মঙ্গলবার, ২০ অগাস্ট ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ ভাদ্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
শেখ হাসিনার ছাত্রলীগে জামায়াতি আঁচড়!  » «   অবশেষে ক্ষমা চাইলেন জাকির নায়েক  » «   অপরাধীদের শাস্তি দ্রুত নিশ্চিত না করায় ধর্ষণ বাড়ছে: হাইকোর্ট  » «   সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে ‘স্পিড গান’  » «   কমলাপুর রেলওভার ব্রিজের ত্রুটির চিত্র তুলে ধরলেন ব্যারিস্টার সুমন  » «   জিন্দাবাজারে মিললো ২টি গোখরাসহ ৬ বিষধর সাপ  » «   কাশ্মীর ইস্যুতে আলোচনায় বসছেন ট্রাম্প- মোদী!  » «   মাত্র ১০০ মিটার দূরেই শত্রু  » «   অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে থাকবে সরকার: কাদের  » «   থানায় ‘গণধর্ষণের’ শিকার সেই নারীর জামিন নামঞ্জুর  » «   মিন্নির স্বীকারোক্তির আগে নাকি পরে এসপির ব্রিফিং : হাইকোর্ট  » «   প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের দুপুরের খাবারে মন্ত্রিসভার সায়  » «   নবম ওয়েজবোর্ডের গেজেট প্রকাশ নিয়ে আপিল বিভাগের সিদ্ধান্ত মঙ্গলবার  » «   পাঁচভাই রেস্টুরেন্টে প্রবাসীর ওপর হামলা: দুই ছাত্রলীগ কর্মী গ্রেপ্তার  » «   সিলেটসহ রেলের পূর্বাঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিতে হাইকোর্টের রুল  » «  

ওবামার সঙ্গে জেদের কারণেই ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি বাতিল!



আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার ওপর ডোনাল্ড ট্রাম্পের ব্যক্তিগত ক্ষোভের কারণেই পূর্বসূরির আমলে হওয়া ক্ষমতাধর ছয় দেশের সঙ্গে ইরানের পারমাণবিক চুক্তি থেকে বেরিয়ে এসেছে যুক্তরাষ্ট্র।তবে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে তাকে নিষেধ করেছিল ঘনিষ্ঠ মিত্র যুক্তরাজ্য। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত স্যার কিম ড্যারচের ফাঁস হওয়া এক ইমেইল থেকে এ তথ্য জানা গেছে। খবর বিবিসির।

২০১৮ সালে তৎকালীন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বরিস জনসন এক স্মারকলিপিতে যুক্তরাষ্ট্রকে পারমাণবিক চুক্তি থেকে বের না হতে আহ্বান জানিয়েছিলেন।ওই চুক্তি মোতাবেক, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের শর্তে পারমাণবিক মজুদ সীমিতকরণে রাজি হয়েছিল ইরান। তবে ট্রাম্পের কাছে ওই চুক্তি যথাযথ মনে হয়নি।

রাষ্ট্রদূত স্যার কিম ড্যারচ তার ইমেইলে জানান, বরিস জনসন যুক্তরাষ্ট্র থেকে যুক্তরাজ্যে ফেরার পর জানিয়েছিলেন, ইরানের সঙ্গে হওয়া পারমাণবিক চুক্তি থেকে বের হয়ে আসার ঘোষণা দিতে পারেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।এর কারণ চুক্তিটি তার পূর্বসূরি বারাক ওবামার সময়ে হয়েছে। সাবেক প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তার ব্যক্তিত্বের দ্বন্দ্বেই এ চুক্তি বাতিল হতে যাচ্ছে।

এ সিদ্ধান্ত নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টাদের মধ্যে বিভক্তি সৃষ্টি হয়েছে। এ ছাড়া চুক্তি বাতিলের জন্য হোয়াইট হাউসের সুনির্দিষ্ট কোনো কর্মপরিকল্পনা নেই বলেও জানান ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত।পাশাপাশি ট্রাম্প প্রশাসনের এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে ‘কূটনৈতিক ধ্বংসযজ্ঞ’ বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সম্প্রতি রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ গোপন নথি ফাঁস করার বিষয়ে গণমাধ্যমগুলোকে সতর্ক করেছে স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড। পাশাপাশি কোনো সাংবাদিক এ বিষয়ে আর কোনো তথ্য প্রকাশ করলে তার বিরুদ্ধে আইনিব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও হুশিয়ারি দিয়েছে ব্রিটিশ পুলিশ। এসব ঘটনার তদন্ত শুরু করছে স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: