মঙ্গলবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৩ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
বুধবার সিলেটে সংস্কারকৃত শিশু আদালতের উদ্বোধন  » «   আজ হবিগঞ্জের লাখাই কৃষ্ণপুর গণহত্যা দিবস  » «   বুধবার মৌলভীবাজারে অর্ধদিবস হরতালের ডাক, প্রতিহতের ঘোষণা আ. লীগের  » «   গোলাপগঞ্জ পৌরসভা মেয়র উপ-নির্বাচন: প্রতীক বরাদ্দ আজ  » «   কারগারে মালির কাজ করছেন রাগীব আলী, ডিভিশনের আবেদন  » «   ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় ১০ অক্টোবর  » «   কোটা ইস্যুতে আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের পাল্টাপাল্টি মিছিল  » «   আশুরা উপলক্ষে সুনির্দিষ্ট হুমকি নেই: ডিএমপি কমিশনার  » «   একনেকে অনুমোদন পেলো ইভিএম কেনা প্রকল্প  » «   জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে রিট  » «   ৫৬৮ কেজির লাড্ডু দিয়ে পালিত হল মোদির জন্মদিন  » «   দেশের সব নাগরিককে অধিকার রক্ষায় সক্রিয় হতে হবে-ড. কামাল  » «   ঐতিহাসিক পিয়ংইয়ং সফরে সস্ত্রীক প্রেসিডেন্ট মুন  » «   ২০১৭-১৮ অর্থবছরে জিডিপির প্রবৃদ্ধি ৭.৮৬%  » «   মাদরাসা শিক্ষকের স্ত্রী ও ছাত্রকে গলাকেটে হত্যা  » «  

কুমিল্লায় মেয়েদের তুলনায় এগিয়ে ছেলেরা



নিউজ ডেস্ক::জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষায় কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬২.৮৩ শতাংশ। এবার জিপিএ-৫ও কমেছে। এই বোর্ডে এবার জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৮ হাজার ৮৭৫ জন। যা গত চার বছরের তুলনায় অনেক কম। এবার পাশের হারের দিক থেকে ছেলেরা এগিয়ে রয়েছে। ৬৪ দশমিক ৮৬ শতাংশ ছেলে ও ৬১ দশমিক ৩৯ শতাংশ মেয়ে পাশ করেছে। গতকাল দুপুরে কুমিল্লা বোর্ডের উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. বাহাদুর হোসেন এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, এ বছর দুই লাখ ৬১ হাজার ৭৫৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। পাশ করেছে এক লক্ষ ৬৪ হাজার ৪৫৬ জন। এ বছর পাশ ও জিপিএ ৫ দুটোই কমেছে। শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, এ বছর এ বোর্ডে জেএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন ২ লাখ ৬১ হাজার ৭৫৩ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে পাস করা ১ লাখ ৬৪ হাজার ৪৫৬ জনের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছেন মাত্র ৮ হাজার ৮৭৫ জন।

এর আগে এই বোর্ডে ২০১৬ সালে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১৯ হাজার ১৮৬ জন, ২০১৫ সালে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২০ হাজার ৭৪৭ জন, ২০১৪ সালে জিপিএ- ৫ পেয়েছেন ১৭ হাজার ২৬৪ জন এবং ২০১৩ সালে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১৬ হাজার ৯৫ জন। এ ছাড়াও এবার কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ছয়টি জেলায় জেএসসি পরীক্ষার ফলাফলেও ভরাডুবি হয়েছে। এ বোর্ডে জেএসসি পরীক্ষায় এবার পাসের হার মাত্র ৬২ দশমিক ৮৩ শতাংশ।

কুমিল্লা বোর্ডের উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. বাহাদুর হোসেন বিডি২৪লাইভকে জানান, ইংরেজি ও গণিতে ফলাফল খারাপ করায় কুমিল্লা বোর্ডে ফলাফল বিপর্যয় হয়েছে। শহর পর্যায়ের স্কুলগুলোর ফলাফল ভালো হলেও উপজেলা পর্যায়ে স্কুলগুলো বেশি খারাপ করেছে।

“ইংরেজিতে ফেল করেছে ৭৬ হাজার ৬৮১ জন, অর্থাৎ ৭০ দশমিক ৭০ শতাংশ। গণিতে ফেল করেছে ৪৫ হাজার ৯১৫ জন, অর্থাৎ ৮২ দশমিক ৪৬ শতাংশ।” উপজেলা পর্যায়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ইংরেজি ও গণিতে শিক্ষক স্বল্পতার কথা উল্লেখ করেন এই কর্মকর্তা। তিনি জানান, কুমিল্লার ৬১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শতভাগ পাশ করেছে। অপরদিকে কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার জগতপুর হাই স্কুলে কেউ পাশ করেনি।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে পাশের হার ছিল ৮৯ দশমিক ৬৮ শতাংশ, ২০১৫ সালে পাশের হার ছিল ৯২ দশমিক ৫১ শতাংশ, ২০১৪ সালে পাশের হার ছিল ৯৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ এবং ২০১৩ সালে পাশের হার ছিল ৯০ দশমিক ৪৫ শতাংশ।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: