মঙ্গলবার, ২২ মে ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
কক্সবাজার শরণার্থী শিবির পরিদর্শনরোহিঙ্গাদের নিয়ে প্রিয়াঙ্কার আবেগঘন স্ট্যাটাস  » «   যেভাবে ফ্রিজে খাবার রাখবেন!  » «   আইপিএলের ‘ব্যর্থ একাদশ’  » «   নির্যাতন থেকে বাঁচতে থানার ছাদ থেকে যুবকের লাফ!  » «   ‘মৎসকন্যা’ আর বাঁচল না!  » «   একাদশ সংসদ নির্বাচনইফতার পার্টি থেকেই শুরু ভোটের রাজনীতি  » «   দুই মামলায় জামিন চেয়ে খালেদা জিয়ার আবেদন  » «   বাপ-ছেলে মিলে তরুনীকে যৌন নির্যাতন  » «   রাজীবের ক্ষতিপূরণ দেয়ার আদেশ আপিল বিভাগে স্থগিত  » «   রোজা নিয়ে ৬টি ভুল ধারণা  » «   ‘সে যে এত বড় প্রতারক, তা আমার জানা ছিল না’  » «   ছাত্রের সঙ্গে শিক্ষিকার অন্তরঙ্গ ছবি, ফেসবুকে তোলপাড়!  » «   বিশ্বকাপ সরাসরি দেখাবে যেসব টিভি চ্যানেল  » «   নিজের ঘরের মাদক ব্যবসায়ীদের ধরুন  » «   সেলিমা রহমানসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি  » «  

ইসলামী দাওয়াতের প্রয়োজনীয়তা কেন?



ইসলাম ডেস্ক::মহান আল্লাহর একমাত্র মনোনিত জীবনব্যবস্থার নাম হল ইসলাম। ইসলাম প্রচার-প্রসার ও প্রতিষ্ঠিত করার অন্যতম মাধ্যম হলো দাওয়াত। পথহারা বিশ্বমানবতাকে সঠিক পথের সন্ধান দেয়ার জন্য দাওয়াতের বিকল্প নেই। যুগে যুগে নবী-রাসূলগণ দাওয়াতের বাণী নিয়েই প্রেরিত হয়েছিলেন। তাই বর্তমান যুগে শেষ নবী মুহাম্মাদ (সা.)-এর উম্মতের জন্য দাওয়াতি কাজ করা অপরিহার্য। আর দাওয়াতি কাজ করার মাধ্যমেই মহান আল্লাহর সন্তুস্টি লাভ করা সম্ভব।

ইসলামী দাওয়াহ মূলত আল্লাহর পক্ষ থেকে সত্য গ্রহণের আহ্বান। কুরআন মাজীদে তিনি মানবজাতিকে এ আহবান জানিয়েছেন। তিনি বলেন-মুশরিক নারী ও পুরুষ তোমাদেরকে জাহান্নামের দিকে ডাকে আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তোমাদেরকে জান্নাত ও ক্ষমার প্রতি আহবান করেন। তিনি মানুষের জন্য তাঁর বিধানসমুহ সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করেন, যেন তারা তা স্মরণ রাখে ও মেনে চলে। (সূরা বাকারা: ২২১)

ইসলামী দাওয়াত একটি ফরয কাজ। কুরআন মাজীদে আল্লাহ এই ফরযিয়াতের কথা ঘোষণা করেছেন-তোমরা হলে শ্রেষ্ট উম্মত, মানুষের কল্যাণের জন্য তোমাদের আবির্ভাব হয়েছে; তোমরা ভাল কাজের আদেশ দেও, মন্দ কাজের নিষেধ কর এবং আল্লাহর প্রতি ঈমান রাখ। (সূরা আলে ইমরান: ১১০)

সৃষ্টিকর্তার মানব সৃষ্ঠির উদ্দেশ্য জানানো: মহান প্রভুর মানব সৃস্টির পিছনে যে উদ্দেশ্য নিহিত রয়েছে তার সম্পর্কে মানব সমাজকে জানাতে দাওয়াতের প্রয়োজন অত্যাবশ্যক।

হযরত আদম (আ:) থেকে শুরু করে শেষ নবী মুহাম্মাদ (সা.) পর্য়ন্ত যত নবী রাসূল এই পৃথীবিতে আগমন করেছেন সকলেই এই দাওয়াতি কাজ করেছেন। এই সর্ম্পকে পবিত্র কুরআনে বলা হয়: অবশ্যই আমি আপনাকে সত্য দ্বীন (দাওয়াহ) সহ পাঠিয়েছি আযাবের ভীতি প্রদর্শনকারী ও (জান্নাতের)সুসংবাদবাহী হিসাবে এবং দোযখের অধিবাসী সম্পর্কে আপনি জিজ্ঞাসিত হবেন না।(সুরা বাকারা: ১১৯)

এই দাওয়াতি কাজ নবী রাসূলরা করেছেন, ছাহাবিরা করেছেন, তাবে-তাবিয়ীনরা করেছেন, আউলিয়ারা করেছেন, পির-পয়গাম্বারা করেছেন-এবং এখনো করা হচ্ছে বিভিন্ন মাধ্যমে। যেমন লেখালেখির মাধ্যমে, ওয়াজ-নসিয়াত এর মাধ্যমে রেডিও-টিভির মাধ্যমে।

আল্লাহ কুরআনে বলেন আমার আনুগত্য কর, রাসূলের আনুগত্য কর, মদ, জুয়ার ধ্বংসকারীতা থেকে সতর্ক ধাকো, আর তোমরা যদি (রাসুলের নির্দেশনা থেকে) মুখ ফিরিয়ে নাও, তাহলে জেনে রেখো আমার রাসূলের দায়িত্ব হচ্ছে সুস্পষ্টভাবে (আমার কথাগুলো)পৌঁছে দেয়া। (সুরা মায়িদা:৯২)

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: