রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৭ আশ্বিন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
মোহামেডানসহ মতিঝিলে চার ক্লাবে অভিযান  » «   তাহিরপুরে ১০টি গাঁজার বালিশ উদ্ধার  » «   ফ্রান্সে মসজিদে গাড়ি হামলা  » «   সদলবলে মধুর ক্যান্টিনে ছাত্রদলের নবনির্বাচিত সভাপতি-সম্পাদক  » «   মুসলিম যাত্রী থাকায় ফ্লাইট বাতিল করল আমেরিকান এয়ারলাইনস  » «   মধ্যরাতে বনানীতে শাবি ভিসিপুত্রের কাণ্ড!  » «   সিলেট বিএনপিতে শোডাউনের প্রস্তুতি  » «   ‘ভূতের আড্ডায়’ অভিযান, বাতি জ্বালাতেই তরুণ-তরুণীর অপ্রীতিকর দৃশ্য  » «   মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন, প্রধান শিক্ষকসহ গ্রেপ্তার ৩  » «   টেকনাফে ‘গোলাগুলিতে’ রোহিঙ্গা স্বামী-স্ত্রী নিহত  » «   প্রাথমিকের শিক্ষকদের সুখবর দিলেন গণশিক্ষা সচিব  » «   সাত বডিগার্ডসহ জি কে শামীমকে গুলশান থানায় হস্তান্তর  » «   মালদ্বীপে স্থায়ী জমি পেলো বাংলাদেশ  » «   শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে পদত্যাগ করলেন সহকারী প্রক্টর  » «   তাহরির স্কয়ারসহ মিসরজুড়ে একনায়ক সিসির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ  » «  

কারা হেফাজতে রথীশ হত্যার আসামির মৃত্যু



নিউজ ডেস্ক::রংপুরের বিশিষ্ট আইনজীবী রথীশ চন্দ্র ভৌমিক বাবুসোনা হত্যা মামলার আসামি মিলন মহন্ত কারা হেফাজতে মারা গেছেন। রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রিজন সেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার (১৩ এপ্রিল) রাতে তিনি মারা যান।

এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে কারা কর্মকর্তা (জেলার) আমজাদ হোসেন জানান, কোতয়ালি থানা পুলিশের কাছ থেকে মিলনকে গ্রহণ করার পরপরই তাকে আমরা চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেই। তার শরীরে অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন ছিল। ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

মিলন নিহত বাবুসোনার ব্যক্তিগত গাড়িচালক ছিলেন। গত ৫ এপ্রিল তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছিল। মিলন নগরীর তাজহাট এলাকার বাসিন্দা।

এর আগে গত ২৯ মার্চ রাতে অ্যাডভোকেট বাবুসোনাকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে নির্মাণাধীন বাড়ির ঘরে পুঁতে রাখা হয়। পরে ৫ এপ্রিল রাতে বাবুসোনার স্ত্রী স্নিগ্ধা ভৌমিককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে র‌্যাব। এরপর তিনি এ হক্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেন এবং লাশের অবস্থান সম্পর্কে জানান। পরে ৩ এপ্রিল রাতে রথীশের গলিত লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে তার ভাই বাদি হয়ে মামলা দায়ের করেন।

অ্যাডভোকেট রথীশ চন্দ্রকে নৃশংসভাবে হত্যায় স্ত্রী স্নিগ্ধা সরকার ওরফে দীপা ভৌমিক, তার প্রেমিক কামরুল ইসলাম ও মিলন মহন্ত জড়িত ছিলেন। গত ১ এপ্রিল মিলন মহন্তকে কোতোয়ালি থানা পুলিশ গ্রেফতার করে। এরপর তিনি গত ৫ এপ্রিল রংপুরের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়লে মিলন মহন্তকে পুলিশ পাহারায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার রাতে তার মৃত্যু হয়।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: