মঙ্গলবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭ খ্রীষ্টাব্দ | ৪ আশ্বিন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
পর্নোগ্রাফির মামলা নিয়ে ভাবছেন না কুসুম শিকদার  » «   ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত আশরাফুল  » «   ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সন্তান পরিচয় দিয়ে পুলিশ কনস্টেবল পদে চাকুরী  » «   মানববন্ধনে রিজভীচাল নেই: সরকারি গোডাউনে ইঁদুর খেলা করছে  » «   নতুন বিয়ে নিয়ে মুখ খুললেন ময়ূরী  » «   ‘যৌন নিপীড়ন বন্ধে বাংলাদেশ জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছে’  » «   মৌলভীবাজারে অং সান সুচির কুশপুত্তলিকা দাহ  » «   ইংলিশ মিডিয়ামে পড়ুয়াদের অভিভাবকের নাম অন্তর্ভুক্তি চেয়ে রিট  » «   পদ্মায় নিখোঁজ কনস্টেবলের মরদেহ ২৪ ঘন্টায় উদ্ধার হয়নি  » «   রাজধানীর পানিতে ঝুঁকিপূর্ণ জীবন  » «   উপজেলা পর্যায়ে চালু হচ্ছে ওএমএস  » «   ‘মধ্যরাতে আমাকে ঘিরে ধরে মাতালেরা, এরপর শুরু করে…’  » «   ভদ্র চালকদের জন্য পুরস্কার  » «   শাহজালালে সিগারেটসহ ৬ ভারতীয় নাগরিক আটক  » «   ৮ সন্তানকে আনতে পেরেছি আরেকজন জেলে  » «  

কলাপাড়া হাসপাতাল অঙ্গন দালালমুক্ত করার উদ্যোগ



সাইফুল ইসলাম (নুর),কলাপাড়া প্রতিনিধি:কলাপাড়ায় রোগীর চিকিৎসা সেবার মানোন্নয়নে হাসপাতাল অঙ্গন দালালমুক্ত করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। নেয়া হয়েছে ঔষধ কোম্পানীর প্রতিনিধিদের রোগির ব্যবস্থাপত্র নিয়ে টানা-হেচড়া বন্ধের উদ্যোগ। আউটডোরে চিকিৎসা নিতে আসা রোগির কমপক্ষে ৪০ ভাগের পরীক্ষা-নিরীক্ষা হাসপাতালে করা হবে। হাসপাতালে রোগির স্বজনদের ভিজিট আওয়ার নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রয়োজন বোধে প্রত্যেকটি কক্ষের মধ্যে সাউন্ডবক্স বসানো হবে। যার মাধ্যমে রোগিদের সচেতনতা করা। রোগিদের করনীয় বিভিন্ন বিষয় প্রচারকরার উদ্যোগ নেয়া হবে।২৪ এপ্রিল বিকেলে হাসপাতাল মিলনায়তনে স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এছাড়া শীঘ্রই হাসপাতালে গর্ভবতী মায়েদের সিজারিয়ান পদ্ধতি চালুর উদ্যোগের কথাও জানালেন উপজেলা স্বাস্থ্য প্রশাসক ডাঃ আব্দুল মান্নান।এছাড়া কলাপাড়ায় গড়ে ওঠা সকল ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে কর্মরত কর্মচারীর ছবি এবং পদমর্যাদা লেখা সংবলিত বোর্ড স্থাপনকরার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তদন্তে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান চালানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ডাঃ আব্দুল মান্নান জানান, ইতোমধ্যে হাসপাতালে রোগিদের উত্যক্তকারী দালালদের চিহ্নিত করে একটি তালিকা তৈরি করা হচ্ছে।উল্লেখ্য, কলাপাড়ায় চিহ্নিত দু’ একজন চিকিৎসক এবং বাইরের একটি দালাল চক্রের যোগসুত্রে গড়ে ওঠা ক্লিনিকগুলো এখন চিকিৎসা সেবার অন্তরায় হয়ে দাড়িয়েছে। কোন কোন ডাক্তার আবার ক্লিনিকের ব্যবসায়ীক পার্টনারও রয়েছে। ফলে অযথা দেয়া হচ্ছে রোগিদের বাড়তি পরীক্ষা-নিরীক্ষার নির্দেশ। নির্দিষ্ট এসব ক্লিনিক কিংবা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পরীক্ষা নাকরালে আবার প্রেসক্রিপশন ছিড়ে ফেলারও এন্তার অভিযোগ পাওয়া গেছে।স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান বিলকিচ জাহান বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যসেবার জন্য গৃহীত পদক্ষেপ বাস্তবায়নে এসব উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তবে আদৌ এসব বাস্তবায়ন হবে কিনা তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন বহু রোগী। তোলেন এসব বাস্তবায়ন নিয়ে দায়িত্বরতদের আন্তরিকতা নিয়ে প্রশ্ন।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: