মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ১৩ ফাল্গুন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
দিল্লির বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক সংঘর্ষে চার জন নিহত ও ৫০ জন আহত  » «   পুলিশের কব্জায় অটোরিকশা, মায়ের ক্যান্সার চিকিৎসায় শেষ সম্বলও বিক্রি  » «   ১০ লাখ শিক্ষার্থী পাবে ২৯২ কোটি টাকা  » «   ৩৪০০ টাকার পাসপোর্ট ফি ৫২০০ টাকা চেয়ে দুদকের হাতে ধরা  » «   কিশোরগঞ্জে ভাবিকে হত্যার দায়ে দেবরের মৃত্যুদণ্ড  » «   ক্ষমতাসীনরা দেশকে অন্ধকারের দিকে নিয়ে যাচ্ছে  » «   চট্টগ্রামে শিশু গৃহকর্মীর রহস্যজনক মৃত্যু  » «   মামলা তুলে না নেয়ায় স্ত্রীকে মেরেই ফেললেন স্বামী  » «   ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদে চাকরি, চার পুলিশ সদস্য কারাগারে  » «   করোনাভাইরাস : জাপানি প্রমোদতরীর আরও এক যাত্রীর মৃত্যু  » «   বঙ্গবন্ধু উপাধির ৫১ বছর  » «   ঢাকা-সিলেট ৬ লেনে এডিবির অর্থ ফেরত যাওয়ার শঙ্কা  » «   বাঈজী সরদারনি যুব মহিলালীগ নেত্রী পাপিয়ার উত্থান যেভাবে  » «   কী আছে পাপিয়ার ভিডিও ক্লিপে?  » «   ইতালিতে করোনায় আক্রান্ত ৭৯  » «  

উইঘুর নির্যাতন: কালো তালিকায় চীনের ২৮ সংস্থা



আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: চীনের জিনজিয়াং প্রদেশে মুসলিম সংখ্যালঘু উইঘুরদের ওপর নিপীড়নে জড়িত থাকার অভিযোগে দেশটির ২৮টি সংস্থাকে কালো তালিকাভুক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এসব সংস্থাগুলোকে তথাকথিত ‘এনটিটি লিস্টে’ ফেলা হয়েছে। ফলে ওয়াশিংটনের অনুমতি ছাড়া তারা কোনও মার্কিন কোম্পানির কাছ থেকে পণ্য কিনতে পারবে না। তবে মার্কিন এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া জানায়নি চীন।

যে ২৮ সংস্থাকে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে সেগুলোর মধ্যে সরকারি এবং প্রযুক্তি সংস্থা বিশেষ করে নজরদারি ইক্যুপমেন্ট সরবরাহকারী কোম্পানিগুলোও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র এবারই প্রথম চীনা প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে এমন নয়, এর আগেও ট্রাম্প প্রশাসন চীনা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ওপর বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল।

মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে,বেইজিং অনেকদিন ধরেই মুসলিম সংখ্যালঘু গোষ্ঠী উইঘুরদের ওপর নিপীড়ন চালাচ্ছে এবং অনেককে আটককেন্দ্রে বন্দি করে রাখা হয়েছে। যদিও চীন এগুলোকে ‘উন্মুক্ত প্রশিক্ষণ কেন্দ্র’হিসাবে উল্লেখ করে থাকে, যা উগ্রবাদ মোকাবেলায় পরিচালিত হয়।

সোমবার মার্কিন বাণিজ্য দফতর প্রকাশিত নথিতে বলা হয়, এই ২৮টি প্রতিষ্ঠান চীনের নিপীড়নের সঙ্গে জড়িত ছিলো। উইঘুর, কাজাখসহ অন্যান্য মুসলিম সংখ্যালঘুদের ওপর নজরদারি ও নিপীড়নে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের এই প্রতিষ্ঠানগুলো সহায়তা করেছিল।

প্রসঙ্গত, জিনজিয়াং প্রদেশের জনসংখ্যার ৪৫ শতাংশ উইঘুর মুসলিম। এই প্রদেশটি তিব্বতের মত স্বশাসিত একটি অঞ্চল। বিদেশি মিডিয়ার ওপর এখানে প্রবেশের ব্যাপারে কঠোর বিধিনিষেধ রয়েছে। কিন্তু গত বেশ কয়েক ধরে বিভিন্ন সূত্রে খবর আসছে যে, সেখানে বসবাসরত উইঘুরসহ ইসলাম ধর্মাবলম্বীরা ব্যাপক হারে আটকের শিকার হচ্ছে।

সূত্র: বিবিসি

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: