সোমবার, ১৮ মার্চ ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৪ চৈত্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
একতরফা নির্বাচন গণতন্ত্রের জন্য অশনিসংকেত: মাহবুব তালুকদার  » «   উপজেলা নির্বাচন: দ্বিতীয় ধাপের ভোট গ্রহণ শেষ, চলছে গণনা  » «   পুলিশ কেন জনগণের বন্ধু নয়?  » «   ভোটার শূন্য ভোটকেন্দ্রে, দোল খাচ্ছেন নিরাপত্তা কর্মীরা  » «   অসুস্থতার কারণে খালেদা জিয়ার গ্যাটকো মামলার শুনানি পিছিয়েছে  » «   বাংলা ভাষার বঙ্গবন্ধু’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী  » «   চাঁদপুরের ৫০০ বছরের পুরনো মসজিদ সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত  » «   কাঙালের ধন চুরি…  » «   সুপ্রিম কোর্টের ১৩ দিনের অবকাশ শুরু  » «   গোলাপগঞ্জের একটি কক্ষে সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ভোট পড়েনি একটিও!  » «   সৌদি এয়ারলাইনসের দুই নারী ক্রুর অন্তর্বাসে মিলল সোনার বার  » «   উপজেলা নির্বাচন: ৪ ঘন্টায় ভোট পড়েছে মাত্র ৬টি!  » «   উপজেলা নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকালে প্রিসাইডিং কর্মকর্তার মৃত্যু  » «   হাসিনাকে ট্রুডোর ফোন, জানালেন নিন্দা-শোক  » «   উপজেলা নির্বাচন: বেলা বাড়ার সাথে বাড়ছে সিলেটে ভোটারদের উপস্থিতি  » «  

ইরানের সঙ্গে বৈঠকে বসতে প্রস্তুত ট্রাম্প



আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: কোনো রকম পূর্বশর্ত ছাড়াই ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানির সঙ্গে বৈঠকের প্রস্তাব দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।সোমবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই প্রস্তাব দেন ট্রাম্প।তিনি বলেন,‘আমি যে কারও সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারি।আমি আলোচনায় বিশ্বাস করি।যদি তারা দেখা করতে চায়,আমরাও দেখা করবো।’সোমবার (৩০ জুলাই) হোয়াইট হাউজে সাংবাদিকদের দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এ কথা বলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

এমাসের শুরুতে ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রোহানি আর ডোনাল্ড ট্রাম্পের উত্তপ্ত মন্তব্য বিনিময়ের পর ট্রাম্পের এই বন্ধুত্বপূর্ণ মনোভাব প্রকাশিত হলো।গত মে মাসে ইরান ও ৬ জাতির সঙ্গে স্বাক্ষরিত পরমাণু চুক্তি থেকে সরে আসে যুক্তরাষ্ট্র।ওই চুক্তিতে ইরানের পারমাণবিক কর্মকাণ্ড হ্রাস করার বিনিময়ে দেশটির বিরুদ্ধে আরোপিতি একাধিক অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার প্রস্তাব ছিল।

২০১৫ সালে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার উদ্যোগে ওই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।কিন্তু ক্ষমতায় আসার পর থেকেই চুক্তি থেকে সরে আসার হুমকি দিচ্ছিলেন ট্রাম্প।পরে মে মাসে চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী দেশ যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, চীন, রাশিয়া ও জার্মানির আপত্তি সত্তেও তা থেকে বেরিয়ে আসে মার্কিন প্রসাশন।এরপর তেহরানের বিরুদ্ধে আবারো অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে যাচ্ছে বলেও ঘোষনা দিয়েছে ওয়াশিংটন।

এই পরিস্থিতির মধ্যেই আকস্মিকভাবে প্রেসেডিন্ট রুহানির সঙ্গে বৈঠকের কথা জানালেন ট্রাম্প।সোমবার তিনি বলেন,‘তারা (ইরান) যদি বৈঠক করতে চায়, আমরাও বৈঠক করবো।’ট্রাম্পের এই বক্তব্যের জবাবে প্রেসিডেন্ট রোহানির উপদেষ্টা হামিদ আবুতালেবি টুইটে মন্তব্য করেছেন ‘পরমাণূ চুক্তিতে ফিরে আসা’ এবং ‘ইরান রাষ্ট্রের অধিকার সমূহকে সম্মান’ জানালে আলোচনার পথ সুগম হবে।

এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হলে ১৯৭৯ সালের ইরান বিপ্লবের পর এই প্রথম কোনো মার্কিন ও ইরানি শীর্ষ নেতা আলোচনায় বসবেন।এর আগে বেশ কিছুদিন ধরেই রোহানি ও ট্রাম্পর মধ্যে উত্তপ্ত বাক বিনিময় চলছিল। তারা পরস্পরকে ধ্বংস করারও হুমকি দিয়েছিলেন। আগে যেমনটা হয়েছিল উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং উনের সঙ্গে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের।

গত সপ্তাহেই ইরানের সাথে যুদ্ধে জড়ানোর পরিণতি ভয়াবহ হবে বলে ট্রাম্পকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন রুহানি। জবাবে এক টুইটবার্তায় ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে যুদ্ধে জড়ালে ইরানকে এমন পরিণতি ভোগ করতে হবে যা আগে কখনো কাউকে করতে হয়নি।

এদিকে রোহানির সঙ্গে বৈঠকে বসার যে প্রস্তাব দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, তাকে স্বাগত জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও।তবে তিনি বলেন, ইরানের সাথে কোনো ‘নতুন চুক্তি’ হতে হলে মার্কিন শর্ত মেনে নিতে হবে তেহরান সরকারকে।আর যুক্তরাষ্ট্রের সেই ১২ শর্তের অন্যতম হচ্ছে: সিরিয়া থেকে সেনা প্রত্যাহার ও ইয়েমেনের বিদ্রোহীদের সমর্থন বন্ধ করা।

সূত্র: বিবিসি

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: