মঙ্গলবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৮ ফাল্গুন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
রাতে দেশ ছাড়ছেন মাহমুদউল্লাহ-মুস্তাফিজ  » «   পারিবারিক অশান্তির মূলে পরকীয়া  » «   ‘এই সুমি সেই সুমি’  » «   সুপ্রিম কোর্টের দারস্থ প্রিয়া প্রকাশ  » «   খালেদার শহীদ মিনারে শ্রদ্ধার বিষয়ে যা বললেন আ’লীগ নেতারা  » «   পাবনায় সরকারি এডওয়ার্ড কলেজে বই পড়া ও আবৃত্তি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত  » «   পাবনা জেলা বিড়ি শিল্প মালিক সমিতির কমিটি গঠন শাহাদত সভাপতি রাসেল সম্পাদক  » «   কানাডায় বাংলাদেশি তরুণীর কৃতিত্ব  » «   মাথা না ধুলে ফরজ গোসল হবে?  » «   হোটেলে রুম ফাঁকা নেই, ফিরিয়ে দেয়া হলো মোদিকে  » «   ‘বর্তমান অবস্থায় খালেদা জিয়া নির্বাচন করতে পারবেন না’  » «   হবিগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশের গুলি,আহত ৩০  » «   পোশাক নিয়ে আলোচনায় সোহানা সাবা  » «   ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে প্রস্তুত শহীদ মিনার  » «   চুনারুঘাটে অগ্নিকান্ডে ২টি দোকান পুড়ে ছাই  » «  

কত দিন জেলে থাকতে পারেন খালেদা জিয়া?



নিউজ ডেস্ক::জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদন্ড দেয়া হয়েছে। তবে তার আইনজীবীরা বলেছেন, তারা আপীল করবেন। বিএনপি বলেছে, এ রায়কে তারা আইনী ও রাজনৈতিক উভয়ভাবেই মোকাবিলা করবে।

অনেকের মনেই এ প্রশ্ন উঠতে পারে যে তাহলে খালেদা জিয়াকে আসলে ঠিক কত দিন জেলে থাকতে হতে পারে?

আইনবিদ এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষক শাহদীন মালিক বলছেন, রায়টা কতটা ঠিক হয়েছে তা বোঝা যাবে উচ্চতর আদালতে আপীল শুরু হলে।

প্রশ্ন হলো: রায়ের সত্যায়িত কপি হাতে পাবার পরই কেবল খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা আপীলের প্রক্রিয়া শুরু করতে পারবেন, এবং ততদিন পর্যন্ত খালেদা জিয়া বন্দী থাকবেন।

এই রায়ের কপি পাবার কি কোন সময়সীমা আছে?

শাহদীন মালিক বলেন, কোন সময়সীমা বাঁধা নেই। তবে সার্টিফায়েড কপির আগে টাইপ করা কপি যাকে বলা হয় ট্রু কপি – সেটা হয়তো আইনজীবীরা আগামি সপ্তাহের প্রথম দিকেই পেয়ে যেতে পারেন এমন কথা শোনা গেছে। তাহলে তারা হয়তো আগামী সপ্তাহের মাঝামাঝি নাগাদই আপীল দায়ের করে দেবেন, হয়তো আপীলের সাথেই জামিনের আবেদনও করবেন।

“আইনী প্রক্রিয়ায় যেটা হয়, নারীদের ব্যাপারে, বয়েস বেশি হলে, বা সাজা কম বলে – কারণ এটা যাবজ্জীবন কারাদন্ড নয় এবং পাঁচ বছরের কারাদন্ডকে কম সাজাই বলতে হবে – তাই এসব বিবেচনায় হয়তো আমার সাধারণ জ্ঞানের যেটা ধারণা হয় – জামিন হয়ে যেতে পারে।”

“এক বা দু’সপ্তাহে ছাড়া পেয়ে গেলে এক অর্থে তিনি স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারবেন, রাজনৈতিক কর্মকান্ডও শুরু করতে পারবেন।”

“আওয়ামী লীগ নিশ্চয়ই এটা বলবে যে আপীলে নির্দোষ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত মিসেস জিয়া একজন দুর্নীতির দায়ে দোষী ব্যক্তি। কিন্তু বাংলাদেশে সাবেক প্রেসিডেন্ট হুসেইন মুহম্মদ এরশাদও দুর্নীতির মামলায় জেল খেটেছেন। তাই বিএনপিকে একটা ধাক্কা সামলাতে হবে, রাজনীতিতে কিছুটা প্রভাব পড়বে, কিন্তু তা খুব বেশি পড়বে এটা মনে হচ্ছে না।”

কিন্তু আরেকটি বড় প্রশ্ন হলো, এর পর খালেদা জিয়া কি এ বছরের শেষে অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন?

এ নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে।

রাজনীতির একজন পর্যবেক্ষক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলছেন, খালেদা জিয়া নির্বাচন করতে পারবেন কিনা – তার চাইতেও বড় প্রশ্ন হচ্ছে: নির্বাচনের সময় তিনি জেলের ভেতরে থাকবেন না মুক্ত থাকবেন।

আসিফ নজরুলের কথায়, খালেদা জিয়া যদি নির্বাচনে অংশ নিতে না-ও পারেন, তবুও তিনি যদি জামিনে থাকেন এবং প্রচারাভিযানে অংশ নিতে পারেন – তাহলে এই কারাদন্ড বিএনপির জন্য নেতিবাচক না হয়ে বরং ইতিবাচক হতে পারে।

“কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, কোন কারণে যদি বেগম জিয়া জামিন না পান, এবং তার বিরুদ্ধে আরো মামলা রয়েছে সেটাও মনে রাখতে হবে – তিনি যদি ক্যাম্পেইনটা করতে না পারেন বিএনপি পরিস্থিতিটা কতটা কাজে লাগাতে পারবে – সেটা নিয়ে কিছুটা সন্দেহ থাকবে” – বলেন তিনি।

“তাই বেগম জিয়া নির্বাচনের সময় জামিনে মুক্ত থাকবেন কিনা এটার ওপর অনেক কিছু নির্ভর করে” – বলছিলেন অধ্যাপক আসিফ নজরুল। সূত্র: বিবিসি

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: