বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ৭ ফাল্গুন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
লন্ডনে দ্বিতীয় জনপ্রিয় ভাষা বাংলা  » «   ঘুষের টাকাসহ হাতেনাতে সাব-রেজিস্ট্রার আটক  » «   আর কোনো হায়েনার দল বাংলার বুকে চেপে বসতে পারবে না  » «   সিলেটে মুক্তিযুদ্ধের পাণ্ডুলিপি সংগ্রহ করলেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী  » «   ফের জাতীয় পার্টির ঢাকা জেলা শাখার সভাপতি সালমা ইসলাম এমপি  » «   বিয়ানীবাজারে ৯৯০ পিস ইয়াবাসহ পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী আটক  » «   আয়কর দিবস উপলক্ষে সিলেটে বর্ণাঢ্য র‌্যালি  » «   এবার শ্রীমঙ্গলে ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন  » «   বেলজিয়ামে মসজিদে তালা দেওয়ায় বাংলাদেশিদের প্রতিবাদ  » «   পায়রা উড়িয়ে জাতীয় পার্টির ঢাকা জেলা শাখার সম্মেলন উদ্বোধন  » «   ভারতের অর্থনীতির দুরবস্থা, জিডিপি কমে সাড়ে ৪ শতাংশ  » «   পায়রা উড়িয়ে সম্মেলন উদ্বোধন করলেন শেখ হাসিনা  » «   লন্ডন ব্রিজে আবারও সন্ত্রাসী হামলা, নিহত ২  » «   চীন থেকে মা-বাবার জন্য পেঁয়াজ নিয়ে এলেন মেয়ে  » «   রক্তে ভাসছে ইরাক, নিহত ৮২  » «  

কান্নাজড়িত কণ্ঠে স্ত্রী-সন্তান হারানোর বর্ণনা দিলেন সুদেশ



আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: শ্রীলঙ্কায় ২১ এপ্রিলের ভয়াবহ সিরিজ বিস্ফোরণের একজন প্রত্যক্ষদর্শী অস্ট্রেলীয় নাগরিক সুদেশ কলোনি। সেদিনের ঘটনায় তিনি নিজে বেঁচে গেলেও প্রাণ হারান তার স্ত্রী-সন্তান। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সেদিনের হৃদয়বিদারক ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন সুদেশ কলোনি। সাক্ষাৎকারের মাঝেই এক পর্যায়ে অশ্রুসজল হয়ে পড়েন তিনি।

সেদিন স্ত্রী-কন্যাকে রেখে কিছু সময়ের জন্য সেন্ট সেবাস্টিয়ান গির্জার বাইরে গিয়েছিলেন সুদেশ। বিস্ফোরণের পর দ্রুত দৌড়ে ভেতরে প্রবেশ করেন। কিন্তু ততক্ষণে তার স্ত্রী-কন্যা আর বেঁচে নেই। গির্জার মেঝেতে পড়ে রয়েছে তাদের নিথর দেহ।

সুদেশ কলোনি বলেন, বিস্ফোরণের পর ফিরে এসে দেখতে পাই মেয়ে গির্জার মেঝেতে পড়ে আছে। শুধু মেয়েকেই দেখছিলাম। তাকে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করছিলাম। কিন্তু ততক্ষণে সে আর নেই। মেয়ের কাছেই পড়েছিল স্ত্রীর নিথর দেহ।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে সুদেশ কলোনি বলেন, গির্জায় সেদিনের আয়োজনে অংশ নিতে আগে থেকেই বেশ উচ্ছ্বসিত ছিলেন তার স্ত্রী-কন্যা। তার ভাষায়, ‘আমার সামনেই তাদের মৃত্যু হয়েছে।’

সিএনএন-কে কন্যার একটি ভিডিও দেখান সুদেশ। সেখানে বড় একটি গিটার বাজাতে বাজাতে বাবার সঙ্গে গান করছিল সে। সুদেশের ভাষায়, ‘আমরা আসলেই একটি চমৎকার পরিবার ছিলাম। বিশেষ করে আমার মেয়েটি। এখন তারা চলে গেছে। এটা খুবই কঠিন।’

২১ এপ্রিল শ্রীলঙ্কার তিন গির্জা ও তিন হোটেলসহ আটটি স্থানে চালানো ওই সিরিজ বিস্ফোরণে নিহত হন ৩৫৯ জন।আহত হয়েছেন প্রায় ৫০০ জন।হামলার দায় স্বীকার করেছে জঙ্গিগোষ্ঠী আইএস।তবে নিজেদের দাবির স্বপক্ষে কোনও প্রমাণ দেখাতে পারেনি তারা।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: