মঙ্গলবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৮ ফাল্গুন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
রাতে দেশ ছাড়ছেন মাহমুদউল্লাহ-মুস্তাফিজ  » «   পারিবারিক অশান্তির মূলে পরকীয়া  » «   ‘এই সুমি সেই সুমি’  » «   সুপ্রিম কোর্টের দারস্থ প্রিয়া প্রকাশ  » «   খালেদার শহীদ মিনারে শ্রদ্ধার বিষয়ে যা বললেন আ’লীগ নেতারা  » «   পাবনায় সরকারি এডওয়ার্ড কলেজে বই পড়া ও আবৃত্তি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত  » «   পাবনা জেলা বিড়ি শিল্প মালিক সমিতির কমিটি গঠন শাহাদত সভাপতি রাসেল সম্পাদক  » «   কানাডায় বাংলাদেশি তরুণীর কৃতিত্ব  » «   মাথা না ধুলে ফরজ গোসল হবে?  » «   হোটেলে রুম ফাঁকা নেই, ফিরিয়ে দেয়া হলো মোদিকে  » «   ‘বর্তমান অবস্থায় খালেদা জিয়া নির্বাচন করতে পারবেন না’  » «   হবিগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশের গুলি,আহত ৩০  » «   পোশাক নিয়ে আলোচনায় সোহানা সাবা  » «   ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে প্রস্তুত শহীদ মিনার  » «   চুনারুঘাটে অগ্নিকান্ডে ২টি দোকান পুড়ে ছাই  » «  

আল্লাহ বা তাঁর রাসূল অথবা দ্বীন নিয়ে হাসি ঠাট্টা করার হুকুম কি?



ইসলাম ডেস্ক::এই কাজটি অর্থাৎ আল্লাহ বা তাঁর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অথবা কুরআন অথবা দ্বীন নিয়ে হাসি-ঠাট্টা করা কুফরী। যদিও তা মানুষকে হাসানোর নিয়তে হয়ে থাকে। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর যুগে এ রকম বিদ্রুপের ঘটনা ঘটেছিল। একদা মুনাফেকরা তাঁকে এবং সাহাবীদেরকে লক্ষ্য করে বলল, আমরা এ সমস্ত লোকদের চেয়ে অধিক পেট পূজারী, অধিক মিথ্যুক এবং যুদ্ধ ক্ষেত্রে এদের চেয়ে অধিক ভীতু আর কাউকে দেখিনি। তাদের ব্যাপারে আল্লাহ বলেনঃ

)وَلَئِنْ سَأَلْتَهُمْ لَيَقُولُنَّ إِنَّمَا كُنَّا نَخُوضُ وَنَلْعَبُ(

“আপনি যদি তাদেরকে জিজ্ঞাসা করেন, উত্তরে তারা অবশ্যই বলবে যে, আমরা কেবল হাসি-তামাসা করছিলাম।” (সূরা তাওবাঃ ৬৫) নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর কাছে যখন অভিযোগ আসল, তখন তারা বলল, পথের ক্লান্তি দূর করার জন্য যে সমস্ত কথা-বার্তা বলা হয়, আমরা শুধু তেমন কিছু কথাই বলছিলাম। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে আল্লাহর বাণী শুনিয়ে দিলেন।

) قُلْ أَبِاللَّهِ وَآيَاتِهِ وَرَسُولِهِ كُنتُمْ تَسْتَهْزِئُونَ لَا تَعْتَذِرُوا قَدْ كَفَرْتُمْ بَعْدَ إِيمَانِكُمْ(

“বলুন! তোমরা কি আল্লাহ তাঁর আয়াতসমূহ এবং তাঁর রাসূলকে নিয়ে হাসি-তামাসা করছিলে? তোমরা এখন ওযর পেশ করো না। তোমরা তো ঈমান প্রকাশের পর কুফরী করেছো।” (সূরা তাওবাঃ ৬৫-৬৬) কাজেই আল্লাহ তাআ’লা, রিসালাত, অহী এবং দ্বীনের বিভিন্ন বিষয় অত্যন্ত পবিত্র। এগুলোর কোন একটি নিয়ে ঠাট্টা করা বৈধ নয়। যে এরূপ করবে, সে কাফের হয়ে যাবে। কারণ তার কাজটি আল্লাহ, তাঁর রাসূল, কিতাব এবং শরীয়তকে হেয় প্রতিপন্ন করার প্রমাণ বহন করে। যারা এ ধরণের কাজ করবে, তাদের উচিৎ আল্লাহর দরবারে তাওবা করে এবং ক্ষমা চেয়ে নিজেকে সংশোধন করা। তাদের উচিৎ আল্লাহর প্রতি ভয় ও সম্মান দিয়ে অন্তরকে পরিপূর্ণ করা।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: