শনিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৪ ফাল্গুন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
সুস্থ থাকলে শেখ হাসিনার বিকল্প দরকার নেই  » «   নন্দলালের ভূমিকায় অবতীর্ণ হবেন না: ইসি রফিকুল  » «   এমপি হিসেবে শপথ নিলেন সৈয়দ আশরাফের বোন ডা. জাকিয়া  » «   রোহিঙ্গাদের নৃশংসতার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান মিয়ানমার সেনাপ্রধানের!  » «   যেসব শর্তে আত্মসমর্পণ করছেন ১০২ ইয়াবা ব্যবসায়ী  » «   নাসা আ্যপস চ্যালেঞ্জে বিশ্বসেরা শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়  » «   বাংলা একাডেমিতে আল মাহমুদের মরদেহ, শ্রদ্ধা নিবেদন  » «   আখেরি মোনাজাতের মধ্যদিয়ে জোবায়ের অনুসারীদের ইজতেমা শেষ  » «   যেভাবে ভারতীয় সেনাবহরে হামলা চালায় জঙ্গিরা  » «   রোহিঙ্গা নিপীড়ন তদন্তে মার্চে বাংলাদেশ আসছে আইসিসি প্রতিনিধিদল  » «   ব্যাটিং ব্যর্থতায় সিরিজ হার বাংলাদেশের  » «   যুক্তরাষ্ট্রে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করলেন ট্রাম্প  » «   টেকনাফে ইয়াবা কারবারিদের আত্মসমর্পণ আজ  » «   বিশ্ব ইজতেমা: প্রথম পর্বের আখেরি মোনাজাত আজ  » «   ৩৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে সিমেন্সের সঙ্গে চুক্তি  » «  

কারা হেফাজতে রথীশ হত্যার আসামির মৃত্যু



নিউজ ডেস্ক::রংপুরের বিশিষ্ট আইনজীবী রথীশ চন্দ্র ভৌমিক বাবুসোনা হত্যা মামলার আসামি মিলন মহন্ত কারা হেফাজতে মারা গেছেন। রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রিজন সেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার (১৩ এপ্রিল) রাতে তিনি মারা যান।

এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে কারা কর্মকর্তা (জেলার) আমজাদ হোসেন জানান, কোতয়ালি থানা পুলিশের কাছ থেকে মিলনকে গ্রহণ করার পরপরই তাকে আমরা চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেই। তার শরীরে অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন ছিল। ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

মিলন নিহত বাবুসোনার ব্যক্তিগত গাড়িচালক ছিলেন। গত ৫ এপ্রিল তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছিল। মিলন নগরীর তাজহাট এলাকার বাসিন্দা।

এর আগে গত ২৯ মার্চ রাতে অ্যাডভোকেট বাবুসোনাকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে নির্মাণাধীন বাড়ির ঘরে পুঁতে রাখা হয়। পরে ৫ এপ্রিল রাতে বাবুসোনার স্ত্রী স্নিগ্ধা ভৌমিককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে র‌্যাব। এরপর তিনি এ হক্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেন এবং লাশের অবস্থান সম্পর্কে জানান। পরে ৩ এপ্রিল রাতে রথীশের গলিত লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে তার ভাই বাদি হয়ে মামলা দায়ের করেন।

অ্যাডভোকেট রথীশ চন্দ্রকে নৃশংসভাবে হত্যায় স্ত্রী স্নিগ্ধা সরকার ওরফে দীপা ভৌমিক, তার প্রেমিক কামরুল ইসলাম ও মিলন মহন্ত জড়িত ছিলেন। গত ১ এপ্রিল মিলন মহন্তকে কোতোয়ালি থানা পুলিশ গ্রেফতার করে। এরপর তিনি গত ৫ এপ্রিল রংপুরের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়লে মিলন মহন্তকে পুলিশ পাহারায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার রাতে তার মৃত্যু হয়।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: