বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ১৩ আষাঢ় ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
যেভাবে আরবদের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা হয়ে উঠেছেন এরদোগান  » «   উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় নার্সকে মেরে ফেলল বখাটে  » «   সড়কে নামাজ ঠেকাতে রাস্তায় বসে বিজেপির মন্ত্র পাঠ  » «   খুনির সঙ্গে রিফাতের স্ত্রী মিন্নির ‘সম্পর্কের তথ্য’ ফাঁস  » «   প্রাথমিকের শিক্ষক বদলির নীতিমালায় ফের পরিবর্তন।  » «   রিফাতের হত্যাকারীদের গ্রেফতারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর  » «   মুসলিম যুবককে হত্যার ঘটনায় উত্তাল ভারত, বিচারের আশ্বাস দিলেন মোদী  » «   টিম ইন্ডিয়ার কমলা জার্সি নিয়ে চলছে রাজনীতি  » «   ভারতীয় এমপির যে ভাষণে উত্তাল স্যোশাল মিডিয়া  » «   দুই প্রকৌশলীকে পেটালেন আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ নেতারা  » «   সিলেটে বিদেশী মদসহ ৪ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার  » «   রেল লাইন সংস্কারের দাবিতে শাহবাগে সিলেটি শিক্ষার্থীদের মানববন্ধবন  » «   আসামে নাগরিক তালিকা থেকে বাদ পড়লেন আরও এক লাখ  » «   বিশ্বনাথে ডাকাতের সঙ্গে গোলাগুলি, ৫ পুলিশ গুলিবিদ্ধ  » «   প্রাথমিকে চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকদের জন্য সুখবর  » «  

এবার ঈদযাত্রায় সড়কে প্রাণ গেছে ১৪২ জনের



নিউজ ডেস্ক:: এবার ঈদযাত্রায় ৯৫টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১৪২ নিহত ও ৩২৪ জন আহত হয়েছেন।রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন সড়ক, মহাসড়ক ও আঞ্চলিক সড়কে ৩০ মে থেকে ৯ জুন পর্যন্ত এসব দুর্ঘটনা ঘটেছে।নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটি সোমবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিভিন্ন জাতীয় ও আঞ্চলিক পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ, অনলাইন নিউজ পোর্টাল, সংবাদ সংস্থা ও টেলিভিশন চ্যানেলগুলোতে প্রকাশিত সংবাদের ওপর ভিত্তি করে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।

সংস্থাটির প্রতিবেদনে বলা হয়, গত কয়েক বছরের তুলনায় এবারে ঈদের সময় সড়ক ও নৌপথে পরিবহন ব্যবস্থাপনা তুলনামূলক ভালো ছিল। প্রায় সব মহাসড়ক বড় ধরনের যানজটমুক্ত ছিল। ঘরমুখী মানুষজনকে উপকূলীয় জেলাগুলোতে নিয়ে যাওয়ার জন্য ঢাকায় পর্যাপ্ত লঞ্চ ছিল।

তবে ট্রেনের সময়সূচি বিপর্যয়ের কারণে যাত্রীরা এ খাত থেকে প্রত্যাশিত সেবা পাননি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। সেই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বাস ও লঞ্চের মাত্রাতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধ করতে পারেনি বলে জানায় নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটি।

তারা জানান, ৩০ মে সাতটি দুর্ঘটনায় ৯ জন নিহত ও আটজন আহত এবং ৩১ মে ছয়টি দুর্ঘটনায় ছয়জন নিহত ও সাতজন আহত হন। ১ জুন ১০ নিহত ও ৩১ জন আহত হন ১১টি দুর্ঘটনায়। ১৫ দুর্ঘটনায় ২ জুন ২৭ জন নিহত ও ৩৮ জন আহত হন। ৩ জুন সাত দুর্ঘটনায় কমপক্ষে ১৩ নিহত ও ১৪ জন আহত হন।

ঈদের আগের দিন ৪ জুন ছয় দুর্ঘটনায় ১৬ ও ৬২ জন যথাক্রমে নিহত ও আহত হন। ঈদের দিন ৫ জুন ২৬ নিহত ও ৭৮ জন আহত হন ১৬ দুর্ঘটনায়। ঈদের পর দিন ৬ জুন আটটি দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতের সংখ্যা যথাক্রমে ১১ ও ৩৩ জন।

৭ জুন ১১ নিহত এবং ১৮ জন আহত হন ছয় দুর্ঘটনায়। সাত দুর্ঘটনায় ৮ জুন আটজন নিহত ও ১১ জন আহত হন। আর ৯ জুন ছয় দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত হন যথাক্রমে পাঁচ ও ২৪ জন। নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক আশীষ কুমার দে বলেন, ঈদযাত্রায় দুর্ঘটনার জন্য তারা ছয়টি প্রধান কারণ চিহ্নিত করেছেন।

কারণগুলো হলো- বিভিন্ন ফেরিঘাট ও টোল স্টেশনে ব্যয় হওয়া সময় পুষিয়ে নিতে বেপরোয়া গাড়ি চালানো, ট্রাফিক পুলিশের উদাসীনতা, নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে যাত্রীদের তাগিদের কারণে চালকের অন্য মনস্কতা, অতিরিক্ত ট্রিপ দেয়ার কারণে চালকদের শারীরিক ও মানসিক অবসন্নতা, ওভারটেকিংয়ের সময় ট্রাফিক আইন অনুসরণ না করা এবং আঞ্চলিক সড়ক ও মহাসড়কে মোটরসাইকেল ও তিন চাকার যানবাহনের বেপরোয়া চলাচল।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: