শনিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭ খ্রীষ্টাব্দ | ৮ আশ্বিন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
পুলিশের খোয়া যাওয়া অস্ত্র উদ্ধার  » «   মহানন্দায় বালুভর্তি ট্রলার ডুবি, নিখোঁজ ১  » «   বিএনপির সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতা নয় : প্রধানমন্ত্রী  » «   কুমিল্লা-৫ আসনে সমান অবস্থানে আ’লীগ বিএনপি, জামায়াতের ভোটব্যাংক  » «   পাক ব্যাংকে দুর্নীতি, অভিযুক্ত ৭ বাংলাদেশি  » «   ‘বাবার সঙ্গে হানিপ্রীতকে নগ্ন অবস্থায় দেখেছি’  » «   ব্রিফকেসের ভেতর যুবকের লাশ!  » «   ছুটি নিয়ে রাজনৈতিক প্রচারণায় সাকিব: অর্থায়নে রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়  » «   ভয়ংকর ভাবে ছড়িয়ে পড়ছে ‘সুপার ম্যালেরিয়া’  » «   আমেরিকান প্রবাসী পরিবার কর্তৃক রোহিঙ্গাদের ত্রাণ সহায়তা  » «   নবীগঞ্জে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড, কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি  » «   চাপে আছেন মুসা, দেশ ত্যাগে নিষেধাজ্ঞা  » «   মৌলভীবাজারে বাসায় দুর্বৃত্তদের হামলা : পৌর কাউন্সিলরসহ আহত ৫  » «   জুড়ী সীমান্ত থেকে ২ হাজার ইয়াবা উদ্ধার  » «   মৌলভীবাজারে হাজার হাতের দুর্গা দেবী  » «  

আনুষ্ঠানিকভাবে প্রস্তাব মিয়ানমারে যৌথ অভিযান চালাবে বাংলাদেশ



আন্তর্জাতিক ডেস্ক::মিয়ানমার সীমান্তে ইসলামিক জঙ্গি এবং আরাকান আর্মির বিরুদ্ধে মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে যৌথ অভিযান চালানোর প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ। একইসাথে সীমান্তে নিরাপত্তাহীনতা কমিয়ে আনতে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে মিয়ানমারের সহায়তা কামনা করা হয়েছে।

সোমবার (২৮ আগস্ট) বিকালে ঢাকায় নিযুক্ত মিয়ানমারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত অং মিনকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ডেকে নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এ প্রস্তাব জানানো হয়।

গত শুক্রবার (২৫ আগস্ট) ভোর রাতে আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (এআরএসএ) নামে একটি সংগঠনের ব্যানারে একদল সশস্ত্র ব্যক্তি রাখাইনের কয়েকটি পুলিশ চৌকিতে হামলা চালায় এবং ওই হামলায় ৮৯ জন নিহত হয় বলে দাবি করে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ।

এর পরপরই দেশটির সেনাবাহিনী পশ্চিম অঞ্চলের মংডু, বুতিডং এবং রাতেডং জেলাকে ঘিরে ফেলে কথিত সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। এসব এলাকায় প্রায় আট লাখ মানুষ বসবাস করে। সেনাবাহিনী ওই দিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত কারফিউ জারি করে।

মিয়ানমারে নতুন করে সহিংসতায় ছড়িয়ে পড়ায় শনিবার (২৬ আগস্ট) থেকে রোহিঙ্গারা আশ্রয়ের জন্য বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করছে। কিন্তু বাংলাদেশ সরকার এবার রোহিঙ্গা প্রবেশ ঠেকাতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে।

শনিবার থেকে সীমান্তে নিরাপত্তা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে অনেককে গ্রেফতার করে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। এ প্রেক্ষিতে সোমবার বিকালে মিয়ানমারের ভারপ্রাপ্ত রাস্ট্রদুত অং মিনকে এ প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ।

বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ রাখাইন রাজ্যে মিয়ানমারের ১১ লাখ রোহিঙ্গা বসবাস করে, যাদের বেশিরভাগই দরিদ্র এবং প্রচণ্ড বৈষম্যের শিকার। রোহিঙ্গারা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে রাখাইনে বসবাস করে আসলেও এই সংখ্যালঘু জাতিকে বাংলাদেশ থেকে যাওয়া অবৈধ অভিবাসী গণ্য করা হয়।

মিয়ানমারের সরকার রোহিঙ্গাদের রাষ্ট্রহীন করে রেখেছে। জাতিসংঘ মনে করে, মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী রোহিঙ্গাদের ওপর যে দমনাভিযান চালায় তা জাতিগত নিধনের শামিল। তবে অং সান সুচি সরকার এ অভিযোগ ক্রমাগত নাকচ করে আসছে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: