সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ২৯ আশ্বিন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
যুবলীগের পদ বেচে ঢাকায় ৪৬ ফ্ল্যাট-দোকানের মালিক ‘ক্যাশিয়ার আনিস’  » «   বরফ গলছে সৌদি-ইরানের, নেপথ্যে ইমরান খান  » «   ক্যাসিনো পঞ্চপাণ্ডবের রইল বাকি ১  » «   পুলিশের ওপর হামলা: দুই ‘জঙ্গি’ আটক  » «   সিলেট-জকিগঞ্জ সড়কে চালকদের প্রতিযোগিতায় যাত্রীবাহী বাস খাদে, আহত ৭  » «   ইনস্টাগ্রামে ট্রাম্প-ওবামাকে পেছনে ফেললেন মোদি!  » «   একটি মোবাইল চার্জারের দাম ২২ হাজার টাকা  » «   বেতন বৈষম্য: কর্মবিরতিতে সাড়ে ৩ লাখ শিক্ষক  » «   আবরার হত্যা: শেষ চার ঘণ্টার নৃশংসতার চিত্র  » «   সংবিধান পড়ে শোনালেন আমান, পুলিশ বলল ‘গো ব্যাক’  » «   বুয়েটে ভর্তি পরীক্ষা শুরু  » «   আবরার হত্যায় এবার মুজাহিদের স্বীকারোক্তি  » «   তিন সপ্তাহ ধরে কার্যালয়ে যান না যুবলীগ চেয়ারম্যান  » «   নোবেল পুরস্কার র‌্যাব-পুলিশের হাতে নয় : রিজভী  » «   বুরকিনা ফাসোতে মসজিদে ঢুকে ১৬ মুসল্লিকে গুলি করে হত্যা  » «  

এক জঙ্গির লাশের ছবি দেখে বাবা বললেন, ‘ছেলে আমারই’



full_817622520_1472373675নিউজ ডেস্ক: গতকাল শনিবার নারায়ণগঞ্জে জঙ্গিবিরোধী অভিযান হয়। অভিযান শেষে পুলিশ জানায়, তিন জঙ্গি নিহত হয়েছেন। তাঁদের একজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কানাডার নাগরিক তামিম চৌধুরী। তিনিই গুলশানে হামলার সমন্বয়ক বা মাস্টারমাইন্ড।

নিহত বাকি দুই জঙ্গির পরিচয় আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি পুলিশ। নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মঈনুল হক আজ এক ব্রিফিংয়ে বলেন, তামিম ছাড়া নিহত বাকি দুই জঙ্গির পূর্ণাঙ্গ পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তাদের ব্যাপারে বিভিন্ন তথ্য আসছে। কিন্তু এসব তথ্যের বিষয়ে পুলিশ নিশ্চিত নয়।

তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সূত্র জানায়, বাকি দুই জঙ্গি হলেন তাওসিফ হোসেন ও ফজলে রাব্বি। তাওসিফের বাসা ঢাকার ধানমন্ডিতে। গ্রামের বাড়ি রাজশাহীর বোয়ালিয়া থানার রামচন্দ্রপুরে। রাব্বির বাড়ি যশোর সদর উপজেলার কিসমত নোয়াপাড়ায়।

এদিকে যশোরে নারায়ণগঞ্জে জঙ্গিবিরোধী অভিযানে নিহত একজনের ছবি দেখে তাকে নিজের ছেলে বলে দাবি করেছেন যশোর সদর উপজেলার কাজী হাবিবুল্লাহ। তার বাড়ি সদর উপজেলার কিসমত নোয়াপাড়া গ্রামে। আজ রোববার সকালে নিজ বাড়িতে সাংবাদিকদের কাছ থেকে ছবি দেখে হাবিবুল্লাহ তার ছেলেকে শনাক্ত করেন।

হাবিবুল্লাহ সাংবাদিকদের বলেন, ‘ছবিতে যাকে দেখা যাচ্ছে, সে আমারই ছেলে। আমরা লাশ নিতে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করব।’ হাবিবুল্লাহ জানান, আজ সকালে গোয়েন্দা সংস্থার দুজন কর্মকর্তা তার বাড়িতে এসেছিলেন। তারা বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে চলে গেছেন।

নারায়ণগঞ্জে নিহত জঙ্গিদের মধ্যে কিসমত নোয়াপাড়ার রাব্বি আছেন কি না—এমন প্রশ্নে যশোরের সহকারী পুলিশ সুপার ভাস্কর সাহা বলেন, ‘আমরা এখনো শতভাগ নিশ্চিত নই। তবে আমাদের কাছে যে ধরনের তথ্য আছে, তাতে সে রকমই মনে হচ্ছে।’

নোয়াপাড়ার রাব্বি যশোরের এমএম কলেজের পদার্থবিজ্ঞানের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন বলে পরিবারের ভাষ্য। গত এপ্রিল থেকে নিখোঁজ ছিলেন তিনি।

পরিবারের দাবি, নিখোঁজ হওয়ার আগে রাব্বি তার ভর্তি বাতিল করে কলেজ থেকে সব কাগজপত্র তুলে নেন। এ বিষয়ে রাব্বির বাবা হাবিবুল্লাহ গত ৭ এপ্রিল যশোরের কোতোয়ালি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। রাব্বির নিখোঁজের বিষয়ে পত্রিকায় বিজ্ঞাপনও দেওয়া হয়।

স্বজনদের ভাষ্য, গত ৫ এপ্রিল সকালে কলেজে যাওয়ার কথা বলে রাব্বি বাড়ি থেকে বের হন। এ সময় তার পিঠে একটি ঝোলানো ব্যাগ ছিল। ব্যাগে জামা-কাপড় ছিল। এরপর আর বাড়ি ফেরেননি তিনি।

কিসমত নোয়াপাড়ার কয়েকজন বাসিন্দার ভাষ্য, রাব্বি এলাকার কারও সঙ্গে তেমন মিশতেন না। শুধু স্থানীয় একটি মসজিদের ইমামের সঙ্গে তার ভাব-সখ্য ছিল।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: