সোমবার, ২১ অক্টোবর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৬ কার্তিক ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
গাদ্দাফিকে হত্যায় ফ্রান্সের হাত থাকার ঘটনা ফাঁস!  » «   গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে অস্ট্রেলিয়া অভিনব প্রতিবাদ  » «   আইনজীবীর সহকারী হত্যা : ১২ জনের মৃত্যুদণ্ড  » «   শয়তানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক সৌদি যুবরাজের!  » «   মন্দিরের নিরাপত্তায় মাদ্রাসা ছাত্ররা  » «   ভোলার সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশের মামলা, আসামি ৫ হাজার  » «   সৌদিতে নিহত ১১ বাংলাদেশির মধ্যে ৯ জনের পরিচয় প্রকাশ  » «   টনক নড়াতে টনিক  » «   শিক্ষামন্ত্রীর যেসব যুক্তি খণ্ডন করতে পারেননি ননএমপিও শিক্ষক নেতারা  » «   প্রথমবার মহাকাশে হাঁটলেন যে দুই নারী  » «   যে কোনো মুহূর্তে গ্রেপ্তার হচ্ছেন যুবলীগের বহিস্কৃত চেয়ারম্যান  » «   ‘জনগণ ভোট দিতে পারেনি’ বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিলেন মেনন  » «   ঐক্যফ্রন্টে মেনন?  » «   পরীক্ষা জালিয়াতি: এমপি বুবলীকে প্রধানমন্ত্রীর তলব  » «   মধুর ক্যান্টিনে ছাত্রদলের ওপর ছাত্রলীগের হামলা, আহত ৫  » «  

ওবামার সঙ্গে জেদের কারণেই ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি বাতিল!



আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার ওপর ডোনাল্ড ট্রাম্পের ব্যক্তিগত ক্ষোভের কারণেই পূর্বসূরির আমলে হওয়া ক্ষমতাধর ছয় দেশের সঙ্গে ইরানের পারমাণবিক চুক্তি থেকে বেরিয়ে এসেছে যুক্তরাষ্ট্র।তবে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে তাকে নিষেধ করেছিল ঘনিষ্ঠ মিত্র যুক্তরাজ্য। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত স্যার কিম ড্যারচের ফাঁস হওয়া এক ইমেইল থেকে এ তথ্য জানা গেছে। খবর বিবিসির।

২০১৮ সালে তৎকালীন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বরিস জনসন এক স্মারকলিপিতে যুক্তরাষ্ট্রকে পারমাণবিক চুক্তি থেকে বের না হতে আহ্বান জানিয়েছিলেন।ওই চুক্তি মোতাবেক, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের শর্তে পারমাণবিক মজুদ সীমিতকরণে রাজি হয়েছিল ইরান। তবে ট্রাম্পের কাছে ওই চুক্তি যথাযথ মনে হয়নি।

রাষ্ট্রদূত স্যার কিম ড্যারচ তার ইমেইলে জানান, বরিস জনসন যুক্তরাষ্ট্র থেকে যুক্তরাজ্যে ফেরার পর জানিয়েছিলেন, ইরানের সঙ্গে হওয়া পারমাণবিক চুক্তি থেকে বের হয়ে আসার ঘোষণা দিতে পারেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।এর কারণ চুক্তিটি তার পূর্বসূরি বারাক ওবামার সময়ে হয়েছে। সাবেক প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তার ব্যক্তিত্বের দ্বন্দ্বেই এ চুক্তি বাতিল হতে যাচ্ছে।

এ সিদ্ধান্ত নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টাদের মধ্যে বিভক্তি সৃষ্টি হয়েছে। এ ছাড়া চুক্তি বাতিলের জন্য হোয়াইট হাউসের সুনির্দিষ্ট কোনো কর্মপরিকল্পনা নেই বলেও জানান ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত।পাশাপাশি ট্রাম্প প্রশাসনের এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে ‘কূটনৈতিক ধ্বংসযজ্ঞ’ বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সম্প্রতি রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ গোপন নথি ফাঁস করার বিষয়ে গণমাধ্যমগুলোকে সতর্ক করেছে স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড। পাশাপাশি কোনো সাংবাদিক এ বিষয়ে আর কোনো তথ্য প্রকাশ করলে তার বিরুদ্ধে আইনিব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও হুশিয়ারি দিয়েছে ব্রিটিশ পুলিশ। এসব ঘটনার তদন্ত শুরু করছে স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: