রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ১ পৌষ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
লন্ডনে দ্বিতীয় জনপ্রিয় ভাষা বাংলা  » «   ঘুষের টাকাসহ হাতেনাতে সাব-রেজিস্ট্রার আটক  » «   আর কোনো হায়েনার দল বাংলার বুকে চেপে বসতে পারবে না  » «   সিলেটে মুক্তিযুদ্ধের পাণ্ডুলিপি সংগ্রহ করলেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী  » «   ফের জাতীয় পার্টির ঢাকা জেলা শাখার সভাপতি সালমা ইসলাম এমপি  » «   বিয়ানীবাজারে ৯৯০ পিস ইয়াবাসহ পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী আটক  » «   আয়কর দিবস উপলক্ষে সিলেটে বর্ণাঢ্য র‌্যালি  » «   এবার শ্রীমঙ্গলে ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন  » «   বেলজিয়ামে মসজিদে তালা দেওয়ায় বাংলাদেশিদের প্রতিবাদ  » «   পায়রা উড়িয়ে জাতীয় পার্টির ঢাকা জেলা শাখার সম্মেলন উদ্বোধন  » «   ভারতের অর্থনীতির দুরবস্থা, জিডিপি কমে সাড়ে ৪ শতাংশ  » «   পায়রা উড়িয়ে সম্মেলন উদ্বোধন করলেন শেখ হাসিনা  » «   লন্ডন ব্রিজে আবারও সন্ত্রাসী হামলা, নিহত ২  » «   চীন থেকে মা-বাবার জন্য পেঁয়াজ নিয়ে এলেন মেয়ে  » «   রক্তে ভাসছে ইরাক, নিহত ৮২  » «  

ইতালিতে প্রস্তাবিত নতুন আইনে বাংলাদেশিরা আতঙ্কে



প্রবাস ডেস্ক:: ইতালিতে প্রস্তাবিত নতুন আইনে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।নতুন এ আইন অনুমোদন করেছে দেশটির মন্ত্রিপরিষদ।২৪ সেপ্টেম্বর নতুন আইনটি অনুমোদন করা হয়।এ আইন অনুমোদনের ফলে বাংলাদেশি ও অন্য দেশের অভিবাসীরা চরম আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন।

আইনটি কার্যকর হতে রাষ্ট্রপতির সই বাকি আছে। নতুন আইনে সন্ত্রাস,যৌন হয়রানি,মানবপাচার ও মাদকচক্রের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হচ্ছে।এ ছাড়া যে কোনো ছোটখাটো অপরাধের কারণে বৈধতা হারাতে পারেন বাংলাদেশি অভিবাসীরা।ফলে অভিবাসীরা ইতোমধ্যে নড়েচড়ে বসেছেন।

বেশ কয়েক বছর ধরে ইতালিতে অভিবাসী সমস্যা চলছে। চলমান এ অভিবাসী সমস্যা সমাধান করতে বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাত্তেও সালভিনি বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছেন।এরই ধারাবাহিকতায় অভিবাসীদের নতুন আইনের আওতায় এনে অপরাধ কমানোর চেষ্টা চলছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এ সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে- আইন প্রণয়ন করে ইতালির সব রোম ক্যাম্প বন্ধ করা এবং ব্যক্তি ও আন্তর্জাতিক সম্মেলনের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা।স্থানীয় অভিবাসী পরামর্শকারী অফিস টিএমএমের কর্ণধার মোস্তাফিজুর রহমান বোরহান প্রবাসী বাংলাদেশিদের বলেন, অপরাধ হয় এমন কাজ করা থেকে বিরত থাকার এখনই সময়।কারণ কোনো প্রকার দোষ পেলেই বর্তমান সরকার স্টে-পারমিটের ওপর আঘাত আনবে।তাই দোষ এড়িয়ে চলাই ভারো।

এদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সম্প্রতি একটি টেলিভিশনে সাক্ষাতে বলেন, ইতালি অনেক ঋণগ্রস্ত হয়ে আছে।তাই ঋণ কমাতে ইতিমধ্যে রাজনৈতিক ব্যক্তিসহ অনেক ক্ষেত্র থেকে অর্থনৈতিক চাপ কমিয়ে আনা হয়েছে।ফলে দেশ আস্তে আস্তে ঋণমুক্ত হবে।ঋণমুক্ত হতে নতুন আইনে বাংলাদেশিসহ সব অভিবাসীর সুযোগ-সুবিধা কমিয়ে আনা হবে। যেসব অভিবাসী এর আগে ইতালিতে মানবিক আশ্রয় চেয়েছেন, তা এখন স্বল্প আকারে বিশেষ আবেদন হিসেবে গণ্য করা হবে এ আইনে।

সেই সঙ্গে কঠোরভাবে তদন্ত করা হবে আশ্রয় প্রার্থীদের আবেদন। একই সঙ্গে অবৈধদের কঠোর হস্তে দমন করার পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ইতালিয়ানদের কর্মব্যবস্থা নিশ্চিত করতে অবৈধদের ব্যাপারে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।এ ছাড়া কোনো অপরাধের সঙ্গে জড়িত প্রমাণ পেলে বাংলাদেশিরা ইতালিয়ান নাগরিকত্ব থেকে বঞ্চিত হবেন।এ ব্যাপারে সামাজিক সংগঠন ইল ধমকেতু অ্যাসোসিয়েশানের প্রতিষ্ঠাতা সাবেক বাংলাদেশ সমিতির সভাপতি নূরে আলম সিদ্দিকী বাচ্চু বলেন,নতুন আইন কার্যকরী হলে বাংলাদেশি অভিবাসীরা চরম সমস্যায় পড়বেন।

ভবিষ্যতে আইনের মারপ্যাঁচে অভিবাসীদের ইতালিতে থাকা কঠিন হয়ে যাবে। তাই এই কালো আইন বাতিলসহ ১৩ দফা দাবি আদায়ের জন্য সমাবেশ ডাকা হয়েছে ৭ অক্টোবর। তিনি সবাইকে ভিয়া কাবুর, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনে নিজ অধিকার আদায় করতে আহ্বান জানান।

প্রস্তাবিত নতুন আইন প্রসঙ্গে জানতে ইতালি বাংলাদেশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত আব্দুস সোবাহান সিকদারকে একাধিকবার মোবাইল ফোনে পাওয়া যায়নি। ফলে তার দেশের নাগরিকদের ব্যাপারে রাষ্ট্রদূতের কোনো বক্তব্য মিলেনি।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: