শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ আশ্বিন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
আফগানিস্তানে হাসপাতালে ভয়াবহ হামলা, নিহত ২০  » «   রাজনীতিতে যোগ দেবেন নুর, জানালেন দলের নাম  » «   নারায়ণগঞ্জে একই পরিবারের ৩ জনকে গলা কেটে হত্যা  » «   মোদিকে আকাশপথ ব্যবহারের অনুমতি দিলোনা পাকিস্তান  » «   ৮ ভোটে হেরে গেলেন ছাত্রদলের সেই শ্রাবণ  » «   সিলেটের ৬ জনসহ বদলি হলেন ৫৩ বিচারক  » «   ক্যাসিনোর টাকার ভাগ কে কে পেতেন, নাম বলছেন খালেদ  » «   অমর নায়ক সালমানের জন্মবার্ষিকী আজ  » «   ছাত্রদলের সভাপতি খোকন, সাধারণ সম্পাদক শ্যামল  » «   মাদরাসা ছাত্রীকে জিনে নিয়ে গেছে!  » «   রোহিঙ্গাদের এনআইডি বানিয়ে দিয়ে কোটিপতি!  » «   প্রধানমন্ত্রীর পদ হারাচ্ছেন নেতানিয়াহু!  » «   ৬০ নম্বরের পরীক্ষা দিয়ে হতে হবে ছাত্রলীগ নেতা  » «   মিয়ানমার তাদের লোকদের ফেরত নিতে রাজি হয়েছে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী  » «   রাজশাহীতে মা-ছেলে হত্যায় আ.লীগ নেতাসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড  » «  

এবার ঈদযাত্রায় সড়কে প্রাণ গেছে ১৪২ জনের



নিউজ ডেস্ক:: এবার ঈদযাত্রায় ৯৫টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১৪২ নিহত ও ৩২৪ জন আহত হয়েছেন।রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন সড়ক, মহাসড়ক ও আঞ্চলিক সড়কে ৩০ মে থেকে ৯ জুন পর্যন্ত এসব দুর্ঘটনা ঘটেছে।নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটি সোমবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিভিন্ন জাতীয় ও আঞ্চলিক পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ, অনলাইন নিউজ পোর্টাল, সংবাদ সংস্থা ও টেলিভিশন চ্যানেলগুলোতে প্রকাশিত সংবাদের ওপর ভিত্তি করে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।

সংস্থাটির প্রতিবেদনে বলা হয়, গত কয়েক বছরের তুলনায় এবারে ঈদের সময় সড়ক ও নৌপথে পরিবহন ব্যবস্থাপনা তুলনামূলক ভালো ছিল। প্রায় সব মহাসড়ক বড় ধরনের যানজটমুক্ত ছিল। ঘরমুখী মানুষজনকে উপকূলীয় জেলাগুলোতে নিয়ে যাওয়ার জন্য ঢাকায় পর্যাপ্ত লঞ্চ ছিল।

তবে ট্রেনের সময়সূচি বিপর্যয়ের কারণে যাত্রীরা এ খাত থেকে প্রত্যাশিত সেবা পাননি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। সেই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বাস ও লঞ্চের মাত্রাতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধ করতে পারেনি বলে জানায় নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটি।

তারা জানান, ৩০ মে সাতটি দুর্ঘটনায় ৯ জন নিহত ও আটজন আহত এবং ৩১ মে ছয়টি দুর্ঘটনায় ছয়জন নিহত ও সাতজন আহত হন। ১ জুন ১০ নিহত ও ৩১ জন আহত হন ১১টি দুর্ঘটনায়। ১৫ দুর্ঘটনায় ২ জুন ২৭ জন নিহত ও ৩৮ জন আহত হন। ৩ জুন সাত দুর্ঘটনায় কমপক্ষে ১৩ নিহত ও ১৪ জন আহত হন।

ঈদের আগের দিন ৪ জুন ছয় দুর্ঘটনায় ১৬ ও ৬২ জন যথাক্রমে নিহত ও আহত হন। ঈদের দিন ৫ জুন ২৬ নিহত ও ৭৮ জন আহত হন ১৬ দুর্ঘটনায়। ঈদের পর দিন ৬ জুন আটটি দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতের সংখ্যা যথাক্রমে ১১ ও ৩৩ জন।

৭ জুন ১১ নিহত এবং ১৮ জন আহত হন ছয় দুর্ঘটনায়। সাত দুর্ঘটনায় ৮ জুন আটজন নিহত ও ১১ জন আহত হন। আর ৯ জুন ছয় দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত হন যথাক্রমে পাঁচ ও ২৪ জন। নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক আশীষ কুমার দে বলেন, ঈদযাত্রায় দুর্ঘটনার জন্য তারা ছয়টি প্রধান কারণ চিহ্নিত করেছেন।

কারণগুলো হলো- বিভিন্ন ফেরিঘাট ও টোল স্টেশনে ব্যয় হওয়া সময় পুষিয়ে নিতে বেপরোয়া গাড়ি চালানো, ট্রাফিক পুলিশের উদাসীনতা, নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে যাত্রীদের তাগিদের কারণে চালকের অন্য মনস্কতা, অতিরিক্ত ট্রিপ দেয়ার কারণে চালকদের শারীরিক ও মানসিক অবসন্নতা, ওভারটেকিংয়ের সময় ট্রাফিক আইন অনুসরণ না করা এবং আঞ্চলিক সড়ক ও মহাসড়কে মোটরসাইকেল ও তিন চাকার যানবাহনের বেপরোয়া চলাচল।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: