রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ১১ ফাল্গুন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
ওয়াসার পানির দাম বাড়ানোর প্রস্তাব, ক্ষুব্ধ নগরবাসী  » «   শহীদের সঙ্গে প্রেম ভাঙলো কার দোষে? মুখ খুললেন কারিনা  » «   বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা পেল সখীপুরের ২ হাজারের বেশি মানুষ  » «   সিরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের বড় অস্ত্রের চালান নিখোঁজ  » «   মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে প্রবেশকালে আটক ৪  » «   হামলাকারীকে ক্ষমা করে দিলেন লন্ডনের সেই মুয়াজ্জিন  » «   ঋণখেলাপিদের অর্থ কোথায় যায়  » «   ভাষা দিবসে কলাগাছের শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা  » «   এক হাজার কোটি টাকা দিতে রাজি জিপি  » «   সেই জার্মান বন্দুকধারীর হিটলিস্টে বাংলাদেশিরা  » «   আরব আমিরাতে করোনাভাইরাসে বাংলাদেশি আক্রান্ত  » «   আগুনে ১০ ঘর পুড়ে ছাই  » «   ঈশ্বরদীতে বাস-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২  » «   চট্টগ্রামে ১৪ হাজার ইয়াবাসহ সেনাসদস্য আটক  » «   ভারতে দুই স্বর্ণখনির সন্ধান, মজুত ৩৩৫০ টন  » «  

ইরাকে কারফিউ উপেক্ষা করে বিক্ষোভ, নিহত ৬৫



আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: কারফিউ উপেক্ষা করে রাজধানী বাগদাদসহ ইরাকের বিভিন্ন স্থানে শুক্রবারও দফায় দফায় সরকার বিরোধী বিক্ষোভ হয়েছে। গত মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া ওই বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬৫ হয়েছে। এ অবস্থায় দেশের বিক্ষুব্ধ জনতাকে ধৈর্য্য করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী আদেল আবদুল মাহদি। তবে তার এ আহ্বানে তেমন কাজ হচ্ছে না বলেই মনে হয়।

কারফিউ অগ্রাহ্য করে শুক্রবার বাগদাদসহ দেশটির বড় শহরগুলোতে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে হাজার হাজার বিক্ষুব্ধ মানুষ। রাজধানী বাগদাদসহ গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোতে কারফিউ জারি এবং ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করেও বিক্ষোভ ঠেকানো যায়নি। বিক্ষোভকারীরা বাগদাদের তাহরির স্কয়ারের দিকে যেতে চাইলে নিরাপত্তা বাহিনী তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে। এতে কয়েকজনের মাথা এবং পেটে গুলি লাগে।

হাসপাতাল এবং নিরাপত্তা বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, কেবল শুক্রবারের বিক্ষোভেই নিহত হয়েছেন ১০ জন। এ নিয়ে গত চার দিনের বিক্ষোভে ইরাকের বিভিন্ন স্থানে সবমিলিয়ে নিহত হয়েছে মোট ৬৫ জন। তবে গত ২৪ ঘণ্টার বিদ্রোহেই বেশি হতাহতের ঘটনা ঘটেছে বলে আল জাজিরা জানিয়েছে।

ইরাকের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, শুক্রবার ‘অজ্ঞাত স্নাইপাররা’বাগদাদে দুই পুলিশ কর্মকর্তাসহ চারজনকে গুলি করে হত্যা করেছে। এদিকে ইরাকের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ আল হালবৌসি বিক্ষোভকারীদের দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘সরকার দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যর্থ হয়েছে। তাদের এখনই সংস্কার শুরু করা উচিত।’

একই সঙ্গে তিনি বিক্ষোভকারীদের শান্ত থাকরও আহ্বান জানিয়েছেন। দুর্নীতি, বেকারত্বসহ সরকারের নানা অব্যবস্থাপণার প্রতিবাদে ইরাকের বিভিন্ন স্থানে গত মঙ্গলবার থেকে সরকার বিরোধী বিক্ষোভ চলছে। ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আদেল আবদুল মাহাদি ক্ষমতায় এসেছেন গত এক বছর আগে। তিনি ক্ষমতায় আসার পর থেকে ইরাকে এর আগে এত ব্যাপক সরকার বিরোধী বিক্ষোভ দেখা যায়নি।

মঙ্গল ও বুধবার বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের রক্তক্ষয়ী সংঘাতে পর রাজধানী বাগদাদ, হিল্লা, নাসিরিয়া ও আমারাসহ বিভিন্ন স্থানে কারফিউ আরোপ করে ইরাক সরকার। বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সকাল ৫টা থেকে কারফিউ বলবৎ হয়েছে। কারফিউ চলাকালীন সময়ে বাগদাদের সহড়গুলোতে যে কোনো ধরনের সমাবেশ ও সাধারণ যানবাহন নিষিদ্ধ করা হয়।

কিন্তু বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার কারফিউ অমান্য করেই বিক্ষোভ চালায় হাজার হাজার মানুষ। এ অবস্থায় শুক্রবার থেকে কারফিউ শিথিল করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী আদিল।

সূত্র: আল জাজিরা

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: