রবিবার, ১৬ জুন ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ২ আষাঢ় ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা না থাকায় ভালো নেই সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলের মানুষ  » «   সীমান্তে বাংলাদেশি হত্যা ‘অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু’: বিএসএফ মহাপরিচালক  » «   সর্বোচ্চ চেষ্টা’ করেও ওসি মোয়াজ্জেমকে ধরতে পারছে না পুলিশ  » «   পৃথিবীর ইতিহাসে সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড কুয়েতে  » «   রোহিঙ্গা সংকট সমাধান না হলে অস্থিতিশীল হবে এশিয়া: রাষ্ট্রপতি  » «   অবশেষে ইমরান-মোদির সৌজন্য সাক্ষাৎ  » «   এমপিও পাবেন মাদরাসার সাড়ে ২১ হাজার শিক্ষক  » «   বাজেট সমালোচকদের যে গল্প শোনালেন প্রধানমন্ত্রী  » «   সুনামগঞ্জে পরিবহন সেক্টরে নৈরাজ্য ঠেকাতে প্রতিবাদ  » «   পশ্চিমবঙ্গে থাকতে হলে বাংলায় কথা বলতে হবে: মমতা  » «   ইকোসকে বিপুল ভোটে জয় পেল বাংলাদেশ  » «   মোবাইলে ১০০ টাকার কথা বললে ২৭ টাকা কেটে নেবে সরকার  » «   সাক্ষ্য দিতে চাওয়ায় প্রাণটাই কেড়ে নিল আসামিরা  » «   পশ্চিমবঙ্গকে বাংলাদেশ নয়; গুজরাট বানানো ভাল : দিলীপ ঘোষ  » «   বাজেটের প্রভাব: দাম বাড়বে যেসব জিনিসের  » «  

আজ দিন রাত সমান, আকাশে থাকবে সুপারমুন



নিউজ ডেস্ক:: চাঁদ নিয়ে মানুষের আগ্রহের শেষ নেই। চাঁদের মায়াবী আলোয় চমৎকার একটি রাত কাটানোর সুযোগ এলো। আকাশে আজ বৃহস্পতিবার দেখা যাবে বড় ও উজ্জ্বল চাঁদ। এমন চাঁদকে বলা হয় সুপারমুন। এছাড়া আজ বৃহস্পতিবার দিন রাত থাকবে সমান।

মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসার মতে, আজ পূর্ণিমা রাতে আকাশে যে চাঁদ উঠবে সেই সুপারমুনকে দেখাবে স্বাভাবিকের চেয়ে ১৪ শতাংশ বড়। চাঁদ কিছুটা উপবৃত্তাকার কক্ষপথে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে। তাই এটি কখনও পৃথিবীর কাছে আসে, কখনও বা দূরে সরে যায়। পূর্ণ চাঁদ যখন পৃথিবীর খুব কাছ ঘেঁষে যায়, তাকেই বলা হয় সুপারমুন। আজ রাতে চাঁদকে দেখা যাবে পূর্ণ আলোকিত, এর ঔজ্জ্বল্য থাকবে ৩০ শতাংশ বেশি। আকাশ মেঘাচ্ছন্ন না থাকলে পৃথিবীর যে কোনো প্রান্ত থেকেই সুপারমুনের সৌন্দর্য উপভোগ করা যাবে।

নাসার বিজ্ঞানীদের মতে, চলতি বছর এটাই সর্বশেষ সুপারমুন। স্বাভাবিক সময়ে আমরা যে চাঁদ দেখি, সুপারমুনের সময় তার চেয়ে এ চাঁদ দেখতে হবে প্রায় ১৪ ভাগ বড়। বিশ্ববাসী আবারো আরেকটি সুপারমুন দেখতে পাবেন ২০৩০ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি।

অন্যদিকে পৃথিবী সূর্যের চারদিকে পরিক্রমণকালে পৃথিবীর মেরু রেখা ধ্রুবতারামুখী হয়ে কক্ষপথের সঙ্গে সব সময় ৬৬.৫ ডিগ্রি কোণ করে হেলে থাকে। আবার নিরক্ষ রেখা বা বিষুব রেখার সমতল কক্ষপথের সঙ্গে ২৩.৫ ডিগ্রি কোণে হেলে থাকে। এ কারণে প্রতি বছর ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর সারা পৃথিবীতে দিন রাত সমান হয়ে থাকে। এ সময় পৃথিবীর দুই গোলার্ধেই দিনের বেলা ১২ ঘণ্টা করে আলো পায় এবং ১২ ঘণ্টা পায় না। অর্থাৎ দুই গোলার্ধেই দিন-রাত সমান হয়ে থাকে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: