রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ১৫ চৈত্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
সিলেটে ডাক্তারদের প্রাইভেট চেম্বার বন্ধ, ফার্মেসিতেই চিকিৎসা  » «   ৯ এপ্রিল পবিত্র শবে বরাত  » «   এবার স্পেনও ছাড়ালো চীনকে, ২৪ ঘণ্টায় ৭৩৮ মৃত্যু  » «   সিলেট বিভাগে বৃহস্পতিবার থেকে গণপরিবহন বন্ধ  » «   করোনা মোকাবিলায় দেশে দেশে লকডাউন  » «   খালেদা জিয়ার মুক্তি, করোনা বদলে দিচ্ছে রাজনীতি  » «   খালেদার মুক্তির সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাল যুক্তরাষ্ট্র  » «   খালেদা জিয়ার মুক্তিতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক দেখছেন ড. কামাল  » «   করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে গ্রিসে লকডাউন  » «   বান্দরবানের ৩ উপজেলা লকডাউন  » «   ইতালিতে একদিনে ৭৪৩ জনের মৃত্যু  » «   ফ্রান্সে ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৮৬ মৃত্যু  » «   নিউইয়র্কে করোনায় আক্রান্ত ২০ হাজার ছাড়াল  » «   সাধারণ ছুটিতে চালু থাকবে ব্যাংক  » «   করোনাভাইরাস: উৎকণ্ঠিত সিলেট, উদ্বিগ্ন মানুষ  » «  

করোনাভাইরাসে শয়ে শয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা, মোট ২৩৬০



করোনাভাইরাসে মৃত্যু ও আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে রোজ। শুক্রবার চীনে প্রাণঘাতী এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন আরও ১০৯ জন। ফলে সেখানে মোট প্রাণহানির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৩৪৫ জন। এর আগে বৃহস্পতিবারও দেশটিতে করোনাভাইরাসে শতাধিক মানুষ মারা গেছেন। চীনের মূল ভূখণ্ডের বাইরে এ পর্যন্ত মারা গেছেন অন্তত ১৫ জন।

শনিবার চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (এনএইচসি) জানিয়েছে, শুক্রবার মৃতদের মধ্যে ১০৬ জনই করোনাভাইরাসের উৎস হুবেই প্রদেশের। সেখানে এ পর্যন্ত মারা গেছেন অন্তত ২ হাজার ২৫০ জন।

করোনাভাইরাসে মৃত্যুর ঘটনা বেশিরভাগই চীনে হলেও গত এক সপ্তাহ ধরে অন্যান্য দেশেও এর সংখ্যা বাড়ছে। চীনের মূল ভূখণ্ডের বাইরে এ পর্যন্ত ইরানে চারজন, জাপানে তিনজন, হংকং-দক্ষিণ কোরিয়ায় দুজন করে এবং তাইওয়ান, ফিলিপাইন, ফ্রান্স ও ইতালিতে একজন করে মারা গেছেন।

শুক্রবার চীনে নতুন করে করোনাভাইরাস আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন ৩৯৭ জন। ফলে দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৬ হাজার ২৮৮ জন। আর বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস আক্রান্তের মোট সংখ্যা ৭৭ হাজার ৭৬৭ জন।

চীনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শুক্রবার আরও ২ হাজার ৩৯৩ জন করোনা আক্রান্ত রোগী সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরেছেন। ফলে দেশটিতে রোগমুক্ত ব্যক্তির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে মোট ২০ হাজার ৬৫৯ জন।

শুক্রবার সংযুক্ত আরব আমিরাতে এক বাংলাদেশি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। দেশটির স্বাস্থ্য অধিদফতর জানিয়েছে, আক্রান্তদের সর্বাত্মক সেবা দেয়া হচ্ছে। তাদের ভাইরাসের পরিমাণ স্থিতিশীল অবস্থায় থাকায় ভয়ের কারণ নেই। এর আগে সিঙ্গাপুরে পাঁচ বাংলাদেশির শরীরে এই ভাইরাস ধরা পড়ে। তাদের মধ্যে

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: