শনিবার, ২৩ মার্চ ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৯ চৈত্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
সিলেটে ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল সিলসিলার ম্যানেজারের  » «   নিজের চেয়ার ছেড়ে জহিরুলের পাশে এসে দাঁড়ালেন প্রধানমন্ত্রী  » «   সিলেটে নির্মাণ হতে যাচ্ছে স্মৃতিসৌধ,পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ডিও লেটার  » «   সুখী দেশের তালিকায় বাংলাদেশের ১০ ধাপ অবনতি  » «   জাফর ইকবালকে হত্যাচেষ্টা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু  » «   আইডিয়া’র ২৫ বছর পূর্তি উৎসবে র‍্যালি, আলোচনাসভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান  » «   উন্নয়ন করতে গিয়ে জীবন ও জীবিকার যেন ক্ষতি না হয় : প্রধানমন্ত্রী  » «   আজ দিন রাত সমান, আকাশে থাকবে সুপারমুন  » «   সহকর্মীর হাতে খুন হলেন তিন ভারতীয় সেনা  » «   মসজিদে হামলাধারী ব্রেন্টন আইএস থেকে ভিন্ন কিছু নয়: এরদোগান  » «   সিলেটে মেশিনে আদায় হবে যানবাহনের মামলার জরিমানা  » «   গ্যাসের দাম ১৩২% বৃদ্ধির প্রস্তাব হাস্যকর  » «   মেয়রের আশ্বাসে ২৮ মার্চ পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিত  » «   দরিদ্র বলে এদেশে কিছু থাকবে না : প্রধানমন্ত্রী  » «   এক সপ্তাহের মধ্যে আবরারের পরিবারকে ১০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ  » «  

আসামি ধরতে গিয়ে পুলিশের ওপর হামলা, সংঘর্ষে যুবক নিহত



নিউজ ডেস্ক:: ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ধরতে গিয়ে পুলিশের সঙ্গে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) মেম্বারের সমর্থকদের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষে এক যুবক নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে কোনো যুবক নিহতের খবর স্বীকার করেনি পুলিশ। গতকাল শনিবার রাতে নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার মদনপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত আশিকুর রহমান (২৫) মদনপুরের চাঁনপুর এলাকার শহীদুল ইসলামের ছেলে। তিনি মদনপুরের প্যানডেক্স গার্মেন্টসের শ্রমিক ছিলেন।

স্থানীয়রা জানান, গতকাল শনিবার রাতে সাড়ে ৮টায় ওয়ারেন্টভুক্ত বিভিন্ন মামলার আসামি বিশেষ করে নাশকতা মামলার আসামিদের ধরতে মদনপুরের চাঁনপুরে অভিযান চালায় বন্দর থানা পুলিশ। এ সময় বিভিন্ন মামলার আসামিদের গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাচ্ছিল পুলিশ।গ্রেপ্তারকৃতরা স্থানীয় খলিল মেম্বারের লোক। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে ওই মেম্বারের সমর্থকরা টেঁটা, বল্লমসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

এ সময় পুলিশ কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে। দফায় দফায় চলে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও গুলিবিনিময়ের ঘটনা ঘটে। এতে সংঘর্ষ ব্যাপক আকার ধারণ করে।সে সময় স্থানীয়রা পুলিশের দুইটি গাড়িও ভাঙচুর করে।তারা আরো জানান, এ ঘটনায় পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ আলী, কনস্টেবল দেবাশীষ, মোহনসহ অন্তত ১৫ জন আহত হন।

এ ব্যাপারে বন্দর থানার ওসি আজহারুল ইসলাম বলেন, এলাকায় প্রভাব বিস্তার নিয়ে দুই গ্রুপের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছিল। এ নিয়ে সম্প্রতি ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। শনিবার দুই গ্রুপের মধ্যে পুনরায় উত্তেজনা দেখা দেয়। সেখানে পুলিশ যাওয়ার পর পুলিশের ওপর হামলা চালানো হয়। এতে পুলিশসহ একাধিক ব্যক্তি আহত হন।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: