মঙ্গলবার, ২০ অগাস্ট ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ ভাদ্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
এমপি না হয়েও ল্যান্ড ক্রুজারে শুল্কমুক্ত সুবিধা পেলেন মুহিত  » «   খালেদা জিয়ার জামিনের মেয়াদ বাড়ল এক বছর  » «   নবজাতককে মুখে নিয়ে কুকুরের টানাটনি, উদ্ধার করলেন এসআই  » «   নতুন শ্রমবাজার অনুসন্ধানে উদ্যোগী হতে হবে: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী  » «   জনগণের সংকট উত্তরণে নতুন নির্বাচনের বিকল্প নেই: ফখরুল  » «   পানি বণ্টনের নতুন ফর্মুলা খুঁজছে বাংলাদেশ-ভারত: জয়শঙ্কর  » «   শেখ হাসিনার ছাত্রলীগে জামায়াতি আঁচড়!  » «   অবশেষে ক্ষমা চাইলেন জাকির নায়েক  » «   অপরাধীদের শাস্তি দ্রুত নিশ্চিত না করায় ধর্ষণ বাড়ছে: হাইকোর্ট  » «   সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে ‘স্পিড গান’  » «   কমলাপুর রেলওভার ব্রিজের ত্রুটির চিত্র তুলে ধরলেন ব্যারিস্টার সুমন  » «   জিন্দাবাজারে মিললো ২টি গোখরাসহ ৬ বিষধর সাপ  » «   কাশ্মীর ইস্যুতে আলোচনায় বসছেন ট্রাম্প- মোদী!  » «   মাত্র ১০০ মিটার দূরেই শত্রু  » «   অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে থাকবে সরকার: কাদের  » «  

আলো-পানি ছাড়াই রাত কাটল আটক প্রিয়াঙ্কার



আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভারতের উত্তরপ্রদেশের মির্জাপুরে অবস্থিত একটি গেস্ট হাউজে আলো-পানি ছাড়াই রাত কাটিয়েছেন। প্রদেশটির বারানসিতে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে নিহতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার পথে গতকাল শুক্রবার তাকে আটক করে দেশটির পুলিশ।

ভারতীয় টেলিভিশন এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গতকাল রাতে রাজ্য সরকারের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাকে ফিরে যেতে বলেছেন। কিন্তু প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বলেছেন তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সঙ্গে দেখা না করে যাবেন না।

আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুক্রবার সন্ধ্যায় ৫০ হাজার টাকা মুচলেকার বিনিময়ে প্রিয়াঙ্কাকে মুক্তির প্রস্তাব দেয় রাজ্য সরকার। গেস্ট হাউজের আলো-পানি বন্ধ করে দেয়া হয়। কিন্তু প্রিয়াঙ্কা বলেন, ‘এভাবেই এখানে দশ দিন থাকতে হলে থাকব। কিন্তু নিহতের পরিবারের সঙ্গে দেখা না করে ফিরব না।’

গতকাল রাতে বেশ কয়েকটি টুইট করেন, আনুমানিক রাত সাড়ে ১২টার দিকে বারানসি পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রজভূষণ অন্যান্য শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তাদের নিয়ে চুনার দূর্গ নামের ওই গেস্ট হাউজে যান। শুক্রবার তাকে আটক করার সেখানে রাখা হয়।

প্রিয়াঙ্কা গান্ধী টুইট বার্তায় বলেন, ‘উত্তরপ্রদেশ সরকার বারানসির এডিজি ব্রজভূষণ, মির্জাপুরের কমিশনার দীপক আগারওয়াল এবং ডিআইজিকে আমার কাছে পাঠিয়েছেন এটা বলার জন্য যে, ওইসব পরিবারের সঙ্গে দেখা না করেই আমার চলে যাওয়া উচিত। তারা শেষ পর্যন্ত এখানে অপেক্ষা করেছেন।’

প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আরও লিখেছেন, ‘তারা আমাকে কেন কাস্টডিতে নিয়েছে তার ব্যাখা আমাকে দিতে পারেনি এমনকি তারা আমাকে কোনো কাগজও দেখাতে পারেনি। আজ হাসপাতালে একটা ১৭ বছরের বাচ্চাকে দেখলাম। পেটে গুলি লেগেছে। আমার সন্তানের মতোই তার বয়স। তার মা গুলিবিদ্ধ হয়ে পাশের বিছানায় শুয়ে আছে। রাজ্যের আইন কোথায়?’

প্রিয়াঙ্কা গান্ধী অপর একটি টুইটে বলেছেন, ‘আমার আইনজীবীর কথা অনুযায়ী, আমাকে আটক করার বিষয়টি সব দিক থেকেই বেআইনি। তারা আমাকে উচ্চপর্যায়ের কথা বলছে। কিন্তু উচ্চপর্যায়টা কারা সেটা জিজ্ঞেস করলে কিছুই বলতে পারছে না।’

তিন আরও বলেন, ‘আমি তাদের বলেছি যে, কোনো আইন লঙ্ঘন করার উদ্দেশ্যে আমি এখানে আসিনি, আমি এসেছি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে। আমি তাদেরকে বলেছি, আমি সেসব পরিবারের সঙ্গে কথা না বলে কোনোভাবেই যাব না।’

চলতি সপ্তাহে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে উত্তর প্রদেশের সোনভদ্রা জেলায় নারীসহ ১০ জনকে গুলি করে হত্যার ঘটনা ঘটে। শুক্রবার ওই গ্রামে যাওয়ার পথে প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে আটক করে পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়। অপরাধ বৃদ্ধি ও আইনের শাসন নেই বলে রাজ্য সরকার ও মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্য নাথের সমালোচনা মুখর প্রিয়াঙ্কা।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: