শনিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৪ ফাল্গুন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
সুস্থ থাকলে শেখ হাসিনার বিকল্প দরকার নেই  » «   নন্দলালের ভূমিকায় অবতীর্ণ হবেন না: ইসি রফিকুল  » «   এমপি হিসেবে শপথ নিলেন সৈয়দ আশরাফের বোন ডা. জাকিয়া  » «   রোহিঙ্গাদের নৃশংসতার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান মিয়ানমার সেনাপ্রধানের!  » «   যেসব শর্তে আত্মসমর্পণ করছেন ১০২ ইয়াবা ব্যবসায়ী  » «   নাসা আ্যপস চ্যালেঞ্জে বিশ্বসেরা শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়  » «   বাংলা একাডেমিতে আল মাহমুদের মরদেহ, শ্রদ্ধা নিবেদন  » «   আখেরি মোনাজাতের মধ্যদিয়ে জোবায়ের অনুসারীদের ইজতেমা শেষ  » «   যেভাবে ভারতীয় সেনাবহরে হামলা চালায় জঙ্গিরা  » «   রোহিঙ্গা নিপীড়ন তদন্তে মার্চে বাংলাদেশ আসছে আইসিসি প্রতিনিধিদল  » «   ব্যাটিং ব্যর্থতায় সিরিজ হার বাংলাদেশের  » «   যুক্তরাষ্ট্রে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করলেন ট্রাম্প  » «   টেকনাফে ইয়াবা কারবারিদের আত্মসমর্পণ আজ  » «   বিশ্ব ইজতেমা: প্রথম পর্বের আখেরি মোনাজাত আজ  » «   ৩৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে সিমেন্সের সঙ্গে চুক্তি  » «  

ইয়াবা সেবনের অভিযোগে এএসআই সুজন ক্লোজড



নিউজ ডেস্ক::চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার জামজামি পুলিশ ফাঁড়ির টুআইসি সুজনকে ক্লোজড করা হয়েছে। শনিবার (৯ জুন) রাত ১০টার দিকে নির্ধারিত ডিউটি না করে পার্শ্ববর্তী কুষ্টিয়া জেলার ইবি থানার নৃসংহপুর গ্রামের চিহ্নিত মাদকব্যবসায়ী জয়ের ডেরায় যান। জয়ের কাছ থেকে ১১ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট নেন। এসময় মূল্য পরিশোধ করা নিয়ে বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়েন টুআইসি সুজন।

বিষয়টি জানাজানি হলে আশপাশের মানুষ ঘটনাস্থলে ভিড় জমায়। সে সময় এএসআই সুজন গ্রামবাসীর সাথেও বিতন্ডায় জড়ান। এসময় উত্তেজিত গ্রামবাসীর তোপের মুখে পড়েন তিনি। গ্রামবাসীর কাছ থেকে সংবাদ পেয়ে ইবি থানার মনোহরদিয়া পুলিশ ফাঁড়ির আইসি ও টুআইসি ঘটনাস্থলে ছুটে যান।

তারা এএসআই সুজনকে ওই অবস্থায় দেখে জামজামি ফাঁড়ির আইসি এসআই অচিন্ত্যের নিকট খবর দেন। এসআই অচিন্ত্য সবকিছু জ্ঞাত হয়ে বিষয়টি আলমডাঙ্গা থানার ওসিকে অবহিত করেন।

আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু জিহাদ বিষয়টি জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানান। পরে অভিযুক্ত এএসআই সুজনকে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ লাইনে ক্লোজড করা হয়।

মনোহরদিয়া ফাঁড়ি পুলিশের টুআইসি আশিক বলেন, বর্তমানে সারাদেশে মাদকের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক অভিযান চলছে। এমন পরিস্থিতিতে যদি খোদ পুলিশের বিরুদ্ধেই মাদক সেবনের অভিযোগ ওঠে তাহলে আমাদের কাজ করা কঠিন হবে। বিষয়টি সে কারণে জামজামির আইসিকে অবহিত করেছি।

জামজামি ফাঁড়ি পুলিশের আইসি অচিন্ত্য’র নিকট এ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি তথ্য দিতে অপারগতা প্রকাশ করে জানান, আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জের নির্দেশে টু আইসি এএসআই সুজনকে রাত সাড়ে ১০টার দিকে সিসি দিয়ে দিয়েছি।

জামজামির যুবলীগ নেতা রিপন শাহ বলেন, রাতে জানতে পেরেছেন যে এএসআই সুজন ১১ পিস ইয়াবা কিনে দাম দেয়ার সময় মাদকব্যবসায়ী জয়ের সাথে বাকবিতন্ডায় লিপ্ত হয়। সে সময় গ্রামবাসী ছুটে গেলে তাদের সাথেও এএসআই সুজনের ঝামেলা হয়। বিষয়টি জানতে পেরে পুলিশ সুপার তাকে ক্লোজড করে নিয়েছে।

রিপন শাহ আরও জানায়, টুআইসি সুজন শুধু মাদকসেবীই না, এলাকার মাদকসেবীদের গ্রেফতারের পরিবর্তে সে তাদের নিকট থেকে উৎকোচ নিতেন। নারায়নপুর আবাসনের মাদকাসক্ত সনো, লালন, বাটু ফকির, আশির উদ্দীনের নিকট থেকে গ্রেফতারের ভয় দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন। জামজামির চাল ব্যবসায়ী রাজ্জাকের ব্যাগে গাঁজা দিয়ে তার নিকট থেকে ৪০ হাজার টাকা নিয়েছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।

আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ আবু জিহাদ খান জানান, এএসআই সুজনের বিরুদ্ধে নানা ধরনের অভিযোগ ওঠায় তাকে ক্লোজড করে নেয়া হয়েছে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: