রবিবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ ফাল্গুন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩৫ করার খবরটি ‘টোটালি ফলস’  » «   শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে: খাদ্যমন্ত্রী  » «   জামায়াত নতুন নামে পুরনো চরিত্রে ফিরে আসে কিনা তা ভাবনার বিষয়  » «   সুস্থ থাকলে শেখ হাসিনার বিকল্প দরকার নেই  » «   নন্দলালের ভূমিকায় অবতীর্ণ হবেন না: ইসি রফিকুল  » «   এমপি হিসেবে শপথ নিলেন সৈয়দ আশরাফের বোন ডা. জাকিয়া  » «   রোহিঙ্গাদের নৃশংসতার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান মিয়ানমার সেনাপ্রধানের!  » «   যেসব শর্তে আত্মসমর্পণ করছেন ১০২ ইয়াবা ব্যবসায়ী  » «   নাসা আ্যপস চ্যালেঞ্জে বিশ্বসেরা শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়  » «   বাংলা একাডেমিতে আল মাহমুদের মরদেহ, শ্রদ্ধা নিবেদন  » «   আখেরি মোনাজাতের মধ্যদিয়ে জোবায়ের অনুসারীদের ইজতেমা শেষ  » «   যেভাবে ভারতীয় সেনাবহরে হামলা চালায় জঙ্গিরা  » «   রোহিঙ্গা নিপীড়ন তদন্তে মার্চে বাংলাদেশ আসছে আইসিসি প্রতিনিধিদল  » «   ব্যাটিং ব্যর্থতায় সিরিজ হার বাংলাদেশের  » «   যুক্তরাষ্ট্রে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করলেন ট্রাম্প  » «  

আসছে নির্বাচনব্যস্ত সময় পার করছে আ’লীগ নেতারা



নিউজ ডেস্ক::আর মাত্র বছর খানেক পরই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে নিজের আসন ধরে রাখতে এখন থেকেই মাঠে ব্যস্ত সময় পার করছে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। কেন্দ্রীয় কমিটির নির্দেশেই নিজ নিজ আসনের অবস্থান করছে এমপি ও মন্ত্রীরা।

আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্রে জানা যায়, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মাঠ পর্যায়ে বেশি সময় ব্যয় করা এবং জনসংশ্লিষ্ঠতা বাড়ানোর নিদের্শ দিয়ে ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তার নির্দেশ পালন করতে এবং নিজের আসন ধরে রাখতে এরই মধ্যেই এমপি ও মন্ত্রী নিজ নিজ এলাকা ব্যস্ত সময় পার করছেন। আয়োজন করছেন সভা, সেমিনার ও আলোচনা সভা। অংশগ্রহণ করছেন জেলা, উপজেলার ও ইউনিয়ন আয়োজিত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে। যোগাযোগ রক্ষা করেছেন দলের তৃণমূল নেতাকর্মীদের সাথে। নীতি নির্ধারণী নিদের্শ অনুযায়ী জন সংশ্লিষ্টতা বাড়িয়ে তুলছেন আওয়ামী লীগের বর্তমান সাংসদরা। বর্তমান সংসদ সদস্য ছাড়াও নির্বাচনের প্রচারণা ও সরকারের পক্ষে কাজ করছে মনোনয়ন প্রত্যাশী নেতারা।

কিছু এলাকায় দলের মধ্যে একাধিক গ্রুপ রয়েছে। যদিও স্থানীয় পর্যায়ে দলীয় কোন্দল থাকলে তা মিটিয়ে এক সাথে কাজ করার নির্দেশনাও দিয়ে ছিলেন কেন্দ্রীয় নেতারা। এরই মধ্যে এমপি ও মন্ত্রীরা নিজ নিজ এলাকায় কোন্দল মেটানোর কাজটি করছে। তাছাড়া সভা, সেমিনার ও আলোচনা অনুষ্ঠান করছে জোরালো ভাবে। তবে অধিকাংশ এলাকাই একাধিক প্রার্থী তাদের মাঠ গোছানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছে।

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় একাধিক নেতা জানায়, আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলের নেতাকর্মীদের জানান, আগামী নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে এবং এ নির্বাচনে জনগণের মন জয় করেই জয়লাভ করতে হবে। অনেক জেলাতেই আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি নেই। দলীয় পুরাতন নেতাকর্মীদের সাথে এমপি ও মন্ত্রীদের তেমন যোগাযোগ নাই বলে জানা যায়।

কেন্দ্রীয় ভাবে ছাত্রলীগ নেতারা সক্রিয় থাকলে অনেক জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে নেই কমিটি। নেতাদের মধ্যে রয়েছে গ্রুপিং। কোনো ভাবে কমিটি ঘোষণা করতে পারচ্ছে না কেন্দ্রীয় কমিটি। আবার কিছু এলাকায় কমিটি দিলেও কয়েকদিন যেতে না যেতে সেই সেই কমিটি বিলুপ্ত করেছে কেন্দ্রীয় কমিটিই। প্রধানমন্ত্রী জেলা কমিটির পাশাপাশি উপজেলা কমিটিগুলোকেও তৃণমূল থেকে সংগঠন গোছানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

নির্বাচনের মাঠ গোছানো প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সাহারা খাতুন বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একাদশ নির্বাচনকে জাঁকজমক করতে দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলে ছিলেন, আগামী একাদশ নির্বাচনের জন্য সকলে প্রস্তুতি নেন। মাঠ পর্যায়ে কাজ করার কথা বলে ছিলেন। তাছাড়া সকল জেলার পূর্ণাঙ্গ কমিটি করার জন্য বলেছিলেন।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: