বিল অনুমোদন করতে যাচ্ছে তা নিয়ে বিতর্ক উঠেছে। এমনকি এটা বাস্তবায়ন হবে কিনা তাও ভেবে দেখা হচ্ছে।

অবশ্য এরই মধ্যে এই বিল কুয়েতের সংসদীয় কমিটি অনুমোদন দিয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে, প্রবাসীদের আয়ের উপর ভিত্তি করেই এই ট্যাক্স নির্ধারণ করা হবে। সে অনুযায়ী, ৯৯ কুয়েতি দিনারে ১ শতাংশ এবং ৫০০ কুয়েতি দিনারে ৫ শতাংশ হারে ট্যাক্স দিতে হবে প্রবাসীদের। এই ট্যাক্স আরোপিত হলে সেখানে থাকা বাংলাদেশিদেরও টাকা পাঠাতে ওই দেশের সরকারকে অতিরিক্ত ট্যাক্স গুণতে হবে।

১৯৭৬ সাল থেকে বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নিয়োগ দেয়া শুরু করে কুয়েত। যা চালু ছিল ২০০৭ সাল পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যে প্রায় চার লাখ ৮০ হাজার শ্রমিককে নিয়োগ দেয়া হয়। পরে আরও প্রায় ৮০ হাজার বাংলাদেশিকে নিয়োগ দেয়া হয়। সম্প্রতি কুয়েত বাংলাদেশ থেকে খাদেম ভিসায় শ্রমিক নেয়া নিষিদ্ধ করে। তবে অন্য সব ধরনের ভিসায় লোক নেয়ার সুযোগ আগের মতই বহাল আছে।

রয়টার্স বলছে, ফিন্যান্সিয়াল কমিটি এই ট্যাক্স আরোপ অনুমোদন দিলেও আইন প্রণেতারা বিরোধীতা করছেন। যদি এই খসড়া বিল অনুমোদিত হয়, তবে এটি সরকারের কাছে পাঠানো হবে। এরপর মন্ত্রিপরিষদের কাছে গৃহীত হলে তা আইন আকারে কার্যকর হবে। তখন কুয়েত হবে উপসাগরীয় ৬ দেশের মধ্যে রেমিট্যান্সের ওপর ট্যাক্স আরোপ করা প্রথম দেশ।

রেমিট্যান্সের ওপর ট্যাক্স আরোপ নিয়ে যখন আলোচনা হচ্ছে, তখন কারা এই ট্যাক্স দেবে তা এখনও শনাক্ত হয়নি। এছাড়া রেমিট্যান্স বলতে আসলে কী বোঝানো হচ্ছে- সেটাও ঠিক হয়নি। এর মধ্যে আয় বা ব্যাংক থেকে নেয়া ঋণ অন্তর্ভূক্ত হবে কিনা তাও স্পষ্ট নয়।

সমালোচকরা আশঙ্কা করে বলছেন, এই ট্যাক্স চালু করা হলে তাতে কুয়েতকে অন্যভাবে মাশুল গুণতে হবে। প্রবাসীরা তখন অবৈধ চ্যানেলে অর্থ দেশে পাঠাবে; যা হিসেবের মধ্যে আসবে না। অর্থাৎ ট্যাক্স চালু প্রবাসীদের অবৈধভাবে টাকা পাঠাতে উস্কে দেবে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: