শনিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ১ পৌষ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
চমক থাকছে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে  » «   দুই-তিন দিনের মধ্যে ইসিতে যাবে বিএনপি  » «   কাদের সিদ্দিকী রাজাকার, বদমাইশ : মির্জা আজম  » «   নির্বাচনের ৭ দিন আগে ব্যালট পৌঁছে যাবে: ইসি সচিব  » «   রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করতে চান ড. কামাল  » «   যুক্তরাষ্ট্র-অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড কানাডায় বোমা হামলার হুমকি  » «   ক্ষমা চাইলেন ড. কামাল  » «   মন্দিরের প্রসাদ খেয়ে ১১ জনের মৃত্যু, অসুস্থ ৮১  » «   ২৪ ডিসেম্বর মাঠে নামছে সেনাবাহিনী, থাকবেন ম্যাজিস্ট্রেটও  » «   ইন্টারনেটে ধীর গতি ও মোবাইল ব্যাংকিং বন্ধ চায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী  » «   প্রার্থিতা নিয়ে শুনানি: আদালতের প্রতি খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের অনাস্থা  » «   আওয়ামী লীগ ১৬৮ থেকে ২২০ আসনে জিতবে: জয়  » «   সিলেট-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী তাহসিনা রুশদীর লুনার মনোনয়ন স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট  » «   আম্বানি কন্যার বিয়েতে নাচলেন হিলারি ক্লিনটন [ভিডিও ]  » «   সিলেট-১ আসনে ধানের শীষের প্রচারণার একসঙ্গে মুক্তাদির-আরিফ  » «  

আলেকজান্ডার আদপ শিখেছিলেন বেআদপদের কাছ থেকে!



দুনিয়া জয়ের নেশায় বিশাল সশস্ত্রবাহিনী নিয়ে দিকবিদিক অভিযানরত আলেকজান্ডার তখন মিশর অধিকার করেছেন।মিশর ছিল পারস্যের অধীন।তখনকার রীতি অনুযায়ী পরাজিত পক্ষকে সমূলে বিনাশ করা মানে কচুকাটা বা দমন-নিপীড়ন-নির্যাতন ছিল স্বাভাবিক রীতি।

সেই মোতাবেক মিশরীয় আর সেদেশে জাঁকিয়ে বসা পারসিক অভিজাতরা (সেনাপতি,মন্ত্রী,শীর্ষ ব্যবসায়ী)আলেকজান্ডার বাহিনীর হাতে চরম জিল্লতি আর নৃশংতার শিকার হওয়ার আতঙ্কে দুরু দুরু বুকে অপেক্ষমান ছিলেন।

তরুণ মেসিডোনীয় বীর আলেকজান্ডার কিন্তু তাদের আশঙ্কা মোতাবেক কিছুই করলেন না।উল্টো দেশটির নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের এক অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানালেন। ব্যাপক খানা-পিনা আর বাতচিতে সবাই খুব সহজ হয়ে উঠলেন।

এসময় কিছুটা সাহস সঞ্চয় করে আলেকজান্ডারকে মিশরীয় অভিজাতদের একজন সবিনয়ে প্রশ্ন করলেন,মহামান্য আলেকজান্ডার,আমরা আপনার শত্রুপক্ষ।সেই শত্রুদের পরাজিত করার পর নির্বিচার হত্যা-গ্রেপ্তারে না গিয়ে আপনি উল্টো আমাদেরকে সম্মানিত করছেন?এই সৌজন্য, এই আদপ আপনি কোখায় শিখেছেন, অনুগ্রহ করে যদি আমাদেরকে বলতেন?

ত্রিশের কোঠার যুবক সম্রাট এমন প্রশ্নে স্মিতহাস্যে বললেন, বেয়াদপদের কাছ থেকে! দিগ্বিজয়ী বীরের অমন অদ্ভূতুরে উত্তরে সবাই তাজ্জব, বিব্রত! ফের সাহস সঞ্চয় করে প্রশ্নকর্তা শুধোলেন, মহান সম্রাট, বেয়াদপদের কাছ থেকে মানে! আমরা ঠিক বুঝতে পারছি না।মুখে লেগে থাকা স্মিতহাসিটা ধরেই আলেকজান্ডার জবাব দিলেন, বেয়াদপ যা করে, আমি তা করিনা!

এই হচ্ছেন আলেকজান্ডার।এশিয়া মাইনর, ভারত, আফ্রিকা থেকে নিয়ে ইউরোপে আজকের যুক্তরাজ্য পর্যন্ত অভিযান পরিচালনাকারী এই অসীম তেজী যোদ্ধাকে ইতিহাস যথার্থই ‘দ্য গ্রেট’ (মহাবীর) উপাধি দিয়েছে।মুসলমানদের ধর্মগ্রন্থ পবিত্র কোরআন সূত্রে তিনি হচ্ছেন সম্রাট জুলকারনাইন আর মধ্য এশিয়ায় তার পরিচিতি বাদশাহ সিকান্দার (ইসকান্দার) নামে।

জুলকারনাইন বা সিকান্দার বা আলেকজান্ডার ছিলেন মহান দার্শনিক অ্যারিস্টটলের ছাত্র। আরেক মহান দার্শনিক প্লেটোর শিষ্য অ্যারিস্টটল তার এই রাজপুত্র ছাত্রকে পণ্ডিত বা দার্শনিকে রূপান্তর করেননি বা করতে পারেননি হয়তো, তবে তিনি তার মধ্যে অসাধারণ সব মানবীয়, বীরোচিত এবং রাজোচিত গুণাবলীর স্ফূরণ ঘটিয়েছেন- এটা নির্দ্বিধায় বলা যায়।

তৎকালীন বিশ্বের প্রধান প্রধান সাম্রাজ্যগুরোকে পদানত করা এই বীর জন্মেছিলেন খ্রিস্টপূর্ব ৩৫৬ সালে তৎকালীন মেসিডোনিয়ার পুরনো রাজধানী পেলা শহরে।তার বাবা মেসিডোনিয়ার রাজা দ্বিতীয় ফিলিপ গুণবান পুত্রকে যথোযুক্ত একজন উত্তরাধিকারী হিসেবে গড়ে তোলার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন।ছেলের মাত্র ১৩ বছর বয়সে তার শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেন দুনিয়ায় তৎকালীন এবং সর্বকালের অন্যতম শ্রেষ্ঠ দার্শনিক অ্যারিস্টটলকে।গুরুর কাছে আলেকজান্ডার লাভ করেন রাষ্ট্রপরিচালনা, সমরবিদ্যা, বিজ্ঞান, সাহিত্য, ইতিহাস, চিকিৎসাশাস্ত্র ও সর্বোপরি দর্শন সম্পর্কিত জ্ঞান যা পরবর্তীতে তার বিশ্ব অভিযানে সার্বক্ষণিক পাথেয় হয়ে থেকেছে।

তিনি যখন তরুণ, তখন বাবা ফিলিপ দ্বিতীয় বিয়ে করার কারণে মা অলিম্পিয়াসের সঙ্গে আলেকজান্ডার চলে যান মাতামহের রাজ্য পার্শ্ববর্তী এপিরাসে। অলিম্পাস ছিলেন এপিরাস রাজের কন্যা। তবে কিছুদিন পরই তারা আবার মেসিডোনিয়ায় ফিরে আসেন। কিন্তু পারস্য অভিযানের প্রস্তুতিরত ফিলিপ একদিন প্রকাশ্যেই নিহত হলে সিংহাসনে বসেন তরুণ আলেকজান্ডার। অনেকেই ফিলিপ হত্যার পেছনে তার স্ত্রী অলিম্পাস আর পুত্র আলেকজান্ডারের হাত রয়েছে বলে মত প্রকাশ করেন।

ঘটনা সত্যমিথ্যা যাই হোক, সিংহাসনে বসেই আলেকজন্ডার শক্তহাতে শাসনক্ষমতা সুসংহত করে মনোযোগ দেন পিতার পদাঙ্ক অনুসরণে। অর্থাৎ পৃথিবীর অন্যান্য সাম্রাজ্য ও দেশ জয়। বাবার অভিজ্ঞ ও বিশ্বস্ত সেনাপতি এন্টিপাতের কাছে মেসিডোনিয়া সাম্রাজ্য শাসনের ভার রেখে তিনি বের হয়ে পড়েন এশিয়া মাইনর বিজয়ে। এসময় আলেকজান্ডারের সঙ্গে ছিল হাজার চল্লিশেক সৈন্যের এক মোটামুটি বিশাল বাহিনী। কিন্তু ঐতিহাসিক ট্রয় নগরীর কাছের এক লড়াইয়ে পারস্য সম্রাট তৃতীয় দারায়ূসের প্রায় দ্বিগুণ শক্তির বাহিনীকে হারিয়ে দেন আলেকজান্ডার। এরপর এশিয়া মাইনরের উপকূলবর্তী নগর-জনপদগুলোর দিকে অগ্রসর হন তিনি।

সম্রাট দারিয়ূসের সঙ্গে বার বার লড়াই হয়েছে আলেকজান্ডারের।প্রায় ক্ষেত্রেই হারতে হারতে জিতে গেছেন অসম্ভব রণকূশলী আর প্রত্যুৎপন্নমতি সম্পন্ন এই মেসিডোনীয় যুবক।এরমধ্যে বারকয়েক তার আজন্ম শত্রু দারিয়ুস যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পালিয়ে যান।একবার এরকম হয় যে সঙ্গে থাকা মা-স্ত্রী ও সন্তানদের ফেলেই চলে যান দারিয়ূস। কিন্তু পরবর্তীতে মিশরে যে অসাধারণ সৌজন্যবোধ দেখিয়েছিলেন, তার অনেক আগে এশিয়া মাইনরে দারিয়ুসের পরিবার-পরিজনদের প্রতিও সেই পর্যায়ের উদারতা ও সৌজন্যবোধ প্রদর্শন করেন আলেকজান্ডার। তিনি তাদের যথোচিত মর্যাদা ও নিরাপত্তা দেন।

মিশর অভিযান থেকে ফিরে ফের দারিয়ুসের সন্ধানে ব্যস্ত হয়ে পড়েন আলেকজান্ডার। এবার ইরাকের ইরবিলের কাছে দারিয়ুস প্রবল প্রতিরোধ গড়ে তোলেন, বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে আলেকজান্ডার বাহিনী। তবে শেষপর্যন্ত ঠিকই বিজয়ঝাণ্ডা উড্ডীন হয় মেসিডোনিয়ার। ফের পালিয়ে যান দারিয়ুস। ব্যাবিলন অধিকার করেন আলেকজান্ডার। এ পর্যায়ে নিজরাজ্য মেসিডোনিয়া ও তার অধীনস্থ গ্রিস-স্পার্টাসহ আশপাশের রাজ্যগুলোয় বিদ্রোহ দেখা দেয়।

তবে বিশ্বস্ত এন্টিপাত শক্তহাতে সামাল দেন সেসব। আলেকজান্ডার তার বাহিনীতে থাকা গ্রিক সৈন্যদের গণহারে ছাটাই করেন এসময়। কারণ, দারিয়ুসের সঙ্গে প্রথম যুদ্ধেও গ্রিকদের ভূমিকা তাকে যথেষ্ট ভুগিয়েছে। তার নিজ বাহিনীতে যেমন গ্রিক ছিল তেমনি দারিয়ুসের বাহিনীতেও ছিল। কিন্তু দারিয়ুসের পক্ষের গ্রিকরা জানবাজি রাখা লড়াই করলেও আলেকজান্ডারের পক্ষের গ্রিক সেনারা অনেকটাই গা বাঁচানো আর লোক দেখানো যুদ্ধ করে।

এর ভেতরের কারণটা হচ্ছে, গ্রিস ছিল মেডিডোনিয়ার পদানত। আর স্বাভাবিকভাবেই গ্রিকরা অনেকটা ‘পাশের গাঁয়ের সেদিনকার ছেলে’ আলেকজান্ডারকে কোনওভাবেই মেনে নিতে পারেনি। আর তাই গেয়ো যোগী বা পাশের রাজ্যের সেই ছেলেটিই যে একের পর এক রাজ্য-সাম্রাজ্য পদানত করছে, যার সমরকুশলতা, বীরত্ব, নেতৃত্ব আর বিদ্যাবুদ্ধির কাছে কেউ টিকতে পারছে নাÑএতসব সত্য সামনে থাকা সত্যেও গ্রিকরা সেই আলেকজান্ডারের আনুগত্য মন থেকে মেনে নিতে পারেনি।

যাহোক, ক্ষিপ্ত আলেকজান্ডার গ্রিকদের গণছাটাই শেষে ফের দারিয়ুসের পেছন ছোটেন। মোটকথা এই পারস্য সম্রাটের পেছনে তিনি লেগেছিলেন অনেকটা গাইডেড মিসাইলের মত। শেষপর্যন্ত যখন দারিয়ুসের দেখা পান তিনি, তখন দারিয়ুস মৃত। অজ্ঞাত খুনীর হাতে নিহত দারিয়ুসের মরদেহ পড়েছিল তার রথে। তবে এখানেও মূর্ত হয়ে ওঠেন সেই ‘গ্রেট’ আলেজান্ডার।

যথাযোগ্য রাজকীয় মর্যাদায় শেষকৃত্য সমাপনের মধ্য দিয়ে পরলোকগত শত্রুকে সম্মান জানান আলেকজান্ডার। পারস্যকে পদানত করে, সেখানে পারসিক সংস্কৃতি আর পারসিকদের বহাল রেখে (যদিও পারসিকদের ধর্মগ্রন্থ ধ্বংসের অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে) মনোযোগ দেন ভারতে। সম্রাটের বয়স তখন মাত্র ২৯ বছর। একের পর এক রাজ্য জয় করে এগিয়ে যেতে থাকেন আলেকজান্ডার। খাইবার গিরিপথ দিয়ে বিশাল বাহিনীকে পার করে দিয়ে নিজে অল্পসংখক সৈন্য সঙ্গে নিয়ে আরও উত্তরের দিকে এগিয়ে চলেন।

এসময় তক্ষশিলার রাজাকে পরাজিত করে ঝিলাম নদীর দেশ ঝিলাম রাজ্যের দিকে এগিয়ে চলেন। এখানে রাজা পোরাস বা পুরুর সঙ্গে তার সেই বহুল আলোচিত ঘটনা ঘটে। প্রবল বিক্রমে লড়াইয়ে আলেকজান্ডারকে প্রায় পর্যুদস্ত করে ফেলেছিল পুরুর বাহিনী। এখানে প্রথম হাতিদর্শন করেন আলেকজান্ডার ও তার বাহিনী। আলেকজান্ডারের সৈন্যরা এবং তাদের ঘোড়াগুলো রীতিমত ভড়কে যায়। পরাজয় প্রায় ছুঁই ছুঁই অবস্থায় সামলে ওঠেন আলেকজান্ডার।

শেষ তক হারানো বিজয় ছিনিয়ে আনেন এবং প্রতিপক্ষের রাজা পুরুকে বন্দি করে তাঁর সামনে আনা হয়। পরাজিত রাজার কাছে তিনি জানতে চান, কী রকম আচরণ আশা করছেন তিনি আলেকজান্ডারের কাছে?শিরোন্নত গর্বে আর আত্মমর্যদা বোধে বলীয়ান যুদ্ধাহত উপমহাদেশীয় বীর পুরু বলেন, একজন রাজার কাছে আরেকজন রাজার যে মর্যাদা, তাই তিনি আশা করেন।

এ ধরনের জবাবে মুগ্ধ আলেকজান্ডার তখনি মুক্তি দেন পুরুকে এবং রাজ্য ফিরিয়ে দেন, তবে এক শর্তে- শাসন করতে হবে আলেকজান্ডারের নামে।এছাড়া এসময়ই ভারতীয় শহর মুলতানে আলেকজান্ডার স্থানীয় এক সেনার তীরবিদ্ধ হয়ে (কারও কারও মতে তরবারীর আঘাতে) ঘোড়া থেকে পড়ে যান। এতে তার ফুঁসফুঁস বিদীর্ণ হয় এবং পরবর্তীতে এই আঘাত তাকে ভোগায় বাকি জীবন। এদিকে রক্তাক্ত অবস্থায়ও সৈন্যদের উজ্জীবীত করে যুদ্ধে জয় ছিনিয়ে আনেন তিনি। তাকে রক্ষা করেন বিশ্বস্ত কয়েকজন দেহরক্ষী। তবে উপমহাদেশের অনেকেই মনে করেন, ওই আঘাতেই আলেকজান্ডার মারা যান। এজন্য মুলতানের অনেক মহল আলেকজান্ডার বধের গর্বে এখনও সুখভোগ করেন মনে মনে। তবে তাদের সেই দাবি বা ধারণা সত্য নয়।

ইতিহাস নির্ভর তথ্য হচ্ছে- এ পর্যায়ে দীর্ঘ অভিযানজনিত ক্লান্তি আর গঙ্গা নদীর বিশালত্ব এবং বাংলা-মগধা অঞ্চলের বিশাল শক্তিশালী সেনাবহিনীর খবরে সৈন্যদের আর সামনে এগোনায় অনীহা বুঝতে পেরে অভিযানে যতি টানেন তিনি।ভুলে ভরা গ্রিক মানচিত্রের অনুসারী আলেকজান্ডারের ধারণা ছিল,ভারতই হচ্ছে পৃথিবীর শেষ সীমানা।এটাও তার ফিরে চলার একটি কারণ ছিল।এসময় তার নিজদেশেও বিদ্রোহ দেখা দেয়। তিনি ফিরে চলেন জন্মভূমি মেসিডোনিয়ার পথে।কিন্তু পথে পারস্য এলাকায় পৌঁছানোর পরই দিন ঘনিয়ে আসে তাঁর।

এক রাজকীয় ভোজের অনুষ্ঠানে পানাহারের পরপর অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। অচিরেই হারিয়ে ফেলেন হাঁটাচলা আর কথা বলার শক্তি।শেষ পর্যন্ত মাত্র ৩৩ বছর বয়সে, খ্রিস্টপূর্ব ৩২৩ সালের ৭ জুন আজীবন বিজয়ী এই বীর মৃত্যুর বশ্যতা স্বীকার করে বিদায় জানান পৃথিবীকে।এখানে আরেকটি বিষয় উল্লেখ করা দরকার, অনেকেই আলেকজান্ডারকে গ্রিক বীর বলে ভ্রম করেন।আসলে তিনি গ্রিক নন,পাশের রাজ্য মেসিডোনিয়ার নাগরিক ছিলেন।

সূত্র: উইকিপিডিয়া, ঘটনা.কম অ্যানশিয়েন্ট ইন্ডিয়া, ইউরোপিয়ান হিস্ট্রি, আলেকজন্ডার দি গ্রেট প্রভৃতি গ্রন্থ

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: