সোমবার, ১৬ জুলাই ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ১ শ্রাবণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
নেদারল্যান্ডে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলকে লাল গালিচা সংবর্ধনা  » «   বাজারে অ্যাপলের নতুন ল্যাপটপ  » «   বেলকে বিক্রি করতে প্রস্তুত রিয়াল: পেরেজ  » «   চায়ের বিজ্ঞাপনে ঐন্দ্রিলা  » «   দলের হারে যাকে দায়ী করছেন ক্রোয়েশিয়ার কোচ  » «   সিরিয়ায় ইসরায়েলের রকেট হামলায় ৯ সেনা নিহত  » «   ট্রাম্প-পুতিনের বৈঠকে কি হতে যাচ্ছে?  » «   আকর্ষণীয় চোখের কৌশল  » «   ভয়ে ‘মসজিদের ওযুখানায়’ রাত কাটাচ্ছে তরুণী!  » «   রাতে দেশ ছাড়ছেন মাশরাফি  » «   বিজয় উল্লাস করতে গিয়ে ২ ফ্রান্স সমর্থকের মৃত্যু  » «   দুই মামলায় খালেদার জামিন শুনানি আজ  » «   উড়ন্ত ট্রেন আসছে এবার !  » «   পানামা পেপারসে নামচার ব্যবসায়ীকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ  » «   বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ, ধরা পরে অদ্ভুত কাণ্ড পুলিশ সদস্যের!  » «  

কার আবেগ বেশি, ছেলেদের না মেয়েদের!



লাইফস্টাইল ডেস্ক::অবশেষে রহস্যের উদঘাটন। মহিলাদের মতো পুরুষদের চোখে সহজে জল আসে না। কিন্তু কেন? সেই উত্তর অবশেষে পাওয়া গেল। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পুরুষ ও মহিলাদের মস্তিষ্কে কিছু পার্থক্য থাকে। যার জন্য পুরুষরা মহিলাদের মতো অনুভূতিহীন ও আবেগপ্রবণ হন না। কয়েকজন পুরুষের মধ্যে কোনও আবেগ বা অন্যের প্রতি শ্রদ্ধাও থাকে না। বিজ্ঞানের ভাষায়, এঁদের মধ্যে ক্যালাস-আনইমোশনাল ট্রেট রয়েছে। অর্থাৎ এঁদের মস্তিষ্কের গঠন অন্যদের থেকে ভিন্ন।

সুইৎজারল্যান্ডের বাসেল ইউনিভার্সিটির গবেষকরা একটি পরীক্ষার মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন। পুরুষদের একটা বড় অংশের মধ্যে মহিলাদের মতো সহমর্মিতা থাকে না। অন্যের দুঃখে সহানুভূতিশীল হওয়ার ক্ষেত্রেও পুরুষদের থেকে মহিলারা এগিয়ে। বিবেকবোধেরও বিকাশ অনেক কম হয় পুরুষদের। পুরুষদের এই ধরনের প্রবণতাকে ক্যালস-আনইমোশনাল ট্রেট বলা হয়।

বাড়ন্ত ছেলেদের মধ্যে তুলনামূলক ভাবে অ্যান্টেরিয়র ইনসুলা বা ধূষর কোষের সংখ্যা বেশি থাকে। মস্তিষ্কে এই ধূষর কোষের মাধ্যমেই অন্যের দুঃখে মানুষ সহানুভূতিশীল হয়। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পুরুষদের মস্তিষ্কে এই ধূষর কোষের সংখ্যা কমতে থাকে। মূলত মস্তিষ্কের গঠনই নির্ধারণ করে সেই মানুষটির আবেগ, অনুভূতি কেমন হবে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: