বুধবার, ১৫ অগাস্ট ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৩১ শ্রাবণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
‘সৎ বাবার ধর্ষণে’ ১২ বছরের মেয়ে অন্তঃসত্ত্বা!  » «   ‘যুক্তরাষ্ট্রের সব ইলেকট্রনিক পণ্য বর্জন করবে তুরস্ক’  » «   রাইফার পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দিতে হাইকোর্টের রুল  » «   ভারতে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে আল-কায়েদাঃ জাতিসংঘ  » «   সোশ্যাল মিডিয়ার আপত্তিকর কন্টেন্ট বিশ্লেষণে পৃথক ইউনিট  » «   যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরো বেশি তুলা আমদানি করতে চায় বাংলাদেশ  » «   গজনিতে তালেবান সংঘর্ষ, নিহত বেড়ে ৩০০  » «   আবারও উত্তপ্ত ভারত-চীন, লাদাখ সীমান্তে মুখোমুখি সেনারা  » «   ঈদুল আজহার প্রধান জামাত জাতীয় ঈদগাহে সকাল ৮টায়  » «   ৩ হাজার ৮৮ কোটি ব্যয়ে ৯ প্রকল্পের অনুমোদন  » «   আরও এক মামলায় খালেদার জামিন  » «   ১৫ আগস্টে নিরাপত্তা নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই  » «   মোদির জন্য কনে দেখতে চেয়েছিলেন ট্রাম্প!  » «   রাজু হত্যাকান্ড: রকিব,দেলোয়ারসহ ২৩ জনকে আসামী করে মামলা  » «   ডিভোর্সের নোটিস পেয়ে শ্বশুরবাড়িতে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ স্বামীর  » «  

কানাডায় প্রথম বাংলাদেশী এম​.পি হয়ে ইতিহাস গড়লেন সিলেটের ডলি



প্রবাস ডেস্ক ::বাংলাদেশী মেয়ে ডলি বেগম ওন্টারিও প্রদেশের টরন্টো এলাকার একটি আসন থেকে এম. পি নির্বাচিত হয়েছেন। ৭ জুন এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তিনি প্রগ্রেসিভ কনসারভেটিভ পার্টির গ্রে এলিয়েসকে ৫ হাজার ভোটের ব্যবধানে হারান। ডলির প্রাপ্ত ভোট ১৫৫৪৩। নির্বাচনে তাঁর এই জয়কে স্থানীয় অনেকে দেখছেন বাংলাদেশী মেয়ের টরন্টো বিজয় হিসেবে।

ইতোপুর্বে কোনো বাঙালী টরন্টো, এমনকি কানাডার কোনো নির্বাচনে জিততে পারেননি। ডলি বেগম প্রথমবারের মতো প্রভিন্সিয়াল পার্লামেন্ট নির্বাচনে জিতে শুধু কানাডায় নয় সারা বিশ্বের বাঙালীদেরদের জন্য ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন।

ডলির জন্ম বাংলাদেশের মৌলভীবাজার জেলায়। এগার বছর বয়সে বাবা-মায়ের সাথে তিনি কানাডায় আসেন। সাথে ছিল ছোট ভাইটি। অল্প বয়সে কানাডায় এসে ডলি মুখোমুখি হন কঠিন বাস্তবতার। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম বাবা পতিত হন মারাত্মক এক সড়ক দুর্ঘটনায়। তাঁর পিতাকে হাসপাতালে কাটাতে হয় অনেক বছর।

পিতার স্বপ্ন পুরন করেছেন ডলি। ২০১২ সালে তিনি টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক পাশ করেন। আর ২০১৫ সালে উন্নয়ন প্রশাসনে মাস্টার্স করেন টরন্টো ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন থেকে। পড়ালেখা শেষ করার পর সিটি অব টরন্টোতে প্রায় দশ মাস কাজ করেন। গত এপ্রিল পর্যন্ত রিচার্স এনালিস্ট হিসেবে কাজ করেছেন দ্য সোসাইটি অব এনার্জি প্রফেশনাল্স এ।

ডলি নির্বাচনে দাঁড়ানোর পর কানাডায় বসবাসরত বাঙালীদের অকুন্ঠ সমর্থন পান। তাঁকে নিয়ে কবিতা লিখেছেন হোসেইন সুমন নামক কানাডা প্রবাসী এক বাঙালী। ভোটারদের উদ্দেশ্য করে ডলি বলেছেন, “আমি আপনাদেরই একজন, আপনাদেরই মতো জীবনযুদ্ধের প্রতি পদে হাজারো বাধাবিপত্তি আর অসাম্যের হয়ে লড়াই করা একজন। তাই আমি নির্বাচিত হওয়া হবে আমাদের মতো হাজারো মানুষের নিজেদের বিজয়।”

ডলির বিজয়ে আনন্দিত কানাডা প্রবাসী বাঙালীরা। তার দল ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টির সমর্থকরা। সাথে সারা বিশ্বের বাঙালীরাও। প্রথমবারের মতো কোনো বাঙালী কানাডার একটি প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে মেম্বার অব প্রভিন্সিয়াল পার্লামেন্ট নির্বাচিত হওয়া রূপক অর্থে টরন্টো বিজয়ই বলা যায়।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: