মঙ্গলবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ১ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
খাশোগি হত্যা বনাম সৌদি যুবরাজের কালো অধ্যায়  » «   অপারেশন ‘গর্ডিয়ান নট’ সমাপ্ত, দুই জঙ্গির মরদেহ উদ্ধার  » «   ২০ দলীয় জোট থেকে বেরিয়ে গেল ন্যাপ ও এনডিপি  » «   মতবিরোধ থাকলেও সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন পরিচালনা সম্ভব: সিইসি  » «   সিলেটে জনসভার মধ্যেদিয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আনুষ্ঠানিক যাত্রা  » «   সৌদির প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত, সব ক্রু নিহত  » «   ডিজিটাল আইনের ৯টি ধারা সংশোধন চেয়ে আইনি নোটিশ  » «   ট্রাম্পের বিরুদ্ধে স্টর্মির মানহানি মামলা খারিজ  » «   জঙ্গি আস্তানায় অভিযান শুরু,দফায় দফায় আসছে গুলির শব্দ  » «   সাত বছরেও চালু হয়নি হাসপাতালের কার্যক্রম  » «   হযরত মুহাম্মাদ (সা:) কে নিয়ে যা বললেন মমতা ব্যানার্জী  » «   নির্বাচন কমিশন তো জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ নয় : কাদের  » «   জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার রায় ২৯ অক্টোবর  » «   মির্জাপুরে ট্রাক উল্টে একই পরিবারের ৩ জন নিহত  » «   আস্তানায় বেশ কয়েকজন জঙ্গি ও গোলাবারুদ রয়েছে: সিটিটিসি প্রধান  » «  

কথার জাদুকর এহতেশাম



ভালোবাসা কি শুনতে চাও লাভগুরুর এহতেশামের কাছে যাও। গতানুগতিক উপস্থাপনার বাইরে যিনি কথার জাদুতে মুগ্ধ করে রাখছেন অগণিত দর্শক-শ্রোতাকে। ২০০৯ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত রেডিও আমার-এ লাভ গুরু হিসাবে কাজ করেছেন এবং জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। যাকে আমরা লাভগুরু হিসেবে চিনি।

প্রশ্ন: রেডিও ভুবনে লাভগুরু হিসেবে শুরুর গল্প জানতে চাইলে এহতেশাম বলেন…..

এহতেশাম: ২০১০ সাল থেকে এখন পর্যন্ত। আমার শুরু ছিল রেডিও আমার। এরপর ঢাকা এফ এম এ আসা হয় ২০১৪ তে। দুটি রেডিওতেই আমি ভালোবাসা নিয়ে কাজ করেছি। বিষয়টা হচ্ছে, মানুষের ভালোবাসা পেতে এবং মানুষকে ভালোবাসা দিতে সবাই চায়, কেও ই লোভ সংবরণ করতে পারেনা। প্রথমে শুধুই ছিল ভালোবাসার নির্ভর কথা, রোমান্টিক লাভ এসব শুনতাম। পরবর্তীতে চিন্তা করি এই মিডিয়াকে কাজে লাগিয়ে শুধু শুনে নয়, কোনো সমাধানের দিকে যেতে পারি কিনা। কিছুটা দুঃসাহস নিয়ে বসি। তখন দেখলাম যে সফলও হই । বিভিন্ন রকমের রিলেশনশিপ দেখা যাচ্ছে যেটা প্রায় ভাঙ্গতে বসেছে, দু’জন দুই গাড়িতে আমাদের প্রোগ্রামে আসছে, কেও কারো মুখ দেখতে রাজি না এমন সম্পর্কও শেষে আমরা এক গাড়িতে তাদের বাড়ি পাঠাতে সক্ষম হয়েছি। এই সফলতাগুলো আমাদের আরো আগ্রহ বাড়িয়ে দেয় যে, ভালোবাসার আরো মাধ্যম আছে, শুধু একটা ছেলে বা মেয়ের প্রেম ভালোবাসা নয়, বাবা মার প্রতি ভালোবাসা, ভাই বোনের প্রতি ভালোবাস। বন্ধুত্বের প্রতি ভালোবাসা। এরপর ভাবলাম যে বড় ভাবে কাজ করবো। এরপর ঢাকা এফ এম এ আমরা চলে আসি। আপনারা হয়তো জানেন ঢাকা এফএম এখন সবচেয়ে বড় নেটওয়ার্ক পুরো বাংলাদেশে। এবং অনেক মানুষের কাছে পৌঁছে যাবার সুযোগ হয় ঢাকা এফএম এর মাধ্যমে। এর সাথে সাথে বড় বড় কাজ করার জন্যও কিন্তু আমরা উদ্যমী হই। শুধু প্রেম ভালোবাসার মধ্যে কিন্তু আমার প্রোগ্রামটা সীমাবদ্ধ না। অনেকেই ভাবে লাভগুরু প্রোগ্রামটা শুরু হওয়াই ঐটার মধ্যে আবর্তিত আছে কি? যেমন আমাদের বড় উদাহরণ: আহনাভের ট্রিটমেন্ট করাটা, যেটা জনগণ সবাই দেখেছে। এরপর বিভিন্ন বড় বড় প্রবলেম আমরা হ্যান্ডেল করেছি যা অন্য কোনো প্রোগ্রাম না শুধু দেশের মিডিয়াতে বিরল। মানুষ একটা প্রোগ্রামের মধ্যে দিয়ে বা সলিউশনের মধ্যে দিয়ে একটি সলিউশনের চিন্তা করছে। সেই দুঃসাহসটাই আমরা দেখিয়েছি। অনেক ক্ষেত্রেই কিন্তু আমরা সফল হয়েছি।
প্রশ্ন: এই ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলোর কি আপনারা খবর রাখেন?
এসতেশাম: হ্যাঁ। ভালো আছেন তারা। যাদের পরিবার মেনে না নেবার ঘটনা ছিল এমন কি তাদের অনেকের আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে হয়েছে আমাদের এসে দাওয়াত পত্র পাঠিয়ে গিয়েছে। এমন বহু ঘটনা ঘটেছে। সলিউশনের যে ইন্টেনশন সেই দায়িত্ববোধের জায়গা থেকে আমরা এই কাজগুলো করছি।
প্রশ্ন: গল্পগুলোর সঙ্গে বাস্তবতার কেমন মিল পান?

এহতেশাম: আমরা কিন্তু সরাসরি যেকোনো গেস্টের গল্প শোতে নিচ্ছি না। আমাদের একটা চেক ব্যাকের বেপার থাকে। চেকব্যাক বলতে ফোনে গল্পটা শুনে আমাদের টিম আছেন যারা তাদের ইনফরমেশন অনুযায়ী খবর নেন যে, আসলে তার দেয়া ইনফরমেশনগুলো কতটা সঠিক কতটা বেঠিক। প্রথমিক পর্যায় একটা যাচাই বাছাই করার চেষ্টায় থাকি। যদি প্রসাশন রিলেটেড কোনো বেপার হয় সে ক্ষেত্রে সেখানের থানার সাথে কথা বলি আমরা। সরোজমিনে সেখানে যাই এবং কিছু অডিও ক্লিপ আমরা সেখান থেকে কালেক্ট করার চেষ্টা করি। শুধু একজন আসলো তাদের গল্প বলে ব্যাপারটা শেষ হয়ে গেলো ব্যাপারটা কিন্তু এরকম না।

প্রশ্ন: আপনাদেরও তো একপ্রকার লাইফ ঝুঁকিতে পড়ে যায় কি?

এহতেশাম: অবশ্যই এমন ব্যাপারও আছে। আমাদের সাথে প্রতিনিয়তই ঘটছে। অনেক সময় অনেক রকমের হুমকি ধামকি পেয়েছি। সত্যি কথা বলতে কি প্রথম দিকে কিন্তু একটু ভয় লাগতো। এখন পর্যন্ত অনুষ্ঠানের এমন কোনো দিন যায়নি যেদিন সৃষ্টিকর্তাকে স্বরণ না করে স্টুডিও রুমে পা রাখিনি। কিন্তু এটা যে কোনো ভয়ে তা নয়, আসলে দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে আমি যেন কোনোভাবেই ঐ সময় দুর্বল হয়ে না পড়ি এবং আমি যেন সঠিক ভাবে প্রোগ্রামটার কথা বের করে নিয়ে আসতে পারি। কারণ আমার কাছে শুধু বিনোদন না এটা, এর সাথে অনেক কিছু বিষয় জড়িত থাকে। সে বিষয়গুলো যেন আমি পুরোপরি ডিল করতে পারি। কিন্তু শোতে বসে পড়ার পর আমার কিন্তু ঐভাবে কোনো ভয় কাজ করে না। তখন আমি এই এহতেশাম আর এই এহতেশাম থাকি না। শুধু এটাই থাকে আমি এর সমাধান চাই যা করেই তা আসুক। পরে এসে হয়তো ভাবি যে তার বেলায় এতো এতো শব্দ আমি ব্যবহার করেই ফেলেছি যে তার একটা শত্রু পক্ষ জায়গায় আমি যেতেই পারি।
প্রশ্ন: এই যে জাগতিক বিষয় আপনি কাজ করছেন, বিভিন্ন মানুষের কথা বের করে আনছেন এই বিষয়ে আপনার প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা আছে কি?

এহতেশাম: বিনয়ের সাথে যদি বলি আমার এই বিষয়ে কোনো পড়ালেখা নেই। আমি নিজেও খুব ডিজার্ভ করি না। আরো যা যা বলুক সবাই এগুলো হবার জন্য, কোনো কিছুই আমার সাথে নেই। তব দুটো লাইনে আমি বোঝাতে পারি যেটা লালন বলেছিলেন, ‘এমন মানব জনম আর কি হবে। মন যা কর, ত্বরায় কর এই ভবে।’ তো এই লাইন দুটো আমার কলিজায় গেঁথে আছে। মানুষকে আমি প্রচণ্ডভাবে পড়তে পারি। আমাকে যদি বলা হয় ৫ বা ১০ জন মানুষকে দেখতে এবং তাদের কাজকর্মগুলো পর্যবেক্ষণ করতে, আমি পারবো কারণ এটা আমার ভালো লাগে। এটা আমার ডিউটির মতো মনে হয় না। এটা আমার নেশার মতন। আর কিছু নেই আমার ভিতরে।

প্রশ্ন: তো লাভগুরুর প্রেম কতবার এসেছিলো জীবনে?

এহতেশাম: (গুরু কেন এই সময় লাজুক হয়ে গেলেন আমরা জানিনা, এবং বেশ লাজুক ভঙ্গিতেই নিচের দিক তাকিয়ে কথাগুলো বলছিলেন) এভাবে যদি বলি প্রেম আমার জীবনে তেমন আসেনি। তার একটা ব্যাখ্যা আছে, আমার জীবনে যা এসেছে তা অনেক মায়া। যে মায়ার কোনো সীমা পরিসীমা নেই। যেমন আমার সহধর্মিণী, আমার বাচ্চার মা। তার প্রতি আমার অসম্ভব মায়া কিন্তু এই যে কথিত ভালোবাসা তা আমার মধ্যে কখনো আসছে কিনা আমি জানি না। আমি জানি এই কথাগুলো বলার পর আমার ভালবাসার মার্কেটে দর কমে যাবে। তাহলে কীভাবে সে এই ভালবাসার প্রোগ্রামে কীভাবে এক্সপার্ট হিসেবে বসে। অবশ্যই এক্সপার্ট যখন ভালোবাসা সমস্ত কিছু মিলিয়ে চিন্তা করা হয়। শুধুই রোমান্টিক লাভ না।

প্রশ্ন: এই পথের অনুপ্রেরণা কে দিয়েছেন?
এহতেশাম: আমি আসলে ছোট বেলা থেকেই কথা বলতে ভালোবাসি। অভিনয় করতাম, ৭ম -৮ম শ্রেণীতে থাকতেই আমি কবিতা লিখতাম। প্রচুর ডিবেট করতাম। ন্যাশনাল ডিবেট চ্যাম্পিয়ন ছিলাম। তারপর যখন এই প্রোগ্রামের হোস্টিং এর জন্য অফার আসে, তখন আমার এই কনফিডেন্সটা ছিল যে চেষ্টা করলে হয়তো পারবো। আর তখন সব চেয়ে বেশি অনুপ্রেরণা দিয়েছিল আমার সহকর্মী, বন্ধু, ভাই যে ভাষায় বলি ইন্তেজার হক। এখনো আছে পাশে সব সময়। ইন্তেজারই আমাকে ইন্টারভিউ দিতে বলে। এরপরই আমার পথ চলা শুরু। আর আমাকে পিছনে তাকাতে হয়নি। তার নাম এহতেশাম। যদিও লাভগুরু হিসেবে পরিচিত তিনি। গতানুগতিক উপস্থাপনার বাইরে যিনি কথার জাদুতে মুগ্ধ করে রাখছেন অগণিত দর্শক-শ্রোতাকে। ২০০৯ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত রেডিও আমার-এ লাভ গুরু হিসাবে কাজ করেছেন এবং জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। তার সাম্প্রতিক সময় ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে কথা বলেন ।

প্রশ্ন: আপনি কি নিজেকে লাভগুরু মনে করেন?

এহতেশাম: না। লাভের কোনো গুরু হতে পারে না। তবে আমার সব কথার লক্ষ্য একটাই যে ভালবাসার যদি কোনো সংস্কৃতি দাঁড় করিয়ে ফেলা যায়। আমি আমার এই শো শুরু করার আগে ভালোবাসার কিছু মূহুর্ত আমি ধারণ করে নিয়ে যাই ভেতরে। যেমন কাল ধানমন্ডি লেকের পাশে এক মহিলাকে দেখলাম তার দুই বাচ্চাকে প্রতিদিন রাতের আলোতে পড়ালেখা করায়। মহিলাটি সারাদিন কাজ করে, সংসার তার লেকের পাশের রেলিং এ। এখন ভাবুন তো পৃথিবীর কোনো কিছুর সাথে কি এর তুলনা চলে? এই মহিলা হয়তো মালালা ইউসুফ নয়, মিশেল ওবামা নয়, কিন্তু কেও যার সাথে গোটা পৃথিবীর তুলনা চলে না। এর ভালোবাসা একদিকে গোটা পৃথিবী একদিকে তাও ব্যালেন্স হয় না। কোথায় পাবেন আপনি? এ তো সেই বিশ্ব যেখানে প্রতিদিন নিজের ভ্রুন হত্যা করছে। সে মেয়েই নিজে বেঁচে থাকার জন্য বাচ্চাকে ছুড়ে ফেলে দিচ্ছে। সেখানে এমন মেয়েও আছেন যারা নিজেদের ভালোবাসাকে এভাবে রক্ষা করে যা এই পৃথিবীতেই আছে। আর এই মূহুর্ত সেগুলোকেই আমার তুলে ধরার ইচ্ছে। মানুষের কাছে বেশি বেশি নিয়ে আসা যায়। সবাই যদি ভালবাসার জন্য পরস্পরকে ধরে রাখে, আমার মনে হয় না পৃথিবীতে কষ্টের কিছু থাকে। ভালবাসার এমন একটা মনোভাব চলে আসলে খুব অল্প সম্পত্তির মধ্যে অল্প চাহিদার মধ্যেই সহ অবস্থান করে খুব ভালোভাবে থাকতে পারে। আর গুরু শুধু আমার একটা চরিত্র স্বার্থে নাম দেয়া।
প্রশ্ন: এই পর্যন্ত জনপ্রিয় গল্প কোনটা?

এহতেশাম: আমার প্রোগ্রামে তো আসলে সব শ্রেণীর গল্প থাকে। সবই জনপ্রিয়তা পায়। তবে জনপ্রিয়তার দিকে থেকে যদি বলি আমার প্রোগ্রামে অনেক তারকা আসছেন। বিশেষ করে আমাদের দেশের ক্রিকেটারদের চেয়ে বড় তারকা তো আর নেই। তার মধ্যে আমার ভাগ্য হয়েছে তামিম ইকবাল, নাসির হোসেন, সাকিব আল হাসান, তাসকিন, সাথে আশরাফুলকে কয়েকবার পাবার, তারপর মাশরাফি, হাবিবুল বাসার তো অনেকেই এসেছেন আমার এই ষ্টেজে। পথ শিশুদের ভালোবেসে তারাও হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। যে ভালোবাসাগুলো অনন্য অসাধারণ ছিলো। আর ভালবাসার গল্প হিসেবে সাকিব আল হাসান- শিশিরের গল্পটা বেশ জনপ্রিয় ছিলো। কিন্তু আমি জনপ্রিয়তা সাথে শান্তি পেয়েছি যখন রানা প্লাজার জন্য আমি রক্ত দানের জন্য আহ্বান করি বা পথ শিশুদের সাহায্যের জন্য কর্মসূচী হাতে নেই। আমরা ওদের বলি যে তোমরা সকালে উঠে দেখবা তোমাদের গায়ে গরম কাপড় থাকবে। এবং তা পেরেছি। এরপর আহনাভের প্রোগ্রামের সাথে তো কোনো কিছুর ই তুলনা হয় না। এখন আমার যমদূত আসলেও আমি নিশ্চিন্তে মরতে পারবো যে ওর মতন একজন মানুষের জন্য আমি আমরা কাজ করেতে পেরেছি। বিশেষ করে শেষ চার পাঁচ মিনিট যখন বলেছি আমি ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে বের হয়েছি এই ছেলেটাকে আপনারা বাঁচিয়ে দিন। পরবর্তী দেড় মাসের মধ্যে প্রায় ১ কোটি টাকা কালেক্ট করা হলো। (গুরু একটু আবেগ আপ্লূত হয়ে গেলেন) কি প্রোগ্রাম আর কি ভালোবাসার দেখার পেলাম যে ছেলেটা এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছে। ক্যান্সারকে জয় করে বেঁচে আছে।
প্রশ্ন: লাভগুরুর কাছে ভালোবাসা কী যদি শুনতে চাই?

এহতেশাম: মায়া। আর ভালোবাসা মানে হচ্ছে নিজেকে ভালো রেখে অন্যকে ভালো রাখা। কারণ আমি আমার আপনজনদের কথা যখন ভাবি, তখন মনের মধ্যে যেটা মোচড় দেয় সেটাতে দেখি মায়াই বেশি কাজ করে।
প্রশ্ন: ভবিষ্যত পরিকল্পনা নিয়ে যদি কিছু বলতেন…
এহতেশাম: অল্প কিছুর মধ্যে থেকেও যে ভালো থাকা যায় এই গল্পগুলোই বলে যেতে চাই। ভালবাসার একটা পবিত্র কাঠামো তৈরি করতে চাই। আর এই এতো এতো জনগণ তাদের জন্য আরো অনেক কিছু করতে চাই। বারবারই সাহায্যের হাতগুলো পাশে চাই।

আপনাকে ধন্যবাদ সময় দেয়ার জন্য।

 

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: