রবিবার, ২৪ জুন ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ১০ আষাঢ় ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
নেতাদের শাসালেন শেখ হাসিনা  » «   যমুনা নদীতে বিলীন হচ্ছে বসত বাড়ি, দেখার কেউ নেই!  » «   নতুন চলচ্চিত্রের জন্য ইরানে অনন্ত  » «   নেইমারের জার্সি গায়ে অপু ও জয়  » «   সিসিক নির্বাচন: আ.লীগ মেয়র প্রার্থী হলেন কামরান  » «   বাসায় ঢুকে অভিনেত্রীকে শ্লীলতাহানি!  » «   আর্জেন্টিনার হার, বেরিয়ে এলো বিস্ফোরক তথ্য!  » «   দুর্ঘটনা সড়কে মৃত্যুর মিছিল, নিহত ৩০, আহত ৪৭  » «   ‘নির্বাচনে জয়ী হতে গিয়ে যেন দলের বদনাম না হয়’  » «   হাসপাতালে পরীমনি  » «   আর্জেন্টিনার হার, ‘সুইসাইড নোট’ লিখে নিখোঁজ মেসি ভক্ত  » «   সাপাহারে ট্রাক ও ভ্যানের মুখো-মুখি সংঘর্ষে নিহত-২  » «   দুর্ঘটনার দিন ঢাকাতেই ছিলাম না’  » «   ভক্তদের হতাশ করেনি ব্রাজিল : অতিরিক্ত সময়ই বিশ্বকাপে টিকিয়ে রাখল নেইমারদের  » «   হাসপাতালের এক্সরে রুমে রোগীর মাকে ধর্ষণের চেষ্টা!  » «  

আপনার জিজ্ঞাসা আমাদের উত্তরজুমার দিনে কখন দোয়া কবুল হয়?



ইসলাম ডেস্ক::নামাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় বেসরকারি একটি টেলিভিশনের জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ।

আপনার জিজ্ঞাসার ১৭৫০তম পর্বে জুমার দিন মেয়েদের দোয়া কবুলের বিষয়ে পূর্ব দোলাইরপাড়, ঢাকা থেকে জানতে চেয়েছেন নুরুন্নাহার। অনুলিখনে ছিলেন মনিরুজ্জামান মনু।

প্রশ্ন : জুমার দিন তো দোয়া কবুলের দিন। কিন্তু মেয়েদের তো মসজিদে গিয়ে নামাজ পড়তে দেওয়া হয় না। কিছু মসজিদে ব্যবস্থা থাকলেও সব মসজিদে সে ব্যবস্থা নেই। তাহলে মেয়েরা জুমার দিন কোন সময় এবং কীভাবে পড়লে তাদের দোয়া কবুল হবে?

উত্তর : এই দোয়া কবুলের যে সময়গুলো, সেটাকে তাহকিক ওলামায়ে কেরাম এভাবে চিহ্নিত করেছেন যে, ইমাম সাহেব খুতবা দেওয়ার আসার পর থেকে সালাত শেষ করা পর্যন্ত এই সময়টুকু আপনি দোয়া করতে পারেন। এটা তো আমাদের অনেক সময় জানার কথা, কখন ইমাম সাহেব খুতবার জন্য আসেন, কখন সালাত শেষ হয়ে থাকে। আর বিকেল বেলায় সালাতের আসরের আগ থেকে আরম্ভ করে শেষ করে সূর্যাস্তের আগ পর্যন্ত এই সময়টুকু দোয়া কবুলের সময়।

এই সময়গুলোতে আপনি বেশি বেশি করে দোয়া করতে পারেন, যদিও আপনি মসজিদে যেতে পারেননি। কিন্তু আপনার ঘর তো আল্লাহর এই পৃথিবী পুরোটাই তো মসজিদ। রাসূলুল্লাহ (সা.) এই উম্মতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করতে গিয়ে সহিহ বুখারি হাদিসের মধ্যে এরশাদ করেছেন, গোটা পৃথিবীটাই আমার চেনা মসজিদে পরিণত করে দেওয়া হয়েছে। এটা আমাদের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য।

অন্য উম্মতের কিন্তু সালাত আদায় করতে হলে তাদের মসজিদে গিয়ে সালাত আদায় করতে হতো। ঘরের মধ্যে সালাত আদায় করার কোনো সুযোগ ছিল না। কিন্তু এই উম্মাতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বড় বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এই উম্মতকে আল্লাহতায়ালা অনুমোদন দিয়েছেন, যেখানে পৃথিবীর যে ভূখণ্ডে যেই স্থানে থাকুক না কেন, সেটা ঘরে হতে পারে, বাইরে হতে পারে, রাস্তায় হতে পারে, মাঠে হতে পারে—সবখানে তিনি সালাত আদায় করতে পারবেন।

আর আপনি যেখানে আছেন, এটাও মসজিদ মনে করেন। এখান থেকেও আপনি দোয়া করতে পারেন, কোনো অসুবিধা নেই। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আমাদের দোয়া আপনি যেখানে থাকুন না কেন, আল্লাহ সুবহানাতায়ালা সেটা শোনেন।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: