রবিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭ খ্রীষ্টাব্দ | ৯ আশ্বিন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
চীনের পাতা ফাঁদে মিয়ানমার  » «   আইটেম গানে নাচবেন শাকিব-মিম  » «   মডেল থেকে জঙ্গি : ল্যাপটপে চাঞ্চল্যকর তথ্য!  » «   ‘উত্তর কোরিয়ার পাগলকে শিক্ষা দিতে যাচ্ছি’  » «   বাড্ডায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১, দগ্ধ ২  » «   সাপাহারে দূর্গা পূজার প্রতিমা তৈরীর কাজ শেষ: বাঁকী প্রতিমার সাজ সজ্জা  » «   দিনাজপুরে বজ্রপাতে ৮ জনের মৃত্যু  » «   এবার ধর্ষণের অভিযোগে ফলপ্রিয় ‘ফলাহারি বাবা’ গ্রেফতার  » «   ‘হালে পানি না পেয়ে প্রধানমন্ত্রীর নিখুঁত প্রচেষ্টায় খুঁত ধরার অপচেষ্টা বিএনপির’  » «   মেক্সিকোয় ভূমিকম্পে ৮ বিদেশি নাগরিক নিহত  » «   আবেগ লুকিয়ে রাখা মোটেও বুদ্ধিমানের কাজ নয়  » «   খুলনায় ‘চিংড়িতে জেলি’ পুশের অভিযোগ  » «   আমেরিকায় একই ফ্রেমে বাংলাদেশের ৮ তারকা  » «   পাকিস্তানি ব্যাংকে দুর্নীতি: কয়েকজন বাংলাদেশি জড়িত  » «   তথ্য প্রযুক্তিতে বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়ে গেছে: ড. জাফর ইকবাল  » «  

আপনার জিজ্ঞাসা আমাদের উত্তরজুমার দিনে কখন দোয়া কবুল হয়?



ইসলাম ডেস্ক::নামাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় বেসরকারি একটি টেলিভিশনের জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ।

আপনার জিজ্ঞাসার ১৭৫০তম পর্বে জুমার দিন মেয়েদের দোয়া কবুলের বিষয়ে পূর্ব দোলাইরপাড়, ঢাকা থেকে জানতে চেয়েছেন নুরুন্নাহার। অনুলিখনে ছিলেন মনিরুজ্জামান মনু।

প্রশ্ন : জুমার দিন তো দোয়া কবুলের দিন। কিন্তু মেয়েদের তো মসজিদে গিয়ে নামাজ পড়তে দেওয়া হয় না। কিছু মসজিদে ব্যবস্থা থাকলেও সব মসজিদে সে ব্যবস্থা নেই। তাহলে মেয়েরা জুমার দিন কোন সময় এবং কীভাবে পড়লে তাদের দোয়া কবুল হবে?

উত্তর : এই দোয়া কবুলের যে সময়গুলো, সেটাকে তাহকিক ওলামায়ে কেরাম এভাবে চিহ্নিত করেছেন যে, ইমাম সাহেব খুতবা দেওয়ার আসার পর থেকে সালাত শেষ করা পর্যন্ত এই সময়টুকু আপনি দোয়া করতে পারেন। এটা তো আমাদের অনেক সময় জানার কথা, কখন ইমাম সাহেব খুতবার জন্য আসেন, কখন সালাত শেষ হয়ে থাকে। আর বিকেল বেলায় সালাতের আসরের আগ থেকে আরম্ভ করে শেষ করে সূর্যাস্তের আগ পর্যন্ত এই সময়টুকু দোয়া কবুলের সময়।

এই সময়গুলোতে আপনি বেশি বেশি করে দোয়া করতে পারেন, যদিও আপনি মসজিদে যেতে পারেননি। কিন্তু আপনার ঘর তো আল্লাহর এই পৃথিবী পুরোটাই তো মসজিদ। রাসূলুল্লাহ (সা.) এই উম্মতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করতে গিয়ে সহিহ বুখারি হাদিসের মধ্যে এরশাদ করেছেন, গোটা পৃথিবীটাই আমার চেনা মসজিদে পরিণত করে দেওয়া হয়েছে। এটা আমাদের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য।

অন্য উম্মতের কিন্তু সালাত আদায় করতে হলে তাদের মসজিদে গিয়ে সালাত আদায় করতে হতো। ঘরের মধ্যে সালাত আদায় করার কোনো সুযোগ ছিল না। কিন্তু এই উম্মাতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বড় বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এই উম্মতকে আল্লাহতায়ালা অনুমোদন দিয়েছেন, যেখানে পৃথিবীর যে ভূখণ্ডে যেই স্থানে থাকুক না কেন, সেটা ঘরে হতে পারে, বাইরে হতে পারে, রাস্তায় হতে পারে, মাঠে হতে পারে—সবখানে তিনি সালাত আদায় করতে পারবেন।

আর আপনি যেখানে আছেন, এটাও মসজিদ মনে করেন। এখান থেকেও আপনি দোয়া করতে পারেন, কোনো অসুবিধা নেই। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আমাদের দোয়া আপনি যেখানে থাকুন না কেন, আল্লাহ সুবহানাতায়ালা সেটা শোনেন।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: