সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ২৯ আশ্বিন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
যুবলীগের পদ বেচে ঢাকায় ৪৬ ফ্ল্যাট-দোকানের মালিক ‘ক্যাশিয়ার আনিস’  » «   বরফ গলছে সৌদি-ইরানের, নেপথ্যে ইমরান খান  » «   ক্যাসিনো পঞ্চপাণ্ডবের রইল বাকি ১  » «   পুলিশের ওপর হামলা: দুই ‘জঙ্গি’ আটক  » «   সিলেট-জকিগঞ্জ সড়কে চালকদের প্রতিযোগিতায় যাত্রীবাহী বাস খাদে, আহত ৭  » «   ইনস্টাগ্রামে ট্রাম্প-ওবামাকে পেছনে ফেললেন মোদি!  » «   একটি মোবাইল চার্জারের দাম ২২ হাজার টাকা  » «   বেতন বৈষম্য: কর্মবিরতিতে সাড়ে ৩ লাখ শিক্ষক  » «   আবরার হত্যা: শেষ চার ঘণ্টার নৃশংসতার চিত্র  » «   সংবিধান পড়ে শোনালেন আমান, পুলিশ বলল ‘গো ব্যাক’  » «   বুয়েটে ভর্তি পরীক্ষা শুরু  » «   আবরার হত্যায় এবার মুজাহিদের স্বীকারোক্তি  » «   তিন সপ্তাহ ধরে কার্যালয়ে যান না যুবলীগ চেয়ারম্যান  » «   নোবেল পুরস্কার র‌্যাব-পুলিশের হাতে নয় : রিজভী  » «   বুরকিনা ফাসোতে মসজিদে ঢুকে ১৬ মুসল্লিকে গুলি করে হত্যা  » «  

আজ দিন রাত সমান, আকাশে থাকবে সুপারমুন



নিউজ ডেস্ক:: চাঁদ নিয়ে মানুষের আগ্রহের শেষ নেই। চাঁদের মায়াবী আলোয় চমৎকার একটি রাত কাটানোর সুযোগ এলো। আকাশে আজ বৃহস্পতিবার দেখা যাবে বড় ও উজ্জ্বল চাঁদ। এমন চাঁদকে বলা হয় সুপারমুন। এছাড়া আজ বৃহস্পতিবার দিন রাত থাকবে সমান।

মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসার মতে, আজ পূর্ণিমা রাতে আকাশে যে চাঁদ উঠবে সেই সুপারমুনকে দেখাবে স্বাভাবিকের চেয়ে ১৪ শতাংশ বড়। চাঁদ কিছুটা উপবৃত্তাকার কক্ষপথে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে। তাই এটি কখনও পৃথিবীর কাছে আসে, কখনও বা দূরে সরে যায়। পূর্ণ চাঁদ যখন পৃথিবীর খুব কাছ ঘেঁষে যায়, তাকেই বলা হয় সুপারমুন। আজ রাতে চাঁদকে দেখা যাবে পূর্ণ আলোকিত, এর ঔজ্জ্বল্য থাকবে ৩০ শতাংশ বেশি। আকাশ মেঘাচ্ছন্ন না থাকলে পৃথিবীর যে কোনো প্রান্ত থেকেই সুপারমুনের সৌন্দর্য উপভোগ করা যাবে।

নাসার বিজ্ঞানীদের মতে, চলতি বছর এটাই সর্বশেষ সুপারমুন। স্বাভাবিক সময়ে আমরা যে চাঁদ দেখি, সুপারমুনের সময় তার চেয়ে এ চাঁদ দেখতে হবে প্রায় ১৪ ভাগ বড়। বিশ্ববাসী আবারো আরেকটি সুপারমুন দেখতে পাবেন ২০৩০ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি।

অন্যদিকে পৃথিবী সূর্যের চারদিকে পরিক্রমণকালে পৃথিবীর মেরু রেখা ধ্রুবতারামুখী হয়ে কক্ষপথের সঙ্গে সব সময় ৬৬.৫ ডিগ্রি কোণ করে হেলে থাকে। আবার নিরক্ষ রেখা বা বিষুব রেখার সমতল কক্ষপথের সঙ্গে ২৩.৫ ডিগ্রি কোণে হেলে থাকে। এ কারণে প্রতি বছর ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর সারা পৃথিবীতে দিন রাত সমান হয়ে থাকে। এ সময় পৃথিবীর দুই গোলার্ধেই দিনের বেলা ১২ ঘণ্টা করে আলো পায় এবং ১২ ঘণ্টা পায় না। অর্থাৎ দুই গোলার্ধেই দিন-রাত সমান হয়ে থাকে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: