শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ১০ ফাল্গুন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
ওয়াসার পানির দাম বাড়ানোর প্রস্তাব, ক্ষুব্ধ নগরবাসী  » «   শহীদের সঙ্গে প্রেম ভাঙলো কার দোষে? মুখ খুললেন কারিনা  » «   বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা পেল সখীপুরের ২ হাজারের বেশি মানুষ  » «   সিরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের বড় অস্ত্রের চালান নিখোঁজ  » «   মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে প্রবেশকালে আটক ৪  » «   হামলাকারীকে ক্ষমা করে দিলেন লন্ডনের সেই মুয়াজ্জিন  » «   ঋণখেলাপিদের অর্থ কোথায় যায়  » «   ভাষা দিবসে কলাগাছের শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা  » «   এক হাজার কোটি টাকা দিতে রাজি জিপি  » «   সেই জার্মান বন্দুকধারীর হিটলিস্টে বাংলাদেশিরা  » «   আরব আমিরাতে করোনাভাইরাসে বাংলাদেশি আক্রান্ত  » «   আগুনে ১০ ঘর পুড়ে ছাই  » «   ঈশ্বরদীতে বাস-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২  » «   চট্টগ্রামে ১৪ হাজার ইয়াবাসহ সেনাসদস্য আটক  » «   ভারতে দুই স্বর্ণখনির সন্ধান, মজুত ৩৩৫০ টন  » «  

কনজারভেটিভ পার্টির ইসলামবিদ্বেষ নিয়ে মুসলিম কাউন্সিলের উদ্বেগ



আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: মুসলিম নারীদের তাচ্ছিল্য করে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের মন্তব্যের সমালোচনা করতে অস্বীকার করেছেন দেশটির অর্থমন্ত্রী সাজিদ জাভিদ। গত বছর ব্রিটিশ দৈনিক টেলিগ্রাফে লেখা এক নিবন্ধে বোরকা পরা মুসলিম নারীদের লেটারবক্স ও ব্যাংক ডাকাতের সঙ্গে তুলনা করেছেন বরিস। কাতারভিত্তিক আলজাজিরার খবরে এমন তথ্য জানা গেছে।

এক নির্বাচনী প্রচারে এ নিবন্ধের ব্যাখ্যা দিতে খাবি খেতে হয়েছে সাজিদ জাভিদকে। এ ঘটনার প্রেক্ষাপটে ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টির সমালোচনা করেছে ব্রিটেনের মুসলিম কাউন্সিল। এ ঘটনায় টরিদের মধ্যে ইসলামবিদ্বেষী ঘটনা অস্বীকার, খারিজ ও শঠতার আশ্রয় নেয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

মুসলিম কাউন্সিলের এক মুখপাত্র বলেন, আমরা ইসলামবিদ্বেষের হুমকিতে রয়েছি। এই ইস্যু কনজারভেটিভ পার্টিতে প্রকট আকারে রয়েছে। কিন্তু এসব অস্বীকার ও খারিজ করে আসছে দলটি। তিনি আরও বলেন, একটা বড়সংখ্যক মুসলমানের কাছে বিষয়টি ব্যাপকভাবে পরিষ্কার যে কনজারভেটিভ পার্টি ইসলামবিদ্বেষকে আশ্রয় দিচ্ছে। সমাজে তা তিক্তভাবে ছড়িয়ে পড়ার সুযোগ করে দিচ্ছে। এ ধরনের বর্ণবাদ উৎখাত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতেও দলটি ব্যর্থ হয়েছে।

মুসলিমবিদ্বেষের মতো বর্ণবাদের প্রশ্রয় কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে ব্রিটেনের ক্ষমতাসীন দলটি বলে তিনি মন্তব্য করেন। সাজিদ জাভিদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী ব্যাখ্যা দিয়েছেন যে কেন তিনি এসব শব্দ ব্যবহার করেছেন। নিবন্ধটিতে তিনি নারীর অধিকার নিয়ে কথা বলতে চেয়েছেন। মুসলমান কিংবা অন্যান্য নারী যা-ই পরুক না কেন, তিনি সেই ব্যাখ্যা দিয়েছেন। আমি মনে করি, তিনি যথাযথ বৈধ ব্যাখ্যা দিয়েছেন।

যখন কনজারভেটিভ পার্টির ক্ষেত্রে এসব ঘটনা ঘটে, তখন এটি যে দলীয় নেতৃত্বের একটা ইস্যু হতে পারে, তা কেউই প্রত্যয়ের সঙ্গে বলছেন না। তবে মুসলিম কাউন্সিলের সমালোচনা নাকচ করে দিয়ে বরিস জনসন সাংবাদিকদের বলেন, তিনি এসব দাবির সঙ্গে একমত না।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: