মঙ্গলবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৩ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
বুধবার সিলেটে সংস্কারকৃত শিশু আদালতের উদ্বোধন  » «   আজ হবিগঞ্জের লাখাই কৃষ্ণপুর গণহত্যা দিবস  » «   বুধবার মৌলভীবাজারে অর্ধদিবস হরতালের ডাক, প্রতিহতের ঘোষণা আ. লীগের  » «   গোলাপগঞ্জ পৌরসভা মেয়র উপ-নির্বাচন: প্রতীক বরাদ্দ আজ  » «   কারগারে মালির কাজ করছেন রাগীব আলী, ডিভিশনের আবেদন  » «   ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় ১০ অক্টোবর  » «   কোটা ইস্যুতে আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের পাল্টাপাল্টি মিছিল  » «   আশুরা উপলক্ষে সুনির্দিষ্ট হুমকি নেই: ডিএমপি কমিশনার  » «   একনেকে অনুমোদন পেলো ইভিএম কেনা প্রকল্প  » «   জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে রিট  » «   ৫৬৮ কেজির লাড্ডু দিয়ে পালিত হল মোদির জন্মদিন  » «   দেশের সব নাগরিককে অধিকার রক্ষায় সক্রিয় হতে হবে-ড. কামাল  » «   ঐতিহাসিক পিয়ংইয়ং সফরে সস্ত্রীক প্রেসিডেন্ট মুন  » «   ২০১৭-১৮ অর্থবছরে জিডিপির প্রবৃদ্ধি ৭.৮৬%  » «   মাদরাসা শিক্ষকের স্ত্রী ও ছাত্রকে গলাকেটে হত্যা  » «  

ইতালিতে ধর্ষকদের হাত থেকে তরুণীকে বাঁচালেন এক বাংলাদেশি



প্রবাস ডেস্ক:: রাত সাড়ে ১১টার দিকে ইতালির ফ্লোরেন্সের শহরের এক রাস্তার উপর দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেনে এক তরুণী। এ সময় ২৫ জন মাতাল মিলে ওই তরুণীকে ঘিরে ধরেন। ওই তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের চেষ্টা করেন তারা। আর সেই দৃশ্য বাংলাদেশি এক ফুল বিক্রেতা দেখতে পেয়ে একাই ওই তরুণীকে ২৫ জন মাতালের হাত থেকে রক্ষা করেন।
প্রবাসী বাংলাদেশি ওই ফুল বিক্রেতার নাম আলমগীর হোসেন বলে জানা গেছে। বাংলাদেশি এই লোকের সাহসিকতার কথা এখন আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমগুলোতে ফলাও করে প্রচার করা হচ্ছে।
জানা গেছে, গিয়া গুরানত্তা নামের ওই তরুণী একজন ফটোগ্রাফার। ওই তরুণী জানান, হঠাৎ ২৫ জনের মতো মাতাল ব্যক্তি রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় তাকে ঘিরে ধরেন। তারা ওই তরুণীকে তাদের সাথে খারাপ কাজ করার প্রস্তাব দেয়। ওই তরুণী প্রস্তাবে রাজি না হলে। মাতাল লোকগুলো খেপে যায়। তারা ওই তরুণীকে গালিগালাজ ও অশ্লীল কথা বলতে থাকেন। এ সময় ধর্ষণ করার জন্য ওই তরুণীকে তারা নির্জন স্থানে নিয়ে যেতে চেষ্টা করে। ঠিক ওই সময়ই বাংলাদেশি ফুল বিক্রেতা আলমগীর হোসেন দেখতে পান তাদেরকে।
আলমগীর হোসেন তাদের সামনে এগিয়ে যান এবং পরিস্থিতি বুঝতে পেরে ওই মাতালের দলকে ধাওয়া করেন। আর একাই ওই তরুণীকে তাদের হাত থেকে রক্ষা করেন।
গিয়া গুরানত্তাকে এরপর একটি নিরাপদ স্থানে নিয়ে যান এবং তার বন্ধুতের ফোন দেন। পরে বন্ধুরা তাকে এসে নিয়ে যায়।
ওই তরুণী সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে জানান, কোনো স্বার্থ ছাড়াই ওই লোক আমাকে বাঁচিয়েছেন। আলমগীর হোসেন একজন নিষ্পাপ ব্যাক্তি। সে কোনো দিন আলমগীর হোসেনকে ভুলতে পারবেন না বলেও জানান।
জানা গেছে, ওই তরুণীকে তাদের বন্ধুর হাতে তুলে দেওয়ার সময় আলমগীর ওই তরুণীকে একটি ফুলও উপহার দেন। বাংলাদেশি প্রবাসী আলমগীর ফুল বিক্রেতা হিসেবে ২০০৫ সাল থেকে ইতালিতে বসবাস করছেন।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: