শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৭ বৈশাখ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
নুসরাত হত্যা : পুলিশের ভূমিকার বিচার বিভাগীয় তদন্ত চায় টিআইবি  » «   রাজীবের মৃত্যুর এক বছরেও মেলেনি ক্ষতিপূরণের কানাকড়ি  » «   দুর্যোগ সম্পর্কে সচেতনতামূলক প্রচারণা জরুরি : প্রধানমন্ত্রী  » «   বিএনপির ১৪ শীর্ষ নেতাদের জামিন বহাল  » «   একসঙ্গে পুড়ল তিন ভাইয়ের ‘স্বপ্ন’  » «   সিগারেট খেলে ফ্রিজ ফ্রি!  » «   রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়বে না : বাণিজ্যমন্ত্রী  » «   পাকিস্তানে নির্মিত হচ্ছে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মসজিদ  » «   জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে ‘মুজিবনগর দিবস’ উদযাপন  » «   ব্রুনাই সফরে ৬ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করবেন প্রধানমন্ত্রী  » «   বিশ্বের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকা প্রকাশ  » «   প্যারোলে মুক্তি ও এমপিদের শপথ গ্রহণ : যা ভাবছেন খালেদা জিয়া ও বিএনপি  » «   আপিলে হারলো যুক্তরাজ্য সরকার, কাটতে পারে বহু বাংলাদেশির ভিসা জটিলতা  » «   বিয়ের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় কলেজছাত্রীকে ছুরিকাঘাত  » «   লিবিয়ায় গৃহযুদ্ধ: নিরাপদ স্থানে সরানো হলো ৩০০ বাংলাদেশিকে  » «  

আ.লীগ নেতারা মানসিক বিকারগ্রস্ত : মির্জা ফখরুল



7. fokhrulনিউজ ডেস্ক::
আওয়ামী লীগ নেতারা মানসিক বিকারগ্রস্ত বলে মন্তব্য করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আওয়ামী লীগ নেতারা বলছে বিএনপি নেতাদের নেড়ি কুত্তার মত পিটাবো, ঠ্যাং ভেঙে দেব। এসব বক্তব্য শুনলে বোঝা যায় তারা কোথা থেকে এসেছে।

মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে দুর্নীতি দুঃশাসন বেকারত্ব ও প্রতিহিংসামুক্ত দেশ গড়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশ লেবার পার্টি ঢাকা মহানগরের কাউন্সিলে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগ জনগণের কোনো সংগঠন নয়। এরা জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয় নাই। এদের জনগণের ম্যান্ডেট নেই। আওয়ামী লীগ জবর দখলকারি স্বৈরাচারি সরকার। আওয়ামী লীগের মন্ত্রীরা বলে ২০ দল পারে না। পুলিশ, র্যা ব, গুন্ডা দিয়ে অনেক কিছু করা যায়। নৈতিক বৃত্তি নেই। সরকার ১৪৪ ধারা জারি করে সভা সমাবেশ বন্ধ করে দেয় । এটা কোনো গণতন্ত্র। এ সরকার পাকিস্তানের হানাদার বাহিনীকেও হার মানিয়েছে।

জ্বালাও পোড়াও বন্ধ করে বিএনপিকে জনগণের সমর্থন নিয়ে রাজনীতি করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এমন বক্তব্যের জবাবে তিনি বলেন, জনগণের সমর্থন আছে কিনা তা তো প্রমাণ করতে দিলেন না। নির্বাচন করলেন না। তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিল করে দিয়েছেন যাতে করে নিজেরা সিল মেরে সরকার গঠন করা যায়।
বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, আওয়ামী লীগ জনগণের কাছে ক্ষমা চেয়ে ২১ বছর পর ক্ষমতায় এসেছে। তারপর ২০০৮ সালে জনগণের সাথে প্রতারণা করে মিথ্যা কথা বলে ক্ষমতায় এসে জনগণের উপর নির্যাতন করছে। জনগণের উপর স্টীম রোলার চালিয়ে ক্ষমতাকে পাকাপোক্ত করতে চাইছে।

তথ্যমন্ত্রী ইনুকে উদ্দেশ্য করে ফখরুল বলেন, জনগণের অধিকার, সত্য কথা বলার অধিকার বন্ধ করে আওয়ামী লীগের সাথে জোট বেঁধেছেন। গণবাহিনী তৈরি করে মানুষ মেরেছেন। তার জন্য ক্ষমা চাননি। এসব হত্যার জবাব দিতে হবে। এখন শুধু মিথ্যা কথা আর মিথ্যা ইতিহাস বলে জনগণকে বিভ্রান্ত করছেন। এর জবাব একদিন জনগণের কাছে দিতে হবে।
আওয়ামী লীগ দেশটাকে পত্তিক সম্পত্তি পেয়েছেন। তারা শুধু দেশকে ভোগ ও শাসন করবেন। এটাই তাদের মানসিকতা। তাদের এই মানসিকতার জন্য অতীতেও এদেশের মানুষ বিদ্রোহ ও আন্দোলন করে তাদের ক্ষমতাচ্যুত করেছে এবারও করবে বলে মন্তব্য করেছেন মির্জা ফখরুল।

ঢাকা মহানগেরর লেবার পার্টির আহ্বায়ক মো. শামসুদ্দিন পারভেজের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন, লেবার পার্টির মহাসচিব হামদুল্লাহ আল মেহেদী, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফারুক রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান মোসলেম উদ্দিন, যুগ্ম মহাসচিব নূরুল ইসলাম সিয়াম প্রমুখ।
কাউন্সিলের উদ্বোধন করেন লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: