শনিবার, ২৩ মার্চ ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৯ চৈত্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
ভারতে লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থীদের প্রথম তালিকা ঘোষণা করলো বিজেপি  » «   সিলেটে ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল সিলসিলার ম্যানেজারের  » «   নিজের চেয়ার ছেড়ে জহিরুলের পাশে এসে দাঁড়ালেন প্রধানমন্ত্রী  » «   সিলেটে নির্মাণ হতে যাচ্ছে স্মৃতিসৌধ,পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ডিও লেটার  » «   সুখী দেশের তালিকায় বাংলাদেশের ১০ ধাপ অবনতি  » «   জাফর ইকবালকে হত্যাচেষ্টা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু  » «   আইডিয়া’র ২৫ বছর পূর্তি উৎসবে র‍্যালি, আলোচনাসভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান  » «   উন্নয়ন করতে গিয়ে জীবন ও জীবিকার যেন ক্ষতি না হয় : প্রধানমন্ত্রী  » «   আজ দিন রাত সমান, আকাশে থাকবে সুপারমুন  » «   সহকর্মীর হাতে খুন হলেন তিন ভারতীয় সেনা  » «   মসজিদে হামলাধারী ব্রেন্টন আইএস থেকে ভিন্ন কিছু নয়: এরদোগান  » «   সিলেটে মেশিনে আদায় হবে যানবাহনের মামলার জরিমানা  » «   গ্যাসের দাম ১৩২% বৃদ্ধির প্রস্তাব হাস্যকর  » «   মেয়রের আশ্বাসে ২৮ মার্চ পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিত  » «   দরিদ্র বলে এদেশে কিছু থাকবে না : প্রধানমন্ত্রী  » «  

আগামী নির্বাচনও হবে খালেদাকে ছাড়া



r410নিউজ ডেস্ক :: আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খালেদা জিয়ার অংশ গ্রহণ করার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ও জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু। তিনি বলেছেন, ‘২০১৯ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে গণতান্ত্রিক শক্তির সঙ্গে গণতান্ত্রিক শক্তির নির্বাচন। গণতন্ত্রের অচল মাল সচল করার সুযোগ নেই। যে কারণে খালেদা জিয়ারও অংশ গ্রহণের সুযোগ নেই।’

শনিবার জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত ২০১৫-১৬ অর্থ বছরের বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। এ সময় সংসদে সভাপতির আসনে ছিলেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

খালেদা জিয়া প্রসঙ্গে তিনি আরো বলেন, ‘জনগণের কথা শোনার ধৈর্য কখনোই তার ছিলো না। উনি এর আগে নির্বাচন করেছেন কিন্তু সংসদের ধার ধারেননি। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে অগণতান্ত্রিক শক্তিকে সুযোগ দিলে গণতন্ত্রের দুর্যোগ নেমে আসে। গণতন্ত্রে ছোবল মারে। যেমনটি মারছে জামায়াত ইসলাম, যুদ্ধাপরাধী, জঙ্গিবাদীরা।’

ইনু বলেন, ‘সাজানো বাগানে শুকর ছেড়ে দিলে সেই বাগান তছনছ করে দেয়। বর্তমানে গণতন্ত্রে কোন ঘটতি নেই, আছে বিষফোরা। জামায়াত ও জঙ্গিরা হচ্ছে গণতন্ত্রের বিষফোরা। এসব বিষফোরা ছোট-খাটো অপারেশনের মাধ্যমে বাদ দিতে হবে। এতে আমাদের একটু কষ্ট হবে। তবে আমরা এদের কোন ভাবেই ছাড় দিতে পারি না।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যে অগ্রযাত্রা শুরু হয়েছে তাতে বাংলাদেশে আর পাকিস্তান মার্কা, সামরিক সরকার মার্কা, জামায়াত মার্কা রাজনীতির সুযোগ নাই। খালেদার রাজনীতির ভবিষ্যত ইতিহাস লেখা হয়েছে। সেটা হলো এই দেশের তার আর রাজনীতি করার সুযোগ নেই। তার স্থান হবে আদালতে। তাকে আদালতের বারান্দায় বিচরণ করতে হবে।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘অনেকে ফ্যাশন করে বলেন গণতন্ত্রে ‘ডেফিসিস’ ঘাটতি আছে। গণতন্ত্র মাপবেন কী দিয়ে? বাক, ব্যক্তির কথা বলা সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা দিয়ে। যদি গণতন্ত্রের মাপকাঠি তাই হয়ে থাকে, তাহলে যারা সমালোচনা করছেন তারাই প্রমাণ করেছেন গণতন্ত্রের সর্বোচ্চ সুযোগ নিচ্ছেন। গণতন্ত্রে এখানে কোন ঘাটতি নেই। বর্তমানে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গণমাধ্যমে এবং স্বাধীন মত প্রকাশের স্বর্ণযুগ পালন করছি।’

খালেদা জিয়ার সমালোচনা করে ইনু বলেন, ‘শেখ হাসিনা নরেদ্র মোদির সঙ্গে যে চুক্তি এবং সমঝোতা স্বাক্ষর করেছেন তার কোনো চুক্তি স্বাধীনতা বিরোধী, দেশ বিরোধী, অর্থনীতি বিরোধী কি না আপনি (খালেদা) বলুন। আপনি কাল যদি ক্ষমতায় আসেন তাহলে কোন চুক্তিটি বাতিল করবেন বলুন। আপনি একটিও বাতিল করতে পারবেন না, কারণ এসব চুক্তি দেশের জনগণের স্বার্থেই হয়েছে। খালেদাসহ যারা এ নিয়ে সমালোচনা করছেন তারা হয় বোকা ও মুর্খ আর না হয় জ্ঞানপাপী।’

খালেদা জিয়াতো আর বোকা না উনি ইচ্ছা করেই এই সমালোচনা করছেন। উনি হলেন জ্ঞানপাপী। খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনিতো সমঝোতায় বিশ্বাস করেন না, গোপন, তোষামদে বিশ্বাসী।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আরো কয়েক বছর দেশ পরিচালিত হলে এই সংসদে ৭ লাখ কোটি টাকার বাজেট দেয়া হবে। যারা প্রস্তাবিত বাজেট উচ্চাভিলাসী বলেন তাদের উদ্দেশ্যে বলি, গত ছয় বছর ধরে আগুন, সন্ত্রাস, জ্বালাও-পোড়াও, হরতাল-অবরোধের মধ্যেও বড় আকারের বাজেটের ৯৫ শতাংশ বাস্তবায়ন করেছি। রাজস্ব আহরণ তো বেড়েছে। সেখানে নতুন মাত্রায় আয়কর আহরণ বেড়েছে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: