বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ১২ বৈশাখ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
শুক্রবার শ্রীলঙ্কার মসজিদে হামলার হুমকি, নিরাপত্তা জোরদার  » «   মোটরসাইকেলে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কা, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর মৃত্যু  » «   প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রিতে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা  » «   নুসরাত হত্যা: তদন্তে বেরিয়ে আসছে পুলিশ কর্মকর্তাদের গাফিলতি  » «   সিলেটের সীমান্ত দিয়ে ঢুকছে রোগাক্রান্ত ভারতীয় গরু  » «   খালেদা জিয়া সরকারের আইনগত সহায়তা পাওয়ার যোগ্য নন: আইনমন্ত্রী  » «   পরীক্ষাকেন্দ্রে ছাত্রীকে যৌন হয়রানি, ইনস্ট্রাক্টর কারাগারে  » «   নিউজিল্যান্ডের পার্মানেন্ট ভিসা পাচ্ছেন মুসলিমরা!  » «   জাফর ইকবাল হত্যাচেষ্টা মামলায় সাক্ষ্য দিলেন মহানগর হাকিম হরিদাস কুমার  » «   কান্নাজড়িত কণ্ঠে স্ত্রী-সন্তান হারানোর বর্ণনা দিলেন সুদেশ  » «   বহুদিন গোসল না করে অফিস করেছি: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী  » «   দল বহিষ্কার করতে পারে জেনেই শপথ নিয়েছি: জাহিদুর রহমান  » «   এবার শ্রীলঙ্কায় আদালতের পাশে বোমা বিস্ফোরণ  » «   কবরের জন্য জমি চাইলে বন্দেমাতরম বলতেই হবে: বিজেপি  » «   এবার শপথ নিচ্ছেন বিএনপির জাহিদুর  » «  

আজ দিন রাত সমান, আকাশে থাকবে সুপারমুন



নিউজ ডেস্ক:: চাঁদ নিয়ে মানুষের আগ্রহের শেষ নেই। চাঁদের মায়াবী আলোয় চমৎকার একটি রাত কাটানোর সুযোগ এলো। আকাশে আজ বৃহস্পতিবার দেখা যাবে বড় ও উজ্জ্বল চাঁদ। এমন চাঁদকে বলা হয় সুপারমুন। এছাড়া আজ বৃহস্পতিবার দিন রাত থাকবে সমান।

মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসার মতে, আজ পূর্ণিমা রাতে আকাশে যে চাঁদ উঠবে সেই সুপারমুনকে দেখাবে স্বাভাবিকের চেয়ে ১৪ শতাংশ বড়। চাঁদ কিছুটা উপবৃত্তাকার কক্ষপথে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে। তাই এটি কখনও পৃথিবীর কাছে আসে, কখনও বা দূরে সরে যায়। পূর্ণ চাঁদ যখন পৃথিবীর খুব কাছ ঘেঁষে যায়, তাকেই বলা হয় সুপারমুন। আজ রাতে চাঁদকে দেখা যাবে পূর্ণ আলোকিত, এর ঔজ্জ্বল্য থাকবে ৩০ শতাংশ বেশি। আকাশ মেঘাচ্ছন্ন না থাকলে পৃথিবীর যে কোনো প্রান্ত থেকেই সুপারমুনের সৌন্দর্য উপভোগ করা যাবে।

নাসার বিজ্ঞানীদের মতে, চলতি বছর এটাই সর্বশেষ সুপারমুন। স্বাভাবিক সময়ে আমরা যে চাঁদ দেখি, সুপারমুনের সময় তার চেয়ে এ চাঁদ দেখতে হবে প্রায় ১৪ ভাগ বড়। বিশ্ববাসী আবারো আরেকটি সুপারমুন দেখতে পাবেন ২০৩০ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি।

অন্যদিকে পৃথিবী সূর্যের চারদিকে পরিক্রমণকালে পৃথিবীর মেরু রেখা ধ্রুবতারামুখী হয়ে কক্ষপথের সঙ্গে সব সময় ৬৬.৫ ডিগ্রি কোণ করে হেলে থাকে। আবার নিরক্ষ রেখা বা বিষুব রেখার সমতল কক্ষপথের সঙ্গে ২৩.৫ ডিগ্রি কোণে হেলে থাকে। এ কারণে প্রতি বছর ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর সারা পৃথিবীতে দিন রাত সমান হয়ে থাকে। এ সময় পৃথিবীর দুই গোলার্ধেই দিনের বেলা ১২ ঘণ্টা করে আলো পায় এবং ১২ ঘণ্টা পায় না। অর্থাৎ দুই গোলার্ধেই দিন-রাত সমান হয়ে থাকে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: