মঙ্গলবার, ২০ অগাস্ট ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ ভাদ্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
পানি বণ্টনের নতুন ফর্মুলা খুঁজছে বাংলাদেশ-ভারত: জয়শঙ্কর  » «   শেখ হাসিনার ছাত্রলীগে জামায়াতি আঁচড়!  » «   অবশেষে ক্ষমা চাইলেন জাকির নায়েক  » «   অপরাধীদের শাস্তি দ্রুত নিশ্চিত না করায় ধর্ষণ বাড়ছে: হাইকোর্ট  » «   সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে ‘স্পিড গান’  » «   কমলাপুর রেলওভার ব্রিজের ত্রুটির চিত্র তুলে ধরলেন ব্যারিস্টার সুমন  » «   জিন্দাবাজারে মিললো ২টি গোখরাসহ ৬ বিষধর সাপ  » «   কাশ্মীর ইস্যুতে আলোচনায় বসছেন ট্রাম্প- মোদী!  » «   মাত্র ১০০ মিটার দূরেই শত্রু  » «   অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে থাকবে সরকার: কাদের  » «   থানায় ‘গণধর্ষণের’ শিকার সেই নারীর জামিন নামঞ্জুর  » «   মিন্নির স্বীকারোক্তির আগে নাকি পরে এসপির ব্রিফিং : হাইকোর্ট  » «   প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের দুপুরের খাবারে মন্ত্রিসভার সায়  » «   নবম ওয়েজবোর্ডের গেজেট প্রকাশ নিয়ে আপিল বিভাগের সিদ্ধান্ত মঙ্গলবার  » «   পাঁচভাই রেস্টুরেন্টে প্রবাসীর ওপর হামলা: দুই ছাত্রলীগ কর্মী গ্রেপ্তার  » «  

এক জঙ্গির লাশের ছবি দেখে বাবা বললেন, ‘ছেলে আমারই’



full_817622520_1472373675নিউজ ডেস্ক: গতকাল শনিবার নারায়ণগঞ্জে জঙ্গিবিরোধী অভিযান হয়। অভিযান শেষে পুলিশ জানায়, তিন জঙ্গি নিহত হয়েছেন। তাঁদের একজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কানাডার নাগরিক তামিম চৌধুরী। তিনিই গুলশানে হামলার সমন্বয়ক বা মাস্টারমাইন্ড।

নিহত বাকি দুই জঙ্গির পরিচয় আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি পুলিশ। নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মঈনুল হক আজ এক ব্রিফিংয়ে বলেন, তামিম ছাড়া নিহত বাকি দুই জঙ্গির পূর্ণাঙ্গ পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তাদের ব্যাপারে বিভিন্ন তথ্য আসছে। কিন্তু এসব তথ্যের বিষয়ে পুলিশ নিশ্চিত নয়।

তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সূত্র জানায়, বাকি দুই জঙ্গি হলেন তাওসিফ হোসেন ও ফজলে রাব্বি। তাওসিফের বাসা ঢাকার ধানমন্ডিতে। গ্রামের বাড়ি রাজশাহীর বোয়ালিয়া থানার রামচন্দ্রপুরে। রাব্বির বাড়ি যশোর সদর উপজেলার কিসমত নোয়াপাড়ায়।

এদিকে যশোরে নারায়ণগঞ্জে জঙ্গিবিরোধী অভিযানে নিহত একজনের ছবি দেখে তাকে নিজের ছেলে বলে দাবি করেছেন যশোর সদর উপজেলার কাজী হাবিবুল্লাহ। তার বাড়ি সদর উপজেলার কিসমত নোয়াপাড়া গ্রামে। আজ রোববার সকালে নিজ বাড়িতে সাংবাদিকদের কাছ থেকে ছবি দেখে হাবিবুল্লাহ তার ছেলেকে শনাক্ত করেন।

হাবিবুল্লাহ সাংবাদিকদের বলেন, ‘ছবিতে যাকে দেখা যাচ্ছে, সে আমারই ছেলে। আমরা লাশ নিতে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করব।’ হাবিবুল্লাহ জানান, আজ সকালে গোয়েন্দা সংস্থার দুজন কর্মকর্তা তার বাড়িতে এসেছিলেন। তারা বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে চলে গেছেন।

নারায়ণগঞ্জে নিহত জঙ্গিদের মধ্যে কিসমত নোয়াপাড়ার রাব্বি আছেন কি না—এমন প্রশ্নে যশোরের সহকারী পুলিশ সুপার ভাস্কর সাহা বলেন, ‘আমরা এখনো শতভাগ নিশ্চিত নই। তবে আমাদের কাছে যে ধরনের তথ্য আছে, তাতে সে রকমই মনে হচ্ছে।’

নোয়াপাড়ার রাব্বি যশোরের এমএম কলেজের পদার্থবিজ্ঞানের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন বলে পরিবারের ভাষ্য। গত এপ্রিল থেকে নিখোঁজ ছিলেন তিনি।

পরিবারের দাবি, নিখোঁজ হওয়ার আগে রাব্বি তার ভর্তি বাতিল করে কলেজ থেকে সব কাগজপত্র তুলে নেন। এ বিষয়ে রাব্বির বাবা হাবিবুল্লাহ গত ৭ এপ্রিল যশোরের কোতোয়ালি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। রাব্বির নিখোঁজের বিষয়ে পত্রিকায় বিজ্ঞাপনও দেওয়া হয়।

স্বজনদের ভাষ্য, গত ৫ এপ্রিল সকালে কলেজে যাওয়ার কথা বলে রাব্বি বাড়ি থেকে বের হন। এ সময় তার পিঠে একটি ঝোলানো ব্যাগ ছিল। ব্যাগে জামা-কাপড় ছিল। এরপর আর বাড়ি ফেরেননি তিনি।

কিসমত নোয়াপাড়ার কয়েকজন বাসিন্দার ভাষ্য, রাব্বি এলাকার কারও সঙ্গে তেমন মিশতেন না। শুধু স্থানীয় একটি মসজিদের ইমামের সঙ্গে তার ভাব-সখ্য ছিল।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: