বৃহস্পতিবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৩ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
বিএনপির বিরুদ্ধে গায়েবি মামলার প্রমাণ নেই : আমু  » «   অংশ্রহণমূলক নির্বাচনের জন্য সহযোগিতা করতে প্রস্তুত ইইউ  » «   কমলগঞ্জে ট্রাক চাপায় তরুণী নিহত,চালক পালাতক  » «   বি. চৌধুরীর চায়ের দাওয়াতে যাচ্ছে ন্যাপ–এনডিপি  » «   নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে জাতীয় নির্বাচনের তফসিল: ইসি সচিব  » «   ঈশ্বর, মৃত্যু-পরবর্তী জীবন ও স্বর্গ নিয়ে যা ভাবতেন স্টিফেন হকিং  » «   আইয়ুব বাচ্চুর মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শোক  » «   সাম্প্রদায়িক সম্প্রতির দৃষ্টান্ত: এক উঠোনে মসজিদ-মন্দির  » «   খাশোগি হত্যা: যুক্তরাষ্ট্রকে সাড়ে ৭ হাজার কোটি টাকা দিল সৌদি  » «   দুর্গাপূজা যেভাবে হলো হিন্দুদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব  » «   সিলেটে ফোনে কথা বলা অবস্থায় যুবকের হঠাৎ মৃত্যু  » «   ইরান কখনো পরমাণু বোমা বানাবে না: রুহানি  » «   সিলেটে সমাবেশের অনুমতি পেয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট  » «   বাংলাদেশে আরো সৌদি বিনিয়োগ চান প্রধানমন্ত্রী  » «   কানাডায় প্রকাশ্যে গাঁজা বিক্রি শুরু, ক্রেতাদের ভিড়  » «  

এরশাদের যেসব কাজ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে টিআইবি



নিউজ ডেস্ক::প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত হিসেবে নিয়োজিত জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। ২০১৪ সালের ১২ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় এরশাদকে।

গণমাধ্যমের তথ্যমতে, বিশেষ দূত হিসেবে প্রধান বিরোধী দল জাপার এই চেয়ারম্যানের দায়িত্ব ছিল আধুনিক মুসলিমপ্রধান গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি এবং দেশের শিক্ষা, সংস্কৃতি, অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও ঐতিহ্য বিশ্বদরবারে পৌঁছে দেওয়া। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে জনশক্তি রফতানির বাজার প্রসারে প্রভাবকের ভূমিকা পালন করা।

কিন্তু তার এই নিয়োগের সরকারি কোনও গেজেট প্রকাশ হয়নি এবং কোনও দাফতরিক নির্দেশনাও পাওয়া যায়নি বলে দাবি করেছে টিআইবি। এমনকি বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি, শিক্ষা, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য তুলে ধরার দায়িত্ব থাকলেও তিনি তা পালন করেননি বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

বৃহস্পতিবার (১৭ মে) টিআইবি কার্যালয়ে ‘পার্লামেন্ট ওয়াচ দশম জাতীয় সংসদ চতুর্দশ থেকে অষ্টাদশ অধিবেশন (জানুয়ারি-ডিসেম্বর ২০১৭)’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদনে এ দাবি করা হয়।

টিআইবির প্রতিবেদনে বলা হয়, দায়িত্বকালীন সময়ে তিনি বিশ্বের বিভিন্ন দেশ (চীন, ভারত, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ভুটান) সফর করলেও বিশেষ দূত হিসেবে দায়িত্ব পালনে ভূমিকা নিতে দেখা যায়নি সাবেক এই রাষ্ট্র প্রধানের।

একই সঙ্গে জাতীয় সংসদের অনিয়মিত সদস্যদের তালিকাতেও হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নাম অন্যতম বলে মন্তব্য করেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। বলেন, ‘জাতীয় সংসদে তিনি সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা খুব একটা না করলেও বাইরে বিশেষ করে দলীয় প্ল্যাটফর্মে কঠোর সমালোচনা করেন। এই সমালোচনা কতটুকু বাস্তব আর রাজনৈতিক সুবিধা অর্জনের জন্য সেটাও প্রশ্নের বিষয়।’

টিআইবি’র গবেষণা প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, দশম জাতীয় সংসদের মোট ১৮টি অধিবেশনের ৩২৭ কার্যদিবসে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত উপস্থিত ছিলেন ৭৯ কার্যদিবস। তার উপস্থিতি শতকরা ২৪ ভাগ। তিনি সংসদে প্রত্যাশিত ভূমিকা পালন করেননি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

গবেষণাটি উপস্থাপন করেন রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি বিভাগের ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার মোরশেদা আক্তার, নিহার রঞ্জন রায় ও অ্যাসিসট্যান্ট প্রোগ্রাম ম্যানেজার অমিত সরকার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন টিআইবির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান সুলতানা কামাল।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: