সোমবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৮ আশ্বিন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
জি কে শামীম ও খালেদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ  » «   ‘মোদি হলেন সন্ত্রাসী,’ হাউসটনে বিক্ষোভে শিখ-কাশ্মীরিরা (ভিডিও)  » «   সাপের ছোবল থেকে রক্ষা পেতে চা বাগানে স্বর্পভাস্কর্য  » «   মাছ উৎপাদনে বিশ্বে অষ্টম বাংলাদেশ  » «   কোরআনের উদ্ধৃতি দিয়ে চমকে দিলেন পুতিন  » «   নবীগঞ্জে ভুয়া সাংবাদিক মনি গ্রেপ্তার  » «   ফতুল্লার ‘জঙ্গি আস্তানায়’ অভিযান শুরু  » «   সৌদিতে শূলে চড়িয়ে শিরশ্ছেদ করে ১৩৪ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর  » «   কৃষিতে স্বাবলম্বী কামালবাজারের অনেক কৃষক  » «   মোহামেডানসহ মতিঝিলে চার ক্লাবে অভিযান  » «   তাহিরপুরে ১০টি গাঁজার বালিশ উদ্ধার  » «   ফ্রান্সে মসজিদে গাড়ি হামলা  » «   সদলবলে মধুর ক্যান্টিনে ছাত্রদলের নবনির্বাচিত সভাপতি-সম্পাদক  » «   মুসলিম যাত্রী থাকায় ফ্লাইট বাতিল করল আমেরিকান এয়ারলাইনস  » «   মধ্যরাতে বনানীতে শাবি ভিসিপুত্রের কাণ্ড!  » «  

কুবিতে বিজ্ঞাপনের গেইট, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ



কুবি প্রতিনিধি: কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাতের আধারেই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান গেইটসহ বিভিন্ন স্থানে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ‘গুড লাক ষ্টেশনারী’ এর বিজ্ঞাপন সম্বলিত ডিজিটাল বিলবোর্ড বসানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে এ বিলবোর্ডগুলো বসানো হয়। এ নিয়ে শুক্রবার সকাল থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান গেইট, আবাসিক হল, প্রশাসনিক ভবন, একাডেমিক ভবনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থানে এমনকি উপাচার্যের বাসভবনের সামনেও বসানো হয়েছে ‘গুডলাকের’ বিজ্ঞাপন সম্বলিত বিলবোর্ড। এ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারীসহ সকল মহলে উঠেছে সমালোচনার ঝড়। বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাহিরেও সবার কাছে হাস্যকর হিসেবে উপস্থাপন হচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যরা।

এদিকে শুক্রবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজী নজরুল ইসলাম হলের বিলবোর্ডটির ‘গুডলাক’ লেখা অংশ কেটে ফেলেছে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের বিলবোর্ডটিতে কাগজ দিয়ে ‘গুডলাক’ অংশটি মুছে দেয়া হয়। এছাড়াও শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে শুক্রবার দুপুরের দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল গেইটের বিলবোর্ডটি খুলে নিতে দেখা যায়।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে রাতারাতি বিলবোর্ড বসানো নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করেছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। ফেসবুকে এক শিক্ষার্থী তার স্ট্যাটাসে লিখেন, পাবলিক ভার্সিটির মেইন গেট যদি স্পন্সর দিয়ে বানাতে হয় তাহলে কতটা কমার্শিয়াল চিন্তা-চেতনা ধারণা করেন, আপনারা ভেবে দেখেছেন? ও আচ্ছা আপনাদের তো আবার এসব ভাবাভাবির সময় নেই! স্যালুট আপনাদের মত প্রশাসনকে। আর হ্যাঁ, ভার্সিটির শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের মাঝে যে আকাশ পাতাল বৈষম্য আপনারা তৈরি করেছেন তাতে কিছুদিন পর আপনাদের সম্মান কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে সেটা ভেবে এখনই আমি শিউড়ে উঠি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পরিকল্পনা উন্নয়ন দপ্তরের উপ-পরিচালক মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা, রেজিস্টার জানে’ এ কথা বলে দুপুর ১২ টার দিকে নামাজে আছি বলে ফোন কেটে দেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার মো. মজিবুর রহমান মজুমদার বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে কেউ যদি সৌজন্যে উন্নয়নমূলক কিছু করে দেয় তাতে তো সমস্যা নেই, বিশ্ববিদ্যালয়ের খরচ বেঁচে গেলো।

এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আলী আশরাফ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে কিছু সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ করার কথা, কিন্তু ফটক গুলোতে এ ধরনের বিলবোর্ড লাগানোর ব্যাপারে কোন কথা হয় নি, আমি এই বিষয়ে খোঁজ নিচ্ছি।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: