সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ২৯ আশ্বিন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
ক্যাসিনো পঞ্চপাণ্ডবের রইল বাকি ১  » «   পুলিশের ওপর হামলা: দুই ‘জঙ্গি’ আটক  » «   সিলেট-জকিগঞ্জ সড়কে চালকদের প্রতিযোগিতায় যাত্রীবাহী বাস খাদে, আহত ৭  » «   ইনস্টাগ্রামে ট্রাম্প-ওবামাকে পেছনে ফেললেন মোদি!  » «   একটি মোবাইল চার্জারের দাম ২২ হাজার টাকা  » «   বেতন বৈষম্য: কর্মবিরতিতে সাড়ে ৩ লাখ শিক্ষক  » «   আবরার হত্যা: শেষ চার ঘণ্টার নৃশংসতার চিত্র  » «   সংবিধান পড়ে শোনালেন আমান, পুলিশ বলল ‘গো ব্যাক’  » «   বুয়েটে ভর্তি পরীক্ষা শুরু  » «   আবরার হত্যায় এবার মুজাহিদের স্বীকারোক্তি  » «   তিন সপ্তাহ ধরে কার্যালয়ে যান না যুবলীগ চেয়ারম্যান  » «   নোবেল পুরস্কার র‌্যাব-পুলিশের হাতে নয় : রিজভী  » «   বুরকিনা ফাসোতে মসজিদে ঢুকে ১৬ মুসল্লিকে গুলি করে হত্যা  » «   হবিগঞ্জে পাচারকালে ১২শ’ কেজি রসুন জব্দ  » «   সৌদি-ইরান উত্তেজনা মধ্যস্ততায় তেহরানের পথে ইমরান খান  » «  

কথা বলতে পারছেন না তসলিমা!



নিউজ ডেস্ক::বাংলাদেশ থেকে নির্বাসিত, বিতর্কিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন। তিনি নাকি এখন কোনো কথাই বলতে পারছেন না। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তিনি ভাইরাসজনিত রোগে আক্রান্ত। তাই কথা বলার শক্তি হারিয়েছেন।

এ তথ্য তসলিমা নাসরিন নিজেই তার ফেসবুক পেইজে জানিয়েছেন। সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘‌‌সকালে উঠে দেখি আমি কথা বলতে পারছি না। কোনও স্বর বেরোচ্ছে না গলা দিয়ে। সাইন ল্যাংগুয়েজ কোনওদিন শিখিনি, কিন্তু দিব্যি ওটাই চালাচ্ছি। কী কারণে ভয়েস হারিয়ে ফেললাম জানি না। ডাক্তারের কাছে এসেছি। ভাবছি ভয়েসটা কি আদৌ ফিরে পাবো। ভয়েস যে এভাবে বলা নেই কওয়া নেই উবে যেতে পারে, জানতাম না।

পরে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন তিনি। প্রেসক্রিপশন পাওয়ার পর তিনি আবারও স্ট্যাটাস দেন। এতে তিনি লিখেন- ‘না, জবান আল্লাহ নেননি, জবান নিয়েছেন ভাইরাস। চিকিৎসক জিভ টেনে বার করে দেখতে চাইলেন গলার ভেতরটা। সম্ভব হয়নি। আমি নাকি খুব সেনসিটিভ।

ওষুধ লিখে দিলেন, বলে দিলেন কোনওরকম কথা বলার চেষ্টা যেন না করি। প্রেসক্রিপশনের এক নম্বরেই লেখা ভয়েস রেস্ট। এতকাল সরকার আমার বাক স্বাধীনতা কেড়ে নিয়েছে, এবার কাড়লেন ডাক্তার। অবশ্য বাকই নেই, আবার স্বাধীনতা কিসের!

৩/৪ দিন পরও স্বর ফিরে না এলে ফের ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে। তখন নাকি মুখে যন্ত্র ঢুকিয়ে ল্যারিংস না দেখতে পারলে নাক দিয়ে যন্ত্র ঢুকিয়ে দেখবেন। ভালো যে ডাক্তারি চাকরি ছেড়েছিলাম। যত বয়স বাড়ছে, তত আমার হাসপাতালে যাওয়ার অনীহা বাড়ছে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: