সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ১২ ফাল্গুন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
ক্ষমতাসীনরা দেশকে অন্ধকারের দিকে নিয়ে যাচ্ছে  » «   চট্টগ্রামে শিশু গৃহকর্মীর রহস্যজনক মৃত্যু  » «   মামলা তুলে না নেয়ায় স্ত্রীকে মেরেই ফেললেন স্বামী  » «   ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদে চাকরি, চার পুলিশ সদস্য কারাগারে  » «   করোনাভাইরাস : জাপানি প্রমোদতরীর আরও এক যাত্রীর মৃত্যু  » «   বঙ্গবন্ধু উপাধির ৫১ বছর  » «   ঢাকা-সিলেট ৬ লেনে এডিবির অর্থ ফেরত যাওয়ার শঙ্কা  » «   বাঈজী সরদারনি যুব মহিলালীগ নেত্রী পাপিয়ার উত্থান যেভাবে  » «   কী আছে পাপিয়ার ভিডিও ক্লিপে?  » «   ইতালিতে করোনায় আক্রান্ত ৭৯  » «   জেলগেট থেকে স্বামীকে নিয়ে যায় ডিবি, আজ শুনি বন্দুকযুদ্ধে নিহত  » «   ইরানে করোনাভাইরাসে ৫ জনের মৃত্যু  » «   আ. লীগের মনোনয়ন পাননি স্বামী, যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে গেছেন শাবানা  » «   অনৈতিক কাজে নারী সরবরাহ, দম্পতিসহ গ্রেপ্তার ৪  » «   পাকিস্তান আমলে রাস্তায় আন্দোলন করেছি, এখন করা যায় না  » «  

ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি: চিদম্বরমের সময় অমিত, অমিতের সময় চিদম্বরম গ্রেপ্তার



আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: দিল্লির রাজনৈতিক মহলে ক্ষমতার বদলে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটছে। চিদম্বরম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালীন ভুয়া সংঘর্ষ মামলায় অমিত শাহকে গ্রেপ্তার করেছিল সিবিআই। তার ঠিক ১০ বছর পর গ্রেপ্তার হলেন চিদম্বরম। আর এখন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর চেয়ারে অমিত।

মনমোহন সিং সরকারের ১০ বছরের মেয়াদে অত্যন্ত প্রভাবশালী মন্ত্রী ছিলেন পি চিদম্বরম। ২০০৫ সালে সোহারাবুদ্দিন শেখকে পুলিশ হেফাজতে হত্যা করা হয়েছে অভিযোগ ওঠে। ওই সময়ে গুজরাটের স্বরাষ্ট্র দপ্তর ছিল অমিত শাহর অধীনে। সোহরাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে তখন ৬০টি মামলা ঝুলে ছিল। অভিযোগ ওঠে, অমিতের অনুমতি পেয়ে ভুয়া সংঘর্ষের ঘটনা সাজিয়ে সোহরাবুদ্দিনকে খুন করা হয়েছিল।

২০১০ সালের জানুয়ারিতে মামলাটি সিবিআইয়ের হাতে দেয় সুপ্রিম কোর্ট। তার ঠিক ৬ মাস পর জুলাইয়ে অমিত শাহকে গ্রেপ্তার করেন তদন্তকারীরা। তখন কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পি চিদম্বরম। গুজরাট হাইকোর্টে জামিনের আবেদন করেছিলেন অমিত। কিন্তু আপত্তি তুলে সিবিআই জানিয়েছিল, রাজনৈতিক ক্ষমতা খাটিয়ে প্রমাণ নষ্ট বা সাক্ষীদের প্রভাবিত করতে পারেন তিনি। অক্টোবরে অমিত শাহকে জামিন দেয় গুজরাট হাইকোর্ট। পরের দিন সিবিআইয়ের আবেদনে সাড়া দিয়ে বিচারপতি নির্দেশ দেন, গুজরাটে থাকতে পারবেন না অমিত শাহ। ২০১০ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত নিজের রাজ্যে ঢুকতে পারেননি বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তখন অমিত শাহ অভিযোগ করেছিলেন, ক্ষমতার অপব্যবহার করে সিবিআই দিয়ে তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে কংগ্রেস।

তারপর সবরমতি নদী দিয়ে অনেক জল বয়ে গিয়েছে। বদলে গিয়েছে ভারতীয় রাজনৈতিক ক্ষমতার ভরকেন্দ্র। ২০১৯ সালে দ্বিতীয়বার সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে কেন্দ্রের মসনদে নরেন্দ্র মোদী। আর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তার আস্থাভাজন অমিত শাহ। আইএনএক্স মিডিয়ায় দুর্নীতির অভিযোগে পি চিদম্বরমকে গ্রেফতার করল সিবিআই। আপাততভাবে দুটি মামলাতে কোনো মিল নেই। শুধু একটাই মিল, খালি বদলে গিয়েছে পাত্র। সেদিন অমিত রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ তুলেছিলেন। আজ সেই একই অভিযোগ করলেন পি চিদম্বরম।

সূত্র: জি নিউজ

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: